ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:

রাঙামাটিতে ম্যাজিস্ট্রেটের স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১০:৩৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
  • / ১৩০৫ বার পড়া হয়েছে

রাঙামাটিতে ম্যাজিস্ট্রেটের স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টারঃ

রাঙামাটিতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রায়হান চৌধুরীর স্ত্রী মহিমা ইসলাম উর্মির (৩০) এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ (মঙ্গলবার, ১ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় শহরের আলম ডকইয়ার্ড এলাকার রেজাউল করিমের ৬ তলা ভবনের বাসা থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করে কোতোয়ালী থানা পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, মা, স্ত্রী মহিমা ইসলাম উর্মি এবং এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে ভবনটির ৬ তলায় বসবাস করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রায়হান চৌধুরী। তবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

কোতোয়ালী থানার ওসি শাহেদ উদ্দিন বলেন, বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে মৃতদেহ বাসার মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এ সময় ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে একটি ওড়না ঝুলতে দেখা গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাঙামাটি সদর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারন জানা যাবে।

ট্যাগস :

রাঙামাটিতে ম্যাজিস্ট্রেটের স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ১০:৩৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

রাঙামাটিতে ম্যাজিস্ট্রেটের স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টারঃ

রাঙামাটিতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রায়হান চৌধুরীর স্ত্রী মহিমা ইসলাম উর্মির (৩০) এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ (মঙ্গলবার, ১ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় শহরের আলম ডকইয়ার্ড এলাকার রেজাউল করিমের ৬ তলা ভবনের বাসা থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করে কোতোয়ালী থানা পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, মা, স্ত্রী মহিমা ইসলাম উর্মি এবং এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে ভবনটির ৬ তলায় বসবাস করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রায়হান চৌধুরী। তবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

কোতোয়ালী থানার ওসি শাহেদ উদ্দিন বলেন, বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে মৃতদেহ বাসার মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এ সময় ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে একটি ওড়না ঝুলতে দেখা গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাঙামাটি সদর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারন জানা যাবে।