টাঙ্গাইলে দুর্ঘটনায় নিহত-১৭
- আপডেট সময় : ০৬:০৩:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
- / ১০১৭ বার পড়া হয়েছে
টাঙ্গাইলে দুর্ঘটনায় নিহত-১৭
এস কে সাগরঃ
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং আরও ১০ জন গুরুতরভাবে আহত হওয়েছে। এ ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হয়েছে আরও ১০ জন। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি নওগাঁর মান্দা উপজেলার ভারশোঁ ও কুসুম্বা ইউনিয়নের রাজেন্দ্রবাটি, ডেবরা, চিকলা ও বলাক্ষেত্র গ্রামে।
আজ সোমবার (২৫ মে) ভোর ৪টার দিকে টাঙ্গাইলের যমুনা সেতুর পূর্ব সংযোগ সড়কের সরাতৈল এলাকায় রডবোঝাই ট্রাক উল্টে এদূর্ঘটনা ঘটে।
হতাহতরা মূলত পেশায় ধান কাটার শ্রমিক ছিলেন। ঘটনার আকস্মিকতায় ঘটনাস্থলেই ১৫ জন এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ২ জনসহ মোট ১৭ জনের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন- রাজেন্দ্রবাটি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে আব্দুল বারিক (২২), তার চাচা আব্দুর রহিমের ছেলে বাদশা (৪০), সাকিম হোসেনের ছেলে সাগর হোসেন (২২), আকব্বর আলীর ছেলে সোহাগ হোসেন (২০), সুলতান মাহমুদের ছেলে তারেক রহমান (১৮), শহিদুল ইসলামের ছেলে রবিউল আলম (২৮), পাকুড়িয়া গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে মাইনুল ইসলাম (২৮) ও তার ভাই গিয়াস উদ্দিন (২২)। হোসেনপুর গ্রামের জাফের আলীর ছেলে মাইনুল ইসলাম (৩৫), একাব্বর আলীর ছেলে ইয়াকুব (২০), রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার বাতানপুর গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে ইসমাইল হোসেন (১৯), চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার নজরুল (৬০), সদর উপজেলার মামুন (৪৫) সহ ১৩ জন।
বাকি মরদেহগুলোর পরিচয় নিশ্চিত করতে হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন কাজ করছে। নিহতদের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে।
মান্দা উপজেলার নির্বাহী অফিসার আখতার জাহান সাথী বলেন, নিহতের স্বজনরা ঘটনাস্থলে রওনা দিয়েছেন। যেহেতু অনেকের মুখমণ্ডল চিনতে একটু সমস্যা হচ্ছে, এ কারণে মরদেহ বুঝে নিতে দেরি হচ্ছে।
নওগাঁ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা হয়েছে। নিহতদের বিষয়ে তিনি সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন।
কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ খায়রুল ইসলাম বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা ১৭ জন নিহত হয়েছে তাদেরকে উদ্ধার করার চলছে আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হলেন কামরুল ফারুক ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সকালে সড়ক দুর্ঘটনায় অনেকে হতাহত হয়েছে তবে এর সঠিক পরিসংখ্যান তদন্ত শেষে বলা যাবে।
দৈনিক আস্থা/এমএইচ



















