ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo কুমিল্লায় পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় আটক-১৯ Logo কর কমিয়ে রাজস্ব বৃদ্ধির ছায়া বাজেট দিল জামায়াত Logo নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo জামায়াত আমিরের সঙ্গে বৈঠক করে আনন্দিত মার্কিন রাষ্ট্রদূত Logo আবারও ইসলামী ব্যাংকে দখলকারী চক্রের দৃষ্টি পড়েছে : বিরোধীদলীয় নেতা Logo প্রধানমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ : অধ্যাপক ডোনার Logo পুশ ইনের বিরুদ্ধে কর্মসূচি দেবে জামায়াত জোট Logo পুলিশ হত্যা করেছি–ঘোষণা দেওয়া সেই মাহাদী এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo সন্ত্রাসীদের হামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ কর্মী রবিন নিহত Logo একনেকে অনুমোদন পায়নি চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্প

হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নে সেতুর অভাবে ১০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ

News Editor
  • আপডেট সময় : ১০:২৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২০
  • / ১১৩৩ বার পড়া হয়েছে

বোরহান উদ্দিন, দেওয়ানগঞ্জ প্রতিনিধিঃ জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের চকপাড়া খালের উপর একটি সেতু না থাকায় ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বর্ষা আসলে যখন দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে তখন স্থানীয় লোকজন বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে যাতায়াত করতে থাকে। ঐ সেতু দিয়ে যাতায়াত করে মন্ডলপাড়া, ভাত খাওয়া, নয়াপাড়া, চকপাড়া গ্রামের মানুষ। শিশুরা সহ ছাত্র-ছাত্রীরা বাঁশের সাঁকো দিয়ে বিদ্যালয় কলেজে যাওয়া আসা করে। যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

১৯৮৯ সালে একটি কালভার্ট নির্মাণ হলে ১৯৯৮ সালে বন্যার পানির স্রোতে সেটা বিধ্বস্ত হয়। পরবর্তীতে সেখানে আর কোনো ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ করা হয়নি । স্থানীয় লোকজন নিজেদের যাতায়াতের কষ্টের কথা স্বীকার করে গ্রাম থেকে বাঁশ তোলে তারা বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে। তার উপর দিয়ে স্থানীয় লোকজন যাতায়াত করে থাকে। নির্বাচন আসলে সবাই বলে সেতু ব্রিজ নির্মাণ করে দেবো কিন্তু নির্বাচন চলে গেলে সে কথা সবাই ভুলে যায়। নয়া গ্রামের শহিদ মিয়া জানান সেতু নির্মাণ না হওয়ায় কষ্টে ছিলাম তাই আমরা বাঁশ দিয়ে সেতু নির্মাণ করে ঝুকি নিয়ে আমরা যাতায়াত করতেছি।

আরও পড়ুনঃ পুলিশ হেফাজতে রায়হানের মৃত্যু, সিসি ক্যামেরায় ‘আসল সত্য’

হাতি ভাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য শামসুল হক সাংবাদিকদের জানান অনেকবার চেয়ারম্যান কে বলেছেন এইখানে একটি সেতু নির্মাণের কথা। কিন্তু কেহ আমার কথা শোনেনি। আমি আশা করছি বর্তমান হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর সালাম এখানে একটা ব্রীজ নির্মাণের পরিকল্পনা নিবেন এবং চেষ্টা করবেন। স্থানীয় লোকজন সাংবাদিকদের জানান

চকপাড়া খালের উপর সেতু না থাকায় বর্ষা মৌসুমে

ধান চাল বাজারে নেওয়া আমাদের খুবই কষ্টকর।

হাতীভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের স্বনামধন্য চেয়ারম্যান নুর সালাম সাংবাদিকদের জানান চকপাড়া খালের উপর একটি সেতু নির্মাণ খুব জরুরী। অনেকদিন যাবত সেখানে কোন সেতু না থাকায় মানুষের কষ্ট যাতায়াত করছে। আমি আশা করছি চকপাড়া খালের উপর একটি সেতু নির্মাণের জন্য আমি আপ্রাণ চেষ্টা করব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আমার উপর নেবেলে যোগাযোগ করব।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া জানান, এ বিষয়ে আমি জানি না। আমার এখানে হাতীভাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান প্রস্তাব নিয়ে আসেনি।আসলে এ ব্যাপারে আমার সহযোগিতা থাকবে।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোলায়মান হোসেন সোলাই সাংবাদিকদের জানান, হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের চকপাড়া খালের উপর সেতু নির্মাণের বিষয়ে সংসদ সদস্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নে সেতুর অভাবে ১০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ

আপডেট সময় : ১০:২৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২০

বোরহান উদ্দিন, দেওয়ানগঞ্জ প্রতিনিধিঃ জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের চকপাড়া খালের উপর একটি সেতু না থাকায় ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বর্ষা আসলে যখন দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে তখন স্থানীয় লোকজন বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে যাতায়াত করতে থাকে। ঐ সেতু দিয়ে যাতায়াত করে মন্ডলপাড়া, ভাত খাওয়া, নয়াপাড়া, চকপাড়া গ্রামের মানুষ। শিশুরা সহ ছাত্র-ছাত্রীরা বাঁশের সাঁকো দিয়ে বিদ্যালয় কলেজে যাওয়া আসা করে। যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

১৯৮৯ সালে একটি কালভার্ট নির্মাণ হলে ১৯৯৮ সালে বন্যার পানির স্রোতে সেটা বিধ্বস্ত হয়। পরবর্তীতে সেখানে আর কোনো ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ করা হয়নি । স্থানীয় লোকজন নিজেদের যাতায়াতের কষ্টের কথা স্বীকার করে গ্রাম থেকে বাঁশ তোলে তারা বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে। তার উপর দিয়ে স্থানীয় লোকজন যাতায়াত করে থাকে। নির্বাচন আসলে সবাই বলে সেতু ব্রিজ নির্মাণ করে দেবো কিন্তু নির্বাচন চলে গেলে সে কথা সবাই ভুলে যায়। নয়া গ্রামের শহিদ মিয়া জানান সেতু নির্মাণ না হওয়ায় কষ্টে ছিলাম তাই আমরা বাঁশ দিয়ে সেতু নির্মাণ করে ঝুকি নিয়ে আমরা যাতায়াত করতেছি।

আরও পড়ুনঃ পুলিশ হেফাজতে রায়হানের মৃত্যু, সিসি ক্যামেরায় ‘আসল সত্য’

হাতি ভাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য শামসুল হক সাংবাদিকদের জানান অনেকবার চেয়ারম্যান কে বলেছেন এইখানে একটি সেতু নির্মাণের কথা। কিন্তু কেহ আমার কথা শোনেনি। আমি আশা করছি বর্তমান হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর সালাম এখানে একটা ব্রীজ নির্মাণের পরিকল্পনা নিবেন এবং চেষ্টা করবেন। স্থানীয় লোকজন সাংবাদিকদের জানান

চকপাড়া খালের উপর সেতু না থাকায় বর্ষা মৌসুমে

ধান চাল বাজারে নেওয়া আমাদের খুবই কষ্টকর।

হাতীভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের স্বনামধন্য চেয়ারম্যান নুর সালাম সাংবাদিকদের জানান চকপাড়া খালের উপর একটি সেতু নির্মাণ খুব জরুরী। অনেকদিন যাবত সেখানে কোন সেতু না থাকায় মানুষের কষ্ট যাতায়াত করছে। আমি আশা করছি চকপাড়া খালের উপর একটি সেতু নির্মাণের জন্য আমি আপ্রাণ চেষ্টা করব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আমার উপর নেবেলে যোগাযোগ করব।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া জানান, এ বিষয়ে আমি জানি না। আমার এখানে হাতীভাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান প্রস্তাব নিয়ে আসেনি।আসলে এ ব্যাপারে আমার সহযোগিতা থাকবে।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোলায়মান হোসেন সোলাই সাংবাদিকদের জানান, হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের চকপাড়া খালের উপর সেতু নির্মাণের বিষয়ে সংসদ সদস্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।