ঢাকা ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশি গৃহকর্মী হত্যার দায়ে সৌদি গৃহকর্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০১:৫৩:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • / ১০৭০ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

সৌদি আরবে বাংলাদেশি গৃহকর্মী আবিরন হত্যা মামলায় গৃহকর্ত্রী আয়েশা আল জিজানীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত।

রোববার রিয়াদের ক্রিমিনাল কোর্ট এ রায় ঘোষণা করেন। সৌদি আরবে বাংলাদেশের দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

রায়ে গৃহকর্ত্রী আয়েশা আল জিজানীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্টভাবে ইচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করার কারণে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গৃহকর্তা বাসেম সালেমকে ৩ বছর ২ মাস কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হয়।

এদিকে মামলার অপর আসামি ওই দম্পতির ছেলে ওয়ালিদ বাসেম সালেমের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতার প্রমাণ পায়নি আদালত। তবে তাকে সাত মাস কিশোর সংশোধনাগারে থাকার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

আবিরন ২০১৭ সালে ঢাকার একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন।

২০১৯ সালের ২৪ মার্চ তাকে হত্যা করা হয়। পরে তার পরিবার ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির সহায়তায় ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর তার মরদেহ দেশে আনে।

ট্যাগস :

বাংলাদেশি গৃহকর্মী হত্যার দায়ে সৌদি গৃহকর্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০১:৫৩:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

সৌদি আরবে বাংলাদেশি গৃহকর্মী আবিরন হত্যা মামলায় গৃহকর্ত্রী আয়েশা আল জিজানীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত।

রোববার রিয়াদের ক্রিমিনাল কোর্ট এ রায় ঘোষণা করেন। সৌদি আরবে বাংলাদেশের দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

রায়ে গৃহকর্ত্রী আয়েশা আল জিজানীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্টভাবে ইচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করার কারণে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গৃহকর্তা বাসেম সালেমকে ৩ বছর ২ মাস কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হয়।

এদিকে মামলার অপর আসামি ওই দম্পতির ছেলে ওয়ালিদ বাসেম সালেমের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতার প্রমাণ পায়নি আদালত। তবে তাকে সাত মাস কিশোর সংশোধনাগারে থাকার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

আবিরন ২০১৭ সালে ঢাকার একটি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন।

২০১৯ সালের ২৪ মার্চ তাকে হত্যা করা হয়। পরে তার পরিবার ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির সহায়তায় ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর তার মরদেহ দেশে আনে।