ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজীপুরে ৫ খুনের আসামী ফোরকানের মরদেহ মিলল পদ্মা নদীতে

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৪:২৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • / ১০৬০ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরে ৫ খুনের আসামী ফোরকানের মরদেহ মিলল পদ্মা নদীতে

আস্থা ডেস্কঃ

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালকসহ ৫ জনকে গলা কেটে হত্যার আলোচিত ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) পদ্মা নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে পদ্মা সেতুর ওপর থেকে ফোরকানের ব্যাগ ও জামাকাপড় উদ্ধার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এ হত্যাকাণ্ডের পর ফোরকান সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

পুলিশের সূত্র জানা যায়, ৫ খুনের পর থেকেই ফোরকান পলাতক ছিলেন। তাকে আটকের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক দল কাজ করছিল। এরই মধ্যে পদ্মা সেতুর ওপর একটি ব্যাগ ও কিছু কাপড় পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সিআইডি।

পরে যাচাই-বাছাই করে জানা যায়, সেগুলো পলাতক ফোরকানের। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার পদ্মা নদী থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

প্রসঙ্গত, চলিত মাসের শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের ভাড়া বাড়িতে ওই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নৃশংস এ ঘটনায় নিহতরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন, তিন মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া।

পেশায় প্রাইভেটকার চালক ফোরকান মিয়া প্রায় এক বছর আগে গাজীপুরের কাপাসিয়ার রাউতকোনা গ্রামের একটি বাড়ির নিচতলা ভাড়া নেন। তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মেরী গোপীনাথপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আতিয়ার রহমান মোল্লা।

হত্যাকাণ্ডের পরদিন শনিবার (৯ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফোরকান তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী রাশিদাকে ফোন করে জানান, তিনি পাঁচজনকে হত্যা করে পালিয়ে যাচ্ছেন। পরে প্রতিবেশীরা ওই বাড়িতে গিয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখতে পান।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

গাজীপুরে ৫ খুনের আসামী ফোরকানের মরদেহ মিলল পদ্মা নদীতে

আপডেট সময় : ০৪:২৩:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

গাজীপুরে ৫ খুনের আসামী ফোরকানের মরদেহ মিলল পদ্মা নদীতে

আস্থা ডেস্কঃ

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালকসহ ৫ জনকে গলা কেটে হত্যার আলোচিত ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) পদ্মা নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে পদ্মা সেতুর ওপর থেকে ফোরকানের ব্যাগ ও জামাকাপড় উদ্ধার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এ হত্যাকাণ্ডের পর ফোরকান সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

পুলিশের সূত্র জানা যায়, ৫ খুনের পর থেকেই ফোরকান পলাতক ছিলেন। তাকে আটকের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক দল কাজ করছিল। এরই মধ্যে পদ্মা সেতুর ওপর একটি ব্যাগ ও কিছু কাপড় পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সিআইডি।

পরে যাচাই-বাছাই করে জানা যায়, সেগুলো পলাতক ফোরকানের। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার পদ্মা নদী থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

প্রসঙ্গত, চলিত মাসের শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের ভাড়া বাড়িতে ওই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নৃশংস এ ঘটনায় নিহতরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন, তিন মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া।

পেশায় প্রাইভেটকার চালক ফোরকান মিয়া প্রায় এক বছর আগে গাজীপুরের কাপাসিয়ার রাউতকোনা গ্রামের একটি বাড়ির নিচতলা ভাড়া নেন। তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার মেরী গোপীনাথপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আতিয়ার রহমান মোল্লা।

হত্যাকাণ্ডের পরদিন শনিবার (৯ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফোরকান তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী রাশিদাকে ফোন করে জানান, তিনি পাঁচজনকে হত্যা করে পালিয়ে যাচ্ছেন। পরে প্রতিবেশীরা ওই বাড়িতে গিয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখতে পান।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ