ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউএনজিএ ৪১তম সভাপতি হূমায়ুন রশীদ ৮১তম সভাপতি খলিলুর রহমান

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৫:২৭:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • / ১০১৭ বার পড়া হয়েছে

ইউএনজিএ ৪১তম সভাপতি হূমায়ুন রশীদ ৮১তম সভাপতি খলিলুর রহমান

আস্থা ডেস্কঃ

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে সভাপতি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের নির্বাচিত হওয়াটা বাংলাদেশের জন্য বিরাট সম্মানের, বিশেষ করে বর্তমান বৈশ্বিক সংকট ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের মতো চ্যালেঞ্জের মুহূর্তে।

চার দশক আগে ১৯৮৬ সালে প্রয়াত হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী এই দায়িত্বে ছিলেন। এই অর্জন বিশ্বমঞ্চে দেশের গ্রহণযোগ্যতা ও বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের সক্ষমতারই পুনরাবৃত্তি।

সাবেক কূটনীতিক ও রাজনীতিবিদ হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬ সালে ৪১তম অধিবেশনে প্রথম বাঙালি হিসেবে ইউএনজিএ-এর সভাপতি হয়েছিলেন। প্রায় ৪০ বছর পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এই পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

এই পদের সাথে সরাসরি কোনো শাসনতান্ত্রিক বা আইনগত ক্ষমতা জড়িত নয়, এটি মূলত একটি সম্মানজনক ও প্রতীকী দায়িত্ব। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজ দেশের কণ্ঠস্বর জোরালো করা, বিশ্ব এজেন্ডা নির্ধারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনার সভাপতিত্ব করার দিক থেকে এর গুরুত্ব অপরিসীম।

১৯৮৬ সালে ইউএনজিএ-এর সভাপতি হওয়ার পরপরই তিনি এরশাদের জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হন এবং পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ট্যাগস :

ইউএনজিএ ৪১তম সভাপতি হূমায়ুন রশীদ ৮১তম সভাপতি খলিলুর রহমান

আপডেট সময় : ০৫:২৭:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

ইউএনজিএ ৪১তম সভাপতি হূমায়ুন রশীদ ৮১তম সভাপতি খলিলুর রহমান

আস্থা ডেস্কঃ

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে সভাপতি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের নির্বাচিত হওয়াটা বাংলাদেশের জন্য বিরাট সম্মানের, বিশেষ করে বর্তমান বৈশ্বিক সংকট ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের মতো চ্যালেঞ্জের মুহূর্তে।

চার দশক আগে ১৯৮৬ সালে প্রয়াত হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী এই দায়িত্বে ছিলেন। এই অর্জন বিশ্বমঞ্চে দেশের গ্রহণযোগ্যতা ও বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের সক্ষমতারই পুনরাবৃত্তি।

সাবেক কূটনীতিক ও রাজনীতিবিদ হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬ সালে ৪১তম অধিবেশনে প্রথম বাঙালি হিসেবে ইউএনজিএ-এর সভাপতি হয়েছিলেন। প্রায় ৪০ বছর পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এই পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

এই পদের সাথে সরাসরি কোনো শাসনতান্ত্রিক বা আইনগত ক্ষমতা জড়িত নয়, এটি মূলত একটি সম্মানজনক ও প্রতীকী দায়িত্ব। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজ দেশের কণ্ঠস্বর জোরালো করা, বিশ্ব এজেন্ডা নির্ধারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আলোচনার সভাপতিত্ব করার দিক থেকে এর গুরুত্ব অপরিসীম।

১৯৮৬ সালে ইউএনজিএ-এর সভাপতি হওয়ার পরপরই তিনি এরশাদের জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হন এবং পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।