ঢাকামঙ্গলবার ২৮শে জুন ২০২২
আলাপনে নূর আলম বাবু। | Doinik Astha
ঢাকামঙ্গলবার ২৮শে জুন ২০২২

আলাপনে নূর আলম বাবু।

News Editor
জুন ২১, ২০২২ ৮:৫৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নূর আলম বাবু। রংপুরের সংগীতাঙ্গনের এক প্রিয় মুখ। তিনি একাধারে সংগীতশিল্পী সংগীত শিক্ষক ও আয়োজক। সত্য সংবাদের নান্দনিক প্রতিনিধি দৈনিক আস্থা’র আজকের আয়োজনে আমাদের সাথে আছেন নূর আলম বাবু। সাথেই থাকুন।

জানঃ কেমন আছেন বাবু ভাই?

বাবুঃ আছি ভালোই আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায়। আপনি কেমন আছেন ভাই?

জানঃ আছি ভাই। দিনকাল কেমন চলছে সব মিলিয়ে?

বাবুঃ চলে যাচ্ছে।

জানঃ গান শেখার এই যাত্রাটা শুরু হলো কীভাবে?

বাবুঃ গান শেখার হাতেখড়ি আমার বড় ভাইয়ের মাধ্যমে হয়েছে। আমার বড় ক্লোজ আপ তারকা বাপ্পি। উনিই আমার সংগীতগুরু।

জানঃ আপনার এই সংগীত যাত্রাটার গন্তব্য কোথায়? আপনি কী মনে করেন এ ব্যাপারে?

বাবুঃ আসলে সংগীত এক বিশাল সমুদ্র। এই যাত্রায় এখনো তীরেই আছি। পাড়ি দিবে হতে হবে আরও বিশাল উত্তাল জল পথ। সংগীত নিয়ে অনেক পরিকল্পনা আছে। দেখি, কতোদূর যেতে পারি৷

জানঃ আপনার সবচেয়ে প্রিয় শিল্পী কে?

বাবুঃ অনেকেই আছেন। এর মধ্যে শ্রদ্ধেয় এ্যান্ড্রু কিশোর, কুমার বিশ্বজিৎ, আইয়ুব বাচ্চু স্যার।

জানঃ আমরা জানি যে, আপনি রংপুরের সন্তান। এখন যারা রংপুরে গান করছে তাদের মধ্যে আপনার চোখে সেরা পাঁচ জন কারা?

বাবুঃ রংপুরে অনেকেই আছেন যারা খুব ভালো করছে। রংপুরে অনেক ইতিহাস বিখ্যাত মানুষও আছেন৷ বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে পাঁচজন বলতে গেলে, ১/ আমার বড় ভাই ; ২/ আসিয়া ইসলাম দোলা ; ৩/ নোলক বাবু; ৪/ সিমু; ৫/ শ্রাবনী সায়ন্তনী।

জানঃ আপনি একাধারে একজন সংগীতশিল্পী ও গীতিকার সুরকার এবং এ্যারেঞ্জার। এই তিন জায়গা থেকে কীভাবে নিজেকে ম্যানেজিং করেন?

বাবুঃ গানের মানুষ আমি। গান নিয়েই থাকতে চাই। এই ভাবনা থেকেই ম্যানেজিং করে থাকি।

জানঃ রংপুরে গান বাজনা শেখা ও করার ক্ষেত্রে পরিবেশ কতোটা অনুকূলে বলে আপনি করেন?

আরো পড়ুন :  আলাপনে রাশিক আহমেদ।

বাবুঃ অবশ্যই ভালো। এখানে অনেক শ্রদ্ধেয় ওস্তাদ আছেন। শেখার মতো মনোবাসনা থাকলে অনেক কিছুই শেখা যায়৷ মূল ধারার শিল্পী হওয়ার ইচ্ছে থাকতে হবে তাহলেই সব সম্ভব।

জানঃ সংগীতকে ঘিরে আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কেমন?

বাবুঃ অনেক পরিকল্পনা আছে। রংপুরের সংগীতাঙ্গনকে একটা অন্য মাত্রা দিতে চাই। গানে গানেই থাকতে চাই। গানে গানেই মরে যেতে চাই।

জানঃ আপনার মিউজিক আইডল কে?

বাবুঃ শ্রদ্ধেয় কুমার বিশ্বজিৎ স্যার।

জানঃ গান করছেন বহুদিন ধরেই, এতোদিনের পথচলায় আপনার কোনো আক্ষেপ আছে কী?

বাবুঃ আছে তবে এখন আর সে সব নিয়ে ভাবি না, কষ্ট পাই না। কী লাভ বলেন? আমি যাদের গান শিখিয়েছি হাতে ধরে তাদের অনেকে আমার নামও উচ্চারণ করে না। এটা কেনো করে আমি জানি না। মানুষ বড় অকৃতজ্ঞ। এই অকৃতজ্ঞতাই আমার আক্ষেপ। আরও একটা কথা বলতেই হবে, আজকের ছেলেপুলেরা মূলধারাটাকে ভুলে যেতে বসেছে। আসলে আক্ষেপ করে কোনো লাভ নেই। কারও জন্য কারও যাত্রা থেমে থাকে না। এটাই বাস্তবতা।

জানঃ আমরা প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। দৈনিক আস্থা’র এই আয়োজন কেমন লাগলো?

বাবুঃ খুবই ভালো লেগেছে ভাই। অনেক দিন পরে মন খুলে কিছু কথা বলতে পারলাম। এমন আয়োজন হওয়া উচিত। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা দৈনিক আস্থা’কে৷ আপনাকেও বিশেষভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। সাথে আছি পাশে থাকবেন।

জানঃ অবশ্যই ভাই। দৈনিক আস্থা পাশে ছিলো আছে থাকবে।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
সেহরির শেষ সময় - ভোর ৩:৪২
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা ৬:৫৩
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৪৭
  • ১২:০৪
  • ৪:৪১
  • ৬:৫৩
  • ৮:২০
  • ৫:১২