ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo জাতীয় নেতাদের ভূমিকাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন: এপ্রিলের শেষে উদ্বোধন Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আ.লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ Logo মুখস্থভিত্তিক বিসিএস থেকে দক্ষতাভিত্তিক পদ্ধতিতে যাচ্ছে সরকার: সংসদে প্রতিমন্ত্রী Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি ঘোষণা Logo সরকার-জনপ্রতিনিধি ছাড়া সংবিধান সংশোধনের অধিকার কারো নেই: স্পিকার Logo মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংশ করছে ইরানি ম্যানপ্যাড Logo তিন ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু Logo হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

ভোট ডাকাতি থেকে জনগণের দৃষ্টি সরাতে বাসে আগুন:মির্জা ফখরুল

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০২০
  • / ১১৯১ বার পড়া হয়েছে

‘ভোট ডাকাতির নির্বাচন আড়ালের উদ্দেশ্যে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে গণপরিবহনে আগুন দেওয়া হয়েছে। ভুয়া বাদীর মামলায় সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে হয়রানি করা হচ্ছে।’আজ মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।দলের ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার নিজেদের ব্যর্থতা, দুঃশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট ও ভোট ডাকাতির নির্বাচন আড়ালের উদ্দেশ্যে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে সুপরিকল্পিতভাবে ঢাকায় গণপরিবহনে আগুন দিয়েছে। এখন সেই ঘটনার দায়-দায়িত্ব বিএনপির ওপর জবরদস্তিমূলক চাপিয়ে দিতে ষড়যন্ত্রমূলক বানোয়াট মামলা দায়েরের মাধ্যমে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে হয়রানি ও গ্রেপ্তার করছে এবং গ্রেপ্তারের নামে বাসাবাড়িতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুরসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অশালীন ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করছে।

হেফাজতের নতুন নেতাদের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক ভিপি নুর

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, ‘সরকারের এই ন্যক্কারজনক ঘটনার বিরুদ্ধে দেশব্যাপী যখন নিন্দা ও ধিক্কারের ঝড় উঠেছে, তখন সরকার স্বভাবসুলভভাবে মিথ্যাচার ও নাটক সাজিয়ে আবারও জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে। সরকার বলছে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে মামলা হয়েছে অথচ একটি মামলার বাদী হিসেবে যাকে দেখানো হয়েছে তিনি নিজেই অস্বীকার করেছেন যে তিনি মামলা দায়ের করেননি।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ভুয়া বাদীর সেই মামলায় বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হচ্ছে। অন্যদিকে করোনাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে দেশে-বিদেশে হাসপাতালে বা বাসায় দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন, কোয়ারেন্টিন কিংবা আইসোলেশনে থাকা, এমনকি দুই বছর ধরে পঙ্গুত্ব বরণকারী নেতাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসকারী নেতাকর্মীদের এই মিথ্যা অভিযোগে আসামি করা হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল প্রশ্ন তোলেন, ‘সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ীই যদি আসামি করা হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন- বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ অসুস্থ, আহত, চিকিৎসাধীন কিংবা ঢাকার বাইরে ও বিদেশে অবস্থানরত নেতাকর্মীদের মামলায় আসামি করা হলো কিসের ভিত্তিতে? প্রকৃত অর্থে এই মামলাগুলো যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট, তা সুনিশ্চিত। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই ফ্যাসিবাদী সরকারের এই অপতৎপরতা।’ 

বিবৃতিতে অবিলম্বে বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানি বন্ধ এবং গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব। 

ভোট ডাকাতি থেকে জনগণের দৃষ্টি সরাতে বাসে আগুন:মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০৩:২৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০২০

‘ভোট ডাকাতির নির্বাচন আড়ালের উদ্দেশ্যে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে গণপরিবহনে আগুন দেওয়া হয়েছে। ভুয়া বাদীর মামলায় সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে হয়রানি করা হচ্ছে।’আজ মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।দলের ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার নিজেদের ব্যর্থতা, দুঃশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট ও ভোট ডাকাতির নির্বাচন আড়ালের উদ্দেশ্যে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে সুপরিকল্পিতভাবে ঢাকায় গণপরিবহনে আগুন দিয়েছে। এখন সেই ঘটনার দায়-দায়িত্ব বিএনপির ওপর জবরদস্তিমূলক চাপিয়ে দিতে ষড়যন্ত্রমূলক বানোয়াট মামলা দায়েরের মাধ্যমে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে হয়রানি ও গ্রেপ্তার করছে এবং গ্রেপ্তারের নামে বাসাবাড়িতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসবাবপত্র ভাঙচুরসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অশালীন ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করছে।

হেফাজতের নতুন নেতাদের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক ভিপি নুর

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, ‘সরকারের এই ন্যক্কারজনক ঘটনার বিরুদ্ধে দেশব্যাপী যখন নিন্দা ও ধিক্কারের ঝড় উঠেছে, তখন সরকার স্বভাবসুলভভাবে মিথ্যাচার ও নাটক সাজিয়ে আবারও জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে। সরকার বলছে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে মামলা হয়েছে অথচ একটি মামলার বাদী হিসেবে যাকে দেখানো হয়েছে তিনি নিজেই অস্বীকার করেছেন যে তিনি মামলা দায়ের করেননি।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ভুয়া বাদীর সেই মামলায় বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হচ্ছে। অন্যদিকে করোনাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে দেশে-বিদেশে হাসপাতালে বা বাসায় দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন, কোয়ারেন্টিন কিংবা আইসোলেশনে থাকা, এমনকি দুই বছর ধরে পঙ্গুত্ব বরণকারী নেতাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসকারী নেতাকর্মীদের এই মিথ্যা অভিযোগে আসামি করা হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল প্রশ্ন তোলেন, ‘সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ীই যদি আসামি করা হয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন- বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ অসুস্থ, আহত, চিকিৎসাধীন কিংবা ঢাকার বাইরে ও বিদেশে অবস্থানরত নেতাকর্মীদের মামলায় আসামি করা হলো কিসের ভিত্তিতে? প্রকৃত অর্থে এই মামলাগুলো যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট, তা সুনিশ্চিত। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই ফ্যাসিবাদী সরকারের এই অপতৎপরতা।’ 

বিবৃতিতে অবিলম্বে বিএনপি নেতাকর্মীদের হয়রানি বন্ধ এবং গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব।