এনসিপি নেত্রী মনিরাকে নিয়ে ‘বিস্ফোরক’ মন্তব্য গণঅধিকার নেতার
- আপডেট সময় : ১২:৪২:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
- / ১০৩৯ বার পড়া হয়েছে
এনসিপি নেত্রী মনিরাকে নিয়ে ‘বিস্ফোরক’ মন্তব্য গণঅধিকার নেতার
স্টাফ রিপোর্টারঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী মনিরা শারমিনকে নিয়ে ‘বিস্ফোরক’ মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ। তিনি বলেছেন, কথিত আছে মনিরা শারমিন এক ছাত্রলীগ নেতাকে বিয়ে করে সরকারি চাকরি নিয়েছিলেন।
শনিবার (১৩ জুন) রাত ৯টা ৮ মিনিটে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দিয়েছেন তিনি।
আবু হানিফ লিখেছেন, ‘মনিরা শারমিন আমাদের সঙ্গে ২০১৮ সালে কিছুদিন আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন। এরপর ক্যারিয়ার মুখ্য হয়ে উঠে তার কাছে। কথিত আছে, ছাত্রলীগ নেতাকে বিয়ে করে সরকারি চাকরি নিয়েছিলেন মনিরা শারমিন। এরপর আর অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি। জুলাই অভ্যুত্থানের শেষ দিকে এসে অনেকটা হাজিরা দিয়েই বড় নেত্রী বনে গেছেন। তার চেয়ে নুসরাত তাবাসসুমদের ভূমিকা হাজার গুণ বেশি। হাসিনার পতন না হলে মনিরা শারমিনরা এখনো আরামে সরকারি চাকরি করতেন। ফ্যাসিবাদের আচড়ও তাদের গায়ে লাগত না।’
তিনি লিখেছেন, ‘নুরুল হক নুর ১৯ সালে বলেছিলেন, শেখ হাসিনার চেহারায় মায়ের প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। অবশ্য এর পরের দিনই মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনে হাসিনাকে স্বৈরাচার বলেছিলেন। এমনকি অসংখ্য বার হাসিনার পতন চেয়ে রাজপথে আন্দোলন করেছেন। যার ফলে বার বার হামলার শিকার হয়েছেন নুরুল হক নুরসহ গণঅধিকার পরিষদের অসংখ্য নেতাকর্মী। সবশেষ জুলাই আন্দোলনের সময়ও নুরুল হক নুর রিমান্ডে ছিলেন। হাসিনার পতন না হলে নুরের কতদিন জেলে থাকা লাগত বা আদৌ মুক্ত হতো কি না তা বলা কঠিন।’
সরকারি ফান্ড কীভাবে অপচয় হচ্ছে, জানালেন প্রতিমন্ত্রী নুর
আবু হানিফ আরও লিখেছেন, ‘নুরুল হক নুরের যখন আর কোনো দোষ খুঁজে না পায়, তখনই ওই এক গান বার বার বাজায় এই মনিরা শারমিনরা। অথচ সারা বাংলাদেশের জনগণ জানে, এই গণঅভ্যুত্থানের উদ্যোক্তা সংগঠন গণঅধিকার পরিষদ ও নুরুল হক নুর। ক্রেডিট নেওয়ার অনেক উপায় আছে। কিন্তু নুরুল নুরের অবদানকে অস্বীকার করে নিজেদের মহান করার কোনো সুযোগ নাই।’
এর আগে এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিন ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে লিখেন, ‘নুরুল হক নুর, আমার সহযোদ্ধা যতবার বলেন, জুলাই আন্দোলনের ছাত্রদের তারা তৈরি করেছেন, ততবার আমার মনে পড়ে পুরোনো দিনের কথা। যখন নুরকে আমরা নেতা বানাইছিলাম। কিন্তু তিনি আম্মা ডাকছিলেন হাসিনারে।
দৈনিক আস্থা/এমএইচ



















