ঢাকা ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নৈতিক পদস্খলন, অনৈতিক সম্পর্কসহ সম্পদ তছরুপের অভিযোগে শিবিরের পদ হারান আম্মার

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৪:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১০২০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখার সাথী পদ থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে সংগঠনটির আনা বিভিন্ন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার। তিনি দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর কোনো প্রমাণ শিবির দিতে পারেনি। বুধবার রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে এসব দাবি করেন আম্মার।

এর আগে একই দিন রাবি শিবিরের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক আহমেদ মুন্সীর একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে আম্মারের বিরুদ্ধে শিবিরের সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পরে শিবিরের তিনটি চিঠির বরাত দিয়ে তার সাথী পদ স্থগিত ও বাতিলের তথ্য সামনে আসে।

শিবিরের চিঠিতে আম্মারের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে পদ বাণিজ্য, নৈতিক পদস্খলন, নারীদের সঙ্গে অবাধ মেলামেশা, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন ও সম্পদের তছরুপসহ বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগকে ‘এলিগেশন’ বা অভিযোগমাত্র উল্লেখ করে আম্মার লিখেন, রাবি শিবিরের একটা ভয়াবহ গুণ আছে তারা মিথ্যাকে সত্য বানায়, আর সত্যকে মিথ্যা। আপনাকে বলবে আপনি নারীর সঙ্গে অবাধ মেলামেশা করেছেন, চাঁদাবাজি করেছেন, অর্থের বিনিময়ে পদ দিয়েছেন। এখন সমস্যা হলো ওরা এলিগেশন দেবে আর বলবে এবার প্রমাণ করো তুমি এটা করোনাই। আচ্ছা আমি যেটা করিনাই সেটার প্রমাণ আমি কীভাবে দেব? ধরেন হঠাৎ জানতে পারলেন আপনাকে একজন বলল চোর। এখন এই বলা কথা পুরো পাড়ায় ছড়িয়ে পড়ল এখন আপনি কীভাবে প্রমাণ করবেন আপনি চোর না?

নারীদের সঙ্গে অবাধ মেলামেশার অভিযোগের বিষয়ে আম্মার বলেন, আমি আমার ক্যাম্পাস লাইফে কোনো বোনের সঙ্গে এমন কোনো আচরণ করেছি বলে মনে হয় না যেটা ভাইয়ের থেকে অন্যকিছু মিন করবে। ইভেন আমি রাকসুতে আসা অনেক জুনিয়রকে তুই করে কথা বলি। আমার চরিত্র নিয়ে অন্তত আলাপ দিয়েন না। কারণ আপনাদের একজন শাখা দায়িত্বশীল আছে যে দীর্ঘদিন প্রেম করে পরে বিয়ে করছে।

অর্থের বিনিময়ে পদ বাণিজ্যের অভিযোগ প্রসঙ্গে আম্মার দাবি করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যখন জায়গায় জায়গায় কমিটি দিচ্ছিল তখন রাজশাহীর স্থানীয় শিক্ষার্থীরা একটা কমিটি নিয়ে আসে। তাদের অ্যাজ ইউজুয়াল ধারণা হলো আমার কেন্দ্রীয় মানুষজনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক, এজন্য আমি এই রাজশাহীর কমিটি এনে দিয়েছি। বাস্তবতা হলো, আমি তাদের এই কমিটির আগে-পিছে কোথাও ছিলাম না।

নিজের বিরুদ্ধে ৭৬ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগের প্রসঙ্গও পোস্টে তুলে ধরেন রাকসুর জিএস লিখেন, ‘এটা এমন ছিল যে জুলাই নিয়ে একটা কনসার্ট করতে প্রশাসনের কাছে গিয়েছিলাম। তৎকালীন ভিসি স্যার বলেছিলেন, এত টাকা দিয়ে আমাদের আয়োজন করা সম্ভব না। তোমরা যদি চাও আমি রিকমেন্ড করে দিতে পারি। সেটা নিয়ে বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে কথা বলতে পার। আমি তখনো এত পরিচিত ছিলাম না। বিভিন্ন ব্যাংক, বিভিন্ন কোম্পানির কাছে এই প্রপোজাল লেটারটা নিয়ে যাই। এটা বাইরে এনে একদল সোনার ছেলে ছড়ায় যে, আমি চাঁদা চেয়ে চিঠি দিছি।’

শিবিরের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগের বিষয়ে আম্মার লিখেন, যদি গুপ্ত/শুপ্ত আলাপ দেন তাহলে আমার থেকে ওপেন এই ক্যাম্পাসের অনেক শাখা দায়িত্বশীলও নেই ইভেন রাবি শিবিরের রানিং শিবির সভাপতিও নেই।

যখন এরা পরিচয় দিতে ভয় পাইত, ভয়ে দাড়ি সেভ করে মোচ রেখে নিজেরে বাম পরিচয় দিত, তখন শিবিরের অফিসিয়াল গানে অভিনয় করে আসছি আমি। আমার রাকসু দপ্তরের অ্যাওয়ার্ড শেলফে এখনো সসাস (সেরাদের সেরা-০৫) এ অভিনয়ে চ্যাম্পিয়ন হইছিলাম সেই অ্যাওয়ার্ড আছে। আমি একাধিকবার প্রত্যেক পডকাস্টে বলছি, আপনি আমাকে হাজারবার শিবির বলতে পারেন। কারণ, আমি শিবিরের ক্রাইটেরিয়াতে পড়ে যাব, ডানপন্থি সংস্কৃতি চর্চার কারণে। এই ডানপন্থি আর কে আছে? আমি কলরবের সঙ্গেও কাজ করছি।

ফাঁস হওয়া চিঠি নিয়ে তিনি লিখেন, তারা যে পেপার সামনে আনতেছে এটা তাদের নিজেদের হাতেই, তারা চাইলে এটা বানাতে পারেই। আমি তাদেরকে কতটুকু গুরুত্ব দিতেছি এটাই ফ্যাক্ট। শিবিরের শাখায় যেদিন একজন গুটিবাজ, নোংরা, ধুরন্দর লোককে মেইন দায়িত্বে যেতে দেখেছি সেদিন থেকেই শিবিরের পলিসি বোঝা শেষ আমার। শতভাগ সত্য হলো শিবির কোথায় জায়গা পেলে যে ঠিক কী পরিমাণ মানসিক যন্ত্রণা দিতে পারে সেটা সালাহউদ্দিন আম্মারের থেকে বেশি কেউ জানে না। তারা একাধিক অভিযোগ এনেছে, একটা প্রমাণ আনেনি। শুধু এলিগেশন।

পোস্টের শেষাংশে আম্মার লিখেন, আমি আমার আমলনামা নিয়ে দুনিয়া থেকে যাব এবং যে মিথ্যা অভিযোগগুলো আমার নামে যুক্ত হচ্ছে সেগুলো আমি নিয়ে যাব সেদিনের বিচারের জন্য। আমি আজ আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বললাম! আমি আজ পর্যন্ত কোনোদিন আনীত অভিযোগগুলোর কোনোটার সঙ্গেই সম্পৃক্ত না। এখন যেটা আমি করিনি সেটার অভিযোগ যদি আমার বিরুদ্ধে দেন তো আমি প্রমাণ কীভাবে দেব? তাদের আল্লাহ মিথ্যাকে সত্য বানানোর অসীম ক্ষমতা দিয়েছেন, তবে এটা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। আশা করি, আজকের পর থেকে দয়া করে কেউ শিবির বলে গালি দেবেন না।

এর আগে রাবি শিবিরের বর্তমান সেক্রেটারি মেহেদী হাসান জানান, আম্মারের বহিষ্কারের বিষয়ে প্রকাশিত চিঠিগুলো সত্য এবং ২০২৫ সালেই তাকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে বহিষ্কার করা হয়। অন্যদিকে, আম্মার তার পোস্টে শিবিরের এসব অভিযোগকে অস্বীকার করেছেন।

উল্লেখ্য, রাকসু নির্বাচনে শিবিরের ‘ডামি প্যানেল’ হিসেবে আলোচিত ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেল থেকে জিএস নির্বাচিত হন সালাউদ্দিন আম্মার। ওই প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মেহেদী সজীব পরে রাবি শিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। আম্মারের শিবির-সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর ওই প্যানেল ঘিরে আগের বিতর্কও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সূত্র-কালবেলা।

আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

নৈতিক পদস্খলন, অনৈতিক সম্পর্কসহ সম্পদ তছরুপের অভিযোগে শিবিরের পদ হারান আম্মার

আপডেট সময় : ০৪:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখার সাথী পদ থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে সংগঠনটির আনা বিভিন্ন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার। তিনি দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর কোনো প্রমাণ শিবির দিতে পারেনি। বুধবার রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে এসব দাবি করেন আম্মার।

এর আগে একই দিন রাবি শিবিরের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক আহমেদ মুন্সীর একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে আম্মারের বিরুদ্ধে শিবিরের সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পরে শিবিরের তিনটি চিঠির বরাত দিয়ে তার সাথী পদ স্থগিত ও বাতিলের তথ্য সামনে আসে।

শিবিরের চিঠিতে আম্মারের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে পদ বাণিজ্য, নৈতিক পদস্খলন, নারীদের সঙ্গে অবাধ মেলামেশা, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন ও সম্পদের তছরুপসহ বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগকে ‘এলিগেশন’ বা অভিযোগমাত্র উল্লেখ করে আম্মার লিখেন, রাবি শিবিরের একটা ভয়াবহ গুণ আছে তারা মিথ্যাকে সত্য বানায়, আর সত্যকে মিথ্যা। আপনাকে বলবে আপনি নারীর সঙ্গে অবাধ মেলামেশা করেছেন, চাঁদাবাজি করেছেন, অর্থের বিনিময়ে পদ দিয়েছেন। এখন সমস্যা হলো ওরা এলিগেশন দেবে আর বলবে এবার প্রমাণ করো তুমি এটা করোনাই। আচ্ছা আমি যেটা করিনাই সেটার প্রমাণ আমি কীভাবে দেব? ধরেন হঠাৎ জানতে পারলেন আপনাকে একজন বলল চোর। এখন এই বলা কথা পুরো পাড়ায় ছড়িয়ে পড়ল এখন আপনি কীভাবে প্রমাণ করবেন আপনি চোর না?

নারীদের সঙ্গে অবাধ মেলামেশার অভিযোগের বিষয়ে আম্মার বলেন, আমি আমার ক্যাম্পাস লাইফে কোনো বোনের সঙ্গে এমন কোনো আচরণ করেছি বলে মনে হয় না যেটা ভাইয়ের থেকে অন্যকিছু মিন করবে। ইভেন আমি রাকসুতে আসা অনেক জুনিয়রকে তুই করে কথা বলি। আমার চরিত্র নিয়ে অন্তত আলাপ দিয়েন না। কারণ আপনাদের একজন শাখা দায়িত্বশীল আছে যে দীর্ঘদিন প্রেম করে পরে বিয়ে করছে।

অর্থের বিনিময়ে পদ বাণিজ্যের অভিযোগ প্রসঙ্গে আম্মার দাবি করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যখন জায়গায় জায়গায় কমিটি দিচ্ছিল তখন রাজশাহীর স্থানীয় শিক্ষার্থীরা একটা কমিটি নিয়ে আসে। তাদের অ্যাজ ইউজুয়াল ধারণা হলো আমার কেন্দ্রীয় মানুষজনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক, এজন্য আমি এই রাজশাহীর কমিটি এনে দিয়েছি। বাস্তবতা হলো, আমি তাদের এই কমিটির আগে-পিছে কোথাও ছিলাম না।

নিজের বিরুদ্ধে ৭৬ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগের প্রসঙ্গও পোস্টে তুলে ধরেন রাকসুর জিএস লিখেন, ‘এটা এমন ছিল যে জুলাই নিয়ে একটা কনসার্ট করতে প্রশাসনের কাছে গিয়েছিলাম। তৎকালীন ভিসি স্যার বলেছিলেন, এত টাকা দিয়ে আমাদের আয়োজন করা সম্ভব না। তোমরা যদি চাও আমি রিকমেন্ড করে দিতে পারি। সেটা নিয়ে বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে কথা বলতে পার। আমি তখনো এত পরিচিত ছিলাম না। বিভিন্ন ব্যাংক, বিভিন্ন কোম্পানির কাছে এই প্রপোজাল লেটারটা নিয়ে যাই। এটা বাইরে এনে একদল সোনার ছেলে ছড়ায় যে, আমি চাঁদা চেয়ে চিঠি দিছি।’

শিবিরের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগের বিষয়ে আম্মার লিখেন, যদি গুপ্ত/শুপ্ত আলাপ দেন তাহলে আমার থেকে ওপেন এই ক্যাম্পাসের অনেক শাখা দায়িত্বশীলও নেই ইভেন রাবি শিবিরের রানিং শিবির সভাপতিও নেই।

যখন এরা পরিচয় দিতে ভয় পাইত, ভয়ে দাড়ি সেভ করে মোচ রেখে নিজেরে বাম পরিচয় দিত, তখন শিবিরের অফিসিয়াল গানে অভিনয় করে আসছি আমি। আমার রাকসু দপ্তরের অ্যাওয়ার্ড শেলফে এখনো সসাস (সেরাদের সেরা-০৫) এ অভিনয়ে চ্যাম্পিয়ন হইছিলাম সেই অ্যাওয়ার্ড আছে। আমি একাধিকবার প্রত্যেক পডকাস্টে বলছি, আপনি আমাকে হাজারবার শিবির বলতে পারেন। কারণ, আমি শিবিরের ক্রাইটেরিয়াতে পড়ে যাব, ডানপন্থি সংস্কৃতি চর্চার কারণে। এই ডানপন্থি আর কে আছে? আমি কলরবের সঙ্গেও কাজ করছি।

ফাঁস হওয়া চিঠি নিয়ে তিনি লিখেন, তারা যে পেপার সামনে আনতেছে এটা তাদের নিজেদের হাতেই, তারা চাইলে এটা বানাতে পারেই। আমি তাদেরকে কতটুকু গুরুত্ব দিতেছি এটাই ফ্যাক্ট। শিবিরের শাখায় যেদিন একজন গুটিবাজ, নোংরা, ধুরন্দর লোককে মেইন দায়িত্বে যেতে দেখেছি সেদিন থেকেই শিবিরের পলিসি বোঝা শেষ আমার। শতভাগ সত্য হলো শিবির কোথায় জায়গা পেলে যে ঠিক কী পরিমাণ মানসিক যন্ত্রণা দিতে পারে সেটা সালাহউদ্দিন আম্মারের থেকে বেশি কেউ জানে না। তারা একাধিক অভিযোগ এনেছে, একটা প্রমাণ আনেনি। শুধু এলিগেশন।

পোস্টের শেষাংশে আম্মার লিখেন, আমি আমার আমলনামা নিয়ে দুনিয়া থেকে যাব এবং যে মিথ্যা অভিযোগগুলো আমার নামে যুক্ত হচ্ছে সেগুলো আমি নিয়ে যাব সেদিনের বিচারের জন্য। আমি আজ আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বললাম! আমি আজ পর্যন্ত কোনোদিন আনীত অভিযোগগুলোর কোনোটার সঙ্গেই সম্পৃক্ত না। এখন যেটা আমি করিনি সেটার অভিযোগ যদি আমার বিরুদ্ধে দেন তো আমি প্রমাণ কীভাবে দেব? তাদের আল্লাহ মিথ্যাকে সত্য বানানোর অসীম ক্ষমতা দিয়েছেন, তবে এটা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। আশা করি, আজকের পর থেকে দয়া করে কেউ শিবির বলে গালি দেবেন না।

এর আগে রাবি শিবিরের বর্তমান সেক্রেটারি মেহেদী হাসান জানান, আম্মারের বহিষ্কারের বিষয়ে প্রকাশিত চিঠিগুলো সত্য এবং ২০২৫ সালেই তাকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে বহিষ্কার করা হয়। অন্যদিকে, আম্মার তার পোস্টে শিবিরের এসব অভিযোগকে অস্বীকার করেছেন।

উল্লেখ্য, রাকসু নির্বাচনে শিবিরের ‘ডামি প্যানেল’ হিসেবে আলোচিত ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেল থেকে জিএস নির্বাচিত হন সালাউদ্দিন আম্মার। ওই প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মেহেদী সজীব পরে রাবি শিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। আম্মারের শিবির-সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর ওই প্যানেল ঘিরে আগের বিতর্কও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সূত্র-কালবেলা।

আস্থা/এমএইচ