ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুইস ব্যাংক থেকে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০১:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জুন ২০২৩
  • / ১০৭৭ বার পড়া হয়েছে

সুইস ব্যাংক থেকে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন

স্টাফ রিপোর্টারঃ

এক বছরেই সুইস ব্যাংকগুলো থেকে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশিরা। ২০২১ সালে যেখানে বাংলাদেশিদের আমানত ছিলো ৮৭ কোটি ১১ লাখ সুইস ফ্রাঁ। ২০২২ সালের শেষে তা কমে এসেছে মাত্র সাড়ে পাঁচ কোটি ফ্রাঁতে।

বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে, এক বছরে এই বিপুল পরিমাণ টাকা উত্তোলনের কারণ প্রকাশ করেনি সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ২০২১ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত সবচেয়ে বেশি ছিল। তবে, বছর না গড়াতেই তা নেমে এসেছে সর্বনিম্ন অবস্থানে। এতে, এক বছরে ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের আমানত কমেছে প্রায় ৯৪ শতাংশ। এক দশক ধরে ধারাবাহিকভাবে যে আমানত বেড়েছিল, মাত্র এক বছরেই তা কমে গেছে।

সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের যে অর্থ জমা হয়, তা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে জমা হয়। সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন দেশ থেকে জমা হওয়া এসব অর্থ সে দেশের দায় হিসাবে আর্থিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করে থাকে। সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ একলাফে এক বছরে ৯৪ শতাংশ কমে যাওয়ায় তথ্যটি এমন একসময়ে এসেছে, যখন দেশে অর্থ পাচারের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

ট্যাগস :

সুইস ব্যাংক থেকে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন

আপডেট সময় : ০১:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জুন ২০২৩

সুইস ব্যাংক থেকে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন

স্টাফ রিপোর্টারঃ

এক বছরেই সুইস ব্যাংকগুলো থেকে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশিরা। ২০২১ সালে যেখানে বাংলাদেশিদের আমানত ছিলো ৮৭ কোটি ১১ লাখ সুইস ফ্রাঁ। ২০২২ সালের শেষে তা কমে এসেছে মাত্র সাড়ে পাঁচ কোটি ফ্রাঁতে।

বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। তবে, এক বছরে এই বিপুল পরিমাণ টাকা উত্তোলনের কারণ প্রকাশ করেনি সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ২০২১ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত সবচেয়ে বেশি ছিল। তবে, বছর না গড়াতেই তা নেমে এসেছে সর্বনিম্ন অবস্থানে। এতে, এক বছরে ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের আমানত কমেছে প্রায় ৯৪ শতাংশ। এক দশক ধরে ধারাবাহিকভাবে যে আমানত বেড়েছিল, মাত্র এক বছরেই তা কমে গেছে।

সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের যে অর্থ জমা হয়, তা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে জমা হয়। সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন দেশ থেকে জমা হওয়া এসব অর্থ সে দেশের দায় হিসাবে আর্থিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করে থাকে। সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ একলাফে এক বছরে ৯৪ শতাংশ কমে যাওয়ায় তথ্যটি এমন একসময়ে এসেছে, যখন দেশে অর্থ পাচারের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।