ঢাকা ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাভার ধামরাইয়ে এক নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১
  • / ১০৭২ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আহসান হাবীব, সাভার প্রতিনিধি ঢাকাঃ সাভার ধামরাইয়ে এক নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ আব্দুর রশিদ নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত রশিদের বিরুদ্ধে ধামরাই থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী।

মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল বিকেল চারটার দিকে উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের সুন্দর কাঠালিয়া এলাকায় ভুক্তভোগীর নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।অভিযুক্ত আব্দুর রশিদ একই এলাকার মৃত বিল্লাল হোসেনের ছেলে। ভুক্তভোগী ও রশিদ সম্পর্কে আপন খালাতো ভাইবোন। তাদের উভয়ের বাড়িই পাশাপাশি। অভিযুক্ত আব্দুর রশিদ দীর্ঘদিন ধরে ওই যুবতীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছে।

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও বিভিন্ন সময়ে রাস্তা-ঘাটে ইভটিজিং করে। বিষয়টি ভুক্তভোগীর পরিবারকে জানায় রশিদ আরো হিংস্র হয়ে যায়।

এরই জের ধরে গত মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল বাড়ি ফাকা পেয়ে রশিদ ওই ভুক্তভোগীর রুমে গিয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরে ভুক্তভোগীর ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন আসতে থাকলে ঘরের জানালা দিয়ে রশিদ পালিয়ে যায়। এবং এসময় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এলাকাবাসী বলেন, গতকাল বিকেলের ঘটনা সারারাত এলাকার মাতব্বররা এটি মিমাংসার চেষ্টা করে।

[irp]

 

দুটি পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে ভুক্তভোগী ও রশিদের বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে।কিন্তু ধর্ষণ চেষ্টাকারী আব্দুর রশিদ মাতব্বরদের কোন কথা রাখেনি।কিন্তু পরদিন সকালে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে কাউয়ালিপাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে একটি অভিযোগ করে। পুলিশ বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীর বাড়িতে যায়।

তবে এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলে।ভুক্তভোগী বলেন, গতকাল আমার মা চারটার দিকে আমার বড় বোনকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলে আমি বাড়িতে একা থাকি।তখন নির্জন বাড়িতে আমাকে একা পেয়ে আমার খালাতো ভাই আব্দুর রশিদ আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এর পূর্বে গতবছর পাশের বাড়িতে বিয়ের সময় আবারও সে অপহরণের চেষ্টা করেছিলো।

এলাকাবাসী সেটা মিমাংসা করে দেয়।এরপর থেকে রশিদ আমার পিছু লেগেই রয়েছে।আব্দুর রশিদের পরিবার বলে, ঘটনা যা ঘটেছে সকলের সম্মান বাঁচাতে আমরা ছেলেকে বিয়ে করাতে রাজি।

কিন্তু সকাল থেকেই আব্দুর রশিদকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।এবিষয়ে ধামরাই থানার অফিসার ইন-চার্জ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, এরকম একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আমার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

ট্যাগস :

সাভার ধামরাইয়ে এক নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:৪২:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১

মোঃ আহসান হাবীব, সাভার প্রতিনিধি ঢাকাঃ সাভার ধামরাইয়ে এক নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ আব্দুর রশিদ নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত রশিদের বিরুদ্ধে ধামরাই থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী।

মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল বিকেল চারটার দিকে উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের সুন্দর কাঠালিয়া এলাকায় ভুক্তভোগীর নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।অভিযুক্ত আব্দুর রশিদ একই এলাকার মৃত বিল্লাল হোসেনের ছেলে। ভুক্তভোগী ও রশিদ সম্পর্কে আপন খালাতো ভাইবোন। তাদের উভয়ের বাড়িই পাশাপাশি। অভিযুক্ত আব্দুর রশিদ দীর্ঘদিন ধরে ওই যুবতীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছে।

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও বিভিন্ন সময়ে রাস্তা-ঘাটে ইভটিজিং করে। বিষয়টি ভুক্তভোগীর পরিবারকে জানায় রশিদ আরো হিংস্র হয়ে যায়।

এরই জের ধরে গত মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল বাড়ি ফাকা পেয়ে রশিদ ওই ভুক্তভোগীর রুমে গিয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরে ভুক্তভোগীর ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন আসতে থাকলে ঘরের জানালা দিয়ে রশিদ পালিয়ে যায়। এবং এসময় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এলাকাবাসী বলেন, গতকাল বিকেলের ঘটনা সারারাত এলাকার মাতব্বররা এটি মিমাংসার চেষ্টা করে।

[irp]

 

দুটি পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে ভুক্তভোগী ও রশিদের বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে।কিন্তু ধর্ষণ চেষ্টাকারী আব্দুর রশিদ মাতব্বরদের কোন কথা রাখেনি।কিন্তু পরদিন সকালে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে কাউয়ালিপাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে একটি অভিযোগ করে। পুলিশ বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীর বাড়িতে যায়।

তবে এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলে।ভুক্তভোগী বলেন, গতকাল আমার মা চারটার দিকে আমার বড় বোনকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলে আমি বাড়িতে একা থাকি।তখন নির্জন বাড়িতে আমাকে একা পেয়ে আমার খালাতো ভাই আব্দুর রশিদ আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এর পূর্বে গতবছর পাশের বাড়িতে বিয়ের সময় আবারও সে অপহরণের চেষ্টা করেছিলো।

এলাকাবাসী সেটা মিমাংসা করে দেয়।এরপর থেকে রশিদ আমার পিছু লেগেই রয়েছে।আব্দুর রশিদের পরিবার বলে, ঘটনা যা ঘটেছে সকলের সম্মান বাঁচাতে আমরা ছেলেকে বিয়ে করাতে রাজি।

কিন্তু সকাল থেকেই আব্দুর রশিদকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।এবিষয়ে ধামরাই থানার অফিসার ইন-চার্জ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, এরকম একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আমার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।