ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ Logo অষ্টগ্রামে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলা, ছাত্রদল সভাপতিসহ আহত ৬ Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে স্বেচ্ছাসেবক দলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ঘরে-বাইরে নিরাপত্তাহীনতা, সারাদেশে বাধাহীন ‘মব’-২০২৫ Logo সড়ক পাশে ফেলে যাওয়া দুই শিশুর বাবার বাড়ি খাগড়াছড়ি

কিশোরগঞ্জ শহরে অটোরিকশার যানজট ও ফুটপাত দখল ভাঙতে মাঠে নামলেন ডিসি ফৌজিয়া খান

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ০৩:২৭:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১৯৬১ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জ শহরের রাস্তাঘাট দীর্ঘদিন ধরে যানজটের কবলে। পৌরসভার অনুমোদিত ৬০০টি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার স্থলে বর্তমানে ছয় হাজারেরও বেশি চলাচল করছে। ফুটপাত দখল করে হকারদের ব্যবসা, রেলওয়ে স্টেশনে টিকিট কালোবাজারি এবং অবৈধ পার্কিং শহরের চলাচলকে প্রায় অচল করে তুলেছে।

এই বিশৃঙ্খল নগরচিত্র নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান নিজে মাঠে নেমে নেতৃত্ব দিচ্ছে টেকসই নগরায়নের অভিযানে।

সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকালে গৌরাঙ্গবাজার, রেলওয়ে স্টেশনসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একযোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে অবৈধভাবে ফুটপাত দখলকারী হকারদের দোকান সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অনুমোদিত অটোরিকশা ছাড়া পৌরসভার বাহিরের ইজিবাইক ও রিকশার প্রবেশ নিষিদ্ধসহ শহরের ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে প্রবেশ নিষিদ্ধ সাইনবোর্ড স্থাপনের উদ্বোধন করেন। পরে জেলা প্রশাসক রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করে টিকিট কালোবাজারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান বলেন, যানজট কেবল সময়ের অপচয় নয়, এটি নাগরিক জীবনের মানও কমিয়ে দেয়। শহরকে সবার জন্য চলাচলযোগ্য রাখতে আমাদের সবাইকে নিয়ম মেনে চলতে হবে। ফুটপাত পথচারীর জন্য, ব্যবসা বা পার্কিংয়ের জন্য নয়।

পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শহরের যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা আনতে অটোরিকশার স্ট্যান্ডগুলো নতুনভাবে নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া পৌর শহরের বাহিরের কোনো ইজিবাইক বা অটোরিকশা যেন পৌরসভার ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না, তা নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি থাকবে।

শহরবাসী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।পৌরসভার বাসিন্দা  সোহেল চৌধুরি বলেন, ডিসি ম্যাডামের নেতৃত্বে যদি এই শৃঙ্খলা স্থায়ীভাবে বজায় থাকে, তবে কিশোরগঞ্জ সত্যিকারের আধুনিক শহরে পরিণত হবে।

অভিযানে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে পুলিশ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং পৌরসভার কর্মকর্তারা অংশ নেন।

কিশোরগঞ্জ শহরে অটোরিকশার যানজট ও ফুটপাত দখল ভাঙতে মাঠে নামলেন ডিসি ফৌজিয়া খান

আপডেট সময় : ০৩:২৭:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

কিশোরগঞ্জ শহরের রাস্তাঘাট দীর্ঘদিন ধরে যানজটের কবলে। পৌরসভার অনুমোদিত ৬০০টি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার স্থলে বর্তমানে ছয় হাজারেরও বেশি চলাচল করছে। ফুটপাত দখল করে হকারদের ব্যবসা, রেলওয়ে স্টেশনে টিকিট কালোবাজারি এবং অবৈধ পার্কিং শহরের চলাচলকে প্রায় অচল করে তুলেছে।

এই বিশৃঙ্খল নগরচিত্র নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান নিজে মাঠে নেমে নেতৃত্ব দিচ্ছে টেকসই নগরায়নের অভিযানে।

সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকালে গৌরাঙ্গবাজার, রেলওয়ে স্টেশনসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একযোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে অবৈধভাবে ফুটপাত দখলকারী হকারদের দোকান সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অনুমোদিত অটোরিকশা ছাড়া পৌরসভার বাহিরের ইজিবাইক ও রিকশার প্রবেশ নিষিদ্ধসহ শহরের ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে প্রবেশ নিষিদ্ধ সাইনবোর্ড স্থাপনের উদ্বোধন করেন। পরে জেলা প্রশাসক রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করে টিকিট কালোবাজারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান বলেন, যানজট কেবল সময়ের অপচয় নয়, এটি নাগরিক জীবনের মানও কমিয়ে দেয়। শহরকে সবার জন্য চলাচলযোগ্য রাখতে আমাদের সবাইকে নিয়ম মেনে চলতে হবে। ফুটপাত পথচারীর জন্য, ব্যবসা বা পার্কিংয়ের জন্য নয়।

পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শহরের যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা আনতে অটোরিকশার স্ট্যান্ডগুলো নতুনভাবে নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া পৌর শহরের বাহিরের কোনো ইজিবাইক বা অটোরিকশা যেন পৌরসভার ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না, তা নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি থাকবে।

শহরবাসী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।পৌরসভার বাসিন্দা  সোহেল চৌধুরি বলেন, ডিসি ম্যাডামের নেতৃত্বে যদি এই শৃঙ্খলা স্থায়ীভাবে বজায় থাকে, তবে কিশোরগঞ্জ সত্যিকারের আধুনিক শহরে পরিণত হবে।

অভিযানে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে পুলিশ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং পৌরসভার কর্মকর্তারা অংশ নেন।