ঢাকা ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সহিংসতা, গুলিতে নিহত ৫

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৪:১৯:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ মার্চ ২০২১
  • / ১১২৮ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ–বিজিবির সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২৭ মার্চ) বিকেল পাঁচটার দিকে সদর উপজেলার কুমিল্লা–সিলেট মহাসড়কের নন্দনপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এছাড়া শহরের কান্দিরপাড়া এলাকায় ছাত্রলীগ ও মাদ্রাসাছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষে এক মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন- নন্দনপুর হারিয়া গ্রামের আবদুল লতিফ মিয়ার ছেলে ওয়ার্কশপের দোকানি জুরু আলম (৩৫), সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার দাবিড় মিয়ার ছেলে শ্রমিক বাদল মিয়া (২৪), ব্রাহ্মণবাড়িয়া বারিউড়া এলাকার মৈন্দ গ্রামের জুরু আলীর ছেলে সুজন মিয়া (২২) ও বুধল ইউনিয়নের বুধল গ্রামের প্লাম্বার শ্রমিক মো. কাউওসার (২২)।

কান্দিরপাড়া এলাকায় সংঘর্ষে নিহত ছাত্রের নাম জুবায়ের (১৭)। তার বাড়ি সদর উপজেলার সরিদপুর গ্রামে। সে কান্দিরপাড়া জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার ছাত্র।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল থেকে নিহতের পরিচয় পাওয়া গেছে। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) রানা নুরুস শামস গুলিবিদ্ধ হয়ে এই পাঁচজনের মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান জানান, বুধল ইউনিয়নের নন্দনপুর থেকে তার লোকজন (পুলিশ) কোনোমতে প্রাণে বেঁচে এসেছেন। পুলিশের অনেকে আহত হয়েছেন। নিহতের ঘটনায় বিষয়টি তার জানা নেই।

ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সহিংসতা, গুলিতে নিহত ৫

আপডেট সময় : ০৪:১৯:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ মার্চ ২০২১

অনলাইন ডেস্কঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ–বিজিবির সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন।

শনিবার (২৭ মার্চ) বিকেল পাঁচটার দিকে সদর উপজেলার কুমিল্লা–সিলেট মহাসড়কের নন্দনপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এছাড়া শহরের কান্দিরপাড়া এলাকায় ছাত্রলীগ ও মাদ্রাসাছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষে এক মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন- নন্দনপুর হারিয়া গ্রামের আবদুল লতিফ মিয়ার ছেলে ওয়ার্কশপের দোকানি জুরু আলম (৩৫), সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার দাবিড় মিয়ার ছেলে শ্রমিক বাদল মিয়া (২৪), ব্রাহ্মণবাড়িয়া বারিউড়া এলাকার মৈন্দ গ্রামের জুরু আলীর ছেলে সুজন মিয়া (২২) ও বুধল ইউনিয়নের বুধল গ্রামের প্লাম্বার শ্রমিক মো. কাউওসার (২২)।

কান্দিরপাড়া এলাকায় সংঘর্ষে নিহত ছাত্রের নাম জুবায়ের (১৭)। তার বাড়ি সদর উপজেলার সরিদপুর গ্রামে। সে কান্দিরপাড়া জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার ছাত্র।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল থেকে নিহতের পরিচয় পাওয়া গেছে। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) রানা নুরুস শামস গুলিবিদ্ধ হয়ে এই পাঁচজনের মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান জানান, বুধল ইউনিয়নের নন্দনপুর থেকে তার লোকজন (পুলিশ) কোনোমতে প্রাণে বেঁচে এসেছেন। পুলিশের অনেকে আহত হয়েছেন। নিহতের ঘটনায় বিষয়টি তার জানা নেই।