ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo বেয়াইয়ের সাথে সঙ্গম: অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বিয়াইনের মৃত্যু Logo আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে: তথ্য উপদেষ্টা Logo ভারতে বাংলাদেশি আঞ্চলিক সশস্ত্র কমান্ডার আটক, দুই সহযোগী পলাতক Logo চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি ক্যাব চট্টগ্রামের Logo পার্বত্য চট্টগ্রাম শরণার্থী পুনর্বাসন টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হলেন ডা. স্বপন কুমার চাকমা Logo রোয়াংছড়িতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত Logo পানছড়িতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস/২৬ উদযাপিত Logo হামলার ফুটেজ না দেওয়ায় সিসিটিভির হার্ডডিক্স খুলে নিলেন সাংবাদিকরা Logo রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ছাত্রদলের তদন্ত কমিটি গঠন Logo নতুন কারা মহাপরিদর্শক হলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ারুল কবীর

মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, আটক-১২ “ফলোআপ”

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৪:৪১:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৩
  • / ১১১২ বার পড়া হয়েছে

মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, আটক-১২ “ফলোআপ”


স্টাফ রিপোর্টারঃ

মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অ‌ভি‌যো‌গে ৭জন চি‌কিৎসকসহ ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সংস্থা‌টি বল‌ছে, ২০০১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ১০ বার প্রশ্নফাঁস করেছে চক্রটি। আর এতে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।

আপককৃরা হলো, ডাক্তার ময়েজ উদ্দিন আহমেদ প্রধান, তার স্ত্রী জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ডাক্তার সোহেলী জামান,জাতীয় পঙ্গু হাসপাতাল (নিটোর) ডা. জিল্লুর হাসান রনি, ডা. ইমরুল কায়েস হিমেল, ডাক্তার আবু রায়হান, ডাক্তার জেডএম সালেহীন শোভন, ডা. জোবাইদুর রহমান জনি, আব্দুল কুদ্দুস সরকার, আক্তারুজ্জামান তুষার, জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া মুক্তার, রওশন আলী হিমু, জহির উদ্দিন আহমেদ বাপ্পী।

গত ৩০ জুলাই থেকে ১০ দিন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে সিআই‌ডি।

আপককৃত‌দের কাছ থেকে ৯টি মোবাইল, ৪টি ল্যাপটপ, নগদ ২ লাখ ১১ হাজার টাকা, ১৫ হাজার এক শত বিদেশি মুদ্রা (থাই বাথ), বিভিন্ন ব্যাংকের ১৫টি চেক বই, ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড ও ভর্তির এডমিট কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

আজ রোববার (১৩ আগষ্ট) দুপু‌রে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানি‌য়ে সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া।

এসময় তিনি বলেন, পাবলিক পরীক্ষা সামনে রেখে প্রশ্ন ফাঁস করার জন্য এক শ্রেণির চক্র বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এই চক্র নানা কায়দায় প্রশ্ন ফাঁস যেমন করে, তেমনি গুজব ছড়িয়ে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিভ্রান্ত করে।

মোহাম্মদ আলী মিয়া বলেন, দেশের মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষাগুলোতে নিয়মিত প্রশ্নফাঁসকারী বিশাল এক সিন্ডিকেটের খোঁজ পায় সিআইডির সাইবার পুলিশ। ২০২০ সালে মিরপুর মডেল থানায় করা এক মামলার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে গত প্রায় ১৬ বছরে হাজারো শিক্ষার্থীকে অবৈধ উপায়ে মেডিকেল কলেজগুলোতে ভর্তি করিয়ে শত কোটি টাকা আয় করেছে চক্রের অন্তত ৮০ জন সক্রিয় সদস্য।

প্রশ্নফাঁস করে মেডিকেলে ভর্তি হয়েছেন এমন শতাধিক শিক্ষার্থীর নামও পেয়েছে সিআইডি। এর মধ্যে অনেকে পাশ করে ডাক্তারও হয়েছেন।

২০০১ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ১৬ বছরে অন্তত ১০ বার এই চক্র মেডিক্যালের প্রশ্ন ফাঁস করেছে। আটককৃততদের কাছ থেকে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের দেয়া বিপুল সংখ্যক ব্যাংকের চেক এবং এডমিট কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

আটককৃত‌দের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়ার কথা জা‌নি‌য়ে সিআই‌ডি প্রধান ব‌লেন, প্রশ্ন ফাঁস চক্রের মাস্টারমাইন্ড জসীম উদ্দিন ভূইয়ার কাছ থেকে একটি গোপন ডায়েরি উদ্ধার করা হয়েছে। যেখানে সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা তার চক্রের অন্যান্য সদস্যদের নাম রয়েছে। যেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, আটক-১২ “ফলোআপ”

আপডেট সময় : ০৪:৪১:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৩

মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, আটক-১২ “ফলোআপ”


স্টাফ রিপোর্টারঃ

মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অ‌ভি‌যো‌গে ৭জন চি‌কিৎসকসহ ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সংস্থা‌টি বল‌ছে, ২০০১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ১০ বার প্রশ্নফাঁস করেছে চক্রটি। আর এতে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।

আপককৃরা হলো, ডাক্তার ময়েজ উদ্দিন আহমেদ প্রধান, তার স্ত্রী জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ডাক্তার সোহেলী জামান,জাতীয় পঙ্গু হাসপাতাল (নিটোর) ডা. জিল্লুর হাসান রনি, ডা. ইমরুল কায়েস হিমেল, ডাক্তার আবু রায়হান, ডাক্তার জেডএম সালেহীন শোভন, ডা. জোবাইদুর রহমান জনি, আব্দুল কুদ্দুস সরকার, আক্তারুজ্জামান তুষার, জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া মুক্তার, রওশন আলী হিমু, জহির উদ্দিন আহমেদ বাপ্পী।

গত ৩০ জুলাই থেকে ১০ দিন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে সিআই‌ডি।

আপককৃত‌দের কাছ থেকে ৯টি মোবাইল, ৪টি ল্যাপটপ, নগদ ২ লাখ ১১ হাজার টাকা, ১৫ হাজার এক শত বিদেশি মুদ্রা (থাই বাথ), বিভিন্ন ব্যাংকের ১৫টি চেক বই, ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড ও ভর্তির এডমিট কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

আজ রোববার (১৩ আগষ্ট) দুপু‌রে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানি‌য়ে সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া।

এসময় তিনি বলেন, পাবলিক পরীক্ষা সামনে রেখে প্রশ্ন ফাঁস করার জন্য এক শ্রেণির চক্র বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এই চক্র নানা কায়দায় প্রশ্ন ফাঁস যেমন করে, তেমনি গুজব ছড়িয়ে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিভ্রান্ত করে।

মোহাম্মদ আলী মিয়া বলেন, দেশের মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষাগুলোতে নিয়মিত প্রশ্নফাঁসকারী বিশাল এক সিন্ডিকেটের খোঁজ পায় সিআইডির সাইবার পুলিশ। ২০২০ সালে মিরপুর মডেল থানায় করা এক মামলার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে গত প্রায় ১৬ বছরে হাজারো শিক্ষার্থীকে অবৈধ উপায়ে মেডিকেল কলেজগুলোতে ভর্তি করিয়ে শত কোটি টাকা আয় করেছে চক্রের অন্তত ৮০ জন সক্রিয় সদস্য।

প্রশ্নফাঁস করে মেডিকেলে ভর্তি হয়েছেন এমন শতাধিক শিক্ষার্থীর নামও পেয়েছে সিআইডি। এর মধ্যে অনেকে পাশ করে ডাক্তারও হয়েছেন।

২০০১ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ১৬ বছরে অন্তত ১০ বার এই চক্র মেডিক্যালের প্রশ্ন ফাঁস করেছে। আটককৃততদের কাছ থেকে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের দেয়া বিপুল সংখ্যক ব্যাংকের চেক এবং এডমিট কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

আটককৃত‌দের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়ার কথা জা‌নি‌য়ে সিআই‌ডি প্রধান ব‌লেন, প্রশ্ন ফাঁস চক্রের মাস্টারমাইন্ড জসীম উদ্দিন ভূইয়ার কাছ থেকে একটি গোপন ডায়েরি উদ্ধার করা হয়েছে। যেখানে সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা তার চক্রের অন্যান্য সদস্যদের নাম রয়েছে। যেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।