টাঙ্গাইলে সাত দিনে পাঁচ খুন
- আপডেট সময় : ০৮:৩৬:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
- / ১০০৬ বার পড়া হয়েছে
টাঙ্গাইলে সাত দিনে পাঁচ খুন
টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলে গত সাত দিনে জেলার তিনটি উপজেলায় পৃথক ঘটনায় পাঁচটি খুনের ঘটনা ঘটেছে। একের পর এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জেলাজুড়ে আতঙ্ক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। ঘটছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবণতি।
গত ১ জুলাই (বুধবার) নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর সখীপুর উপজেলা হাসপাতাল গেটের দক্ষিণে বাড়ির পাশের ডোবা থেকে পারভীন আক্তার নামে এক বিধবা নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি উপজেলার হাতিবান্ধা গ্রামের মৃত হুমায়ুন খানের স্ত্রী।
গত ২৯ জুন (সোমবার) সকালে টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে নাজমা আলম নাজু নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নাগরপুর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর গত ১ জুলাই (বুধবার) দুপুরে সহবতপুর ইউনিয়নের বিন্নাওঝা গ্রামের গাজী কবিরের পাটখেত থেকে শওকত মোল্লা (৫৫) নামে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শওকত সহবতপুর ইউনিয়নের নলসন্ধ্যা গ্রামের মৃত জয়েদ আলী মোল্লার ছেলে।
গত ২৮ জুন (রোববার) নিজের গাছ থেকে কাঁঠাল পাড়ার সময় চাচাতো ভাইদের সঙ্গে তার সংঘর্ষ হয়। গুরুতর আহত ছানোয়ারকে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়। পরদিন ২৯ জুন (সোমবার) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. আদিবুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সমাজে পারিবারিক শিক্ষার অভাবে সামাজিক অবক্ষয় চরম আকার ধারণ করেছে। আগে সন্ধ্যা হলেই প্রতিটি অভিভাবক তাদের সন্তানদের খোঁজ নিতেন। কিন্তু এ প্রজন্মের সন্তানরা মোবাইলের বিভিন্ন ডিভাইসে আসক্ত হওয়ায় তারা বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়াচ্ছে। সামাজিক অবক্ষয় রোধে প্রত্যেক অভিভাবককে সচেতনভাবে পারিবারিক শিক্ষা দিতে হবে। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপও নিতে হবে।
দৈনিক আস্থা/এমএইচ


















