ঢাকা ১০:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে একমঞ্চে জনগণের মুখোমুখি ১০ প্রার্থী Logo পানছড়িতে ধানের শীষের সমর্থনে শ্রমিক দলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo শেরপুরে জামায়াত–বিএনপি সংঘর্ষে নিহত-১, আহত অন্তত-৪ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীর বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ-এয়াকুব আলী Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার

দর্শকের ব্যবহারে বিরক্ত, গান থামিয়ে দিলেন নচিকেতা

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৩:৩০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩
  • / ১১২৭ বার পড়া হয়েছে

দর্শকের ব্যবহারে বিরক্ত, গান থামিয়ে দিলেন নচিকেতা

বিনোদন ডেস্কঃ

শুক্রবার রাতে ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনের মঞ্চ মাতান বাংলা গানের জীবনমুখী ধারার এ শিল্পী। সন্ধ্যায় একের পর এক গান-কথার জাদুতে মাতিয়ে তুলছেন। গান শেষ হলেই দর্শক সারি থেকে আসছে মুহুর্মুহু করতালি। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় ভাগে মঞ্চ ভরিয়ে তোলেন নচিকেতা।

‘তোমাকে আসতেই হবে’ দিয়ে শুরু করা জয় একে একে গেয়ে শোনান ‘আমিতো এমনই’, ‘আমি নেই’সহ বেশ কিছু গান। রাত সাড়ে ৮টায় গান শুরু করেন নচিকেতা, গানের ফাঁকে চলে কথোপকথন। রাত ১০টায় ‘নীলাঞ্জনা’ গানের মধ্য দিয়ে পরিবেশনা শেষ করেন এই শিল্পী। তবে এর মাঝেই বিরক্ত হয়ে একবার গান থামিয়ে দেন নচিকেতা।

নচিকেতা বলেন, “১৯৯৩ সালে শুরু করেছিলাম, ৩০ বছর তো হয়ে গেল। একটু আগেই একজন জিজ্ঞাসা করছিল আমার চাওয়া-পাওয়া পূর্ণ হয়েছে কি না? আমার মনে হয়, আমার সব পাওয়া হয়ে গেছে।

সিনেমার গান করার জন্য চিৎকার করে অনুরোধ করেন দর্শক। নচিকেতা বলেন, “সিনেমার গান তো ফরমায়েশি গান হয়। আমার স্টেজে গাইতে খুব একটা ভালো লাগে না।” নচিকেতা গেয়ে চলেন তার মতই। একটা নতুন গান গাইব বলেই গেয়ে ওঠেন, ‘হয়তো তোমারই জন্য/নেমেছি জনারণ্যে’।

গানের মাঝে দর্শক সারিতে মোবাইল ফোনে ভিডিও করা নিয়ে গানের ফাঁকে বিরক্তিও শোনা গেল নচিকেতার কণ্ঠে। গান থামিয়ে তাই চিরায়ত নিয়মে ধমকও দেন। সংগীতশিল্পী বলেন, “এই যন্ত্রটা খুবই বিরক্তিকর। একটা লোক গান গাইছে, তা না শুনে ভিডিও করে যাচ্ছে। এখন যা বলছি, সেটাও ভিডিও করছে। আসলে বুঝতেই পারছে না, কী বলছি।

শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বিরক্তির কথা জানিয়ে নচিকেতা বলেন, “মায়েরা সন্তানদের স্কুলের টিফিন দিয়ে বলে দেন, ‘একা একা খাবি, কাউকে দিবি না’; ‘এটা করবি না, ওটা করবি না’। বাচ্চার পেছনে মায়েরা যেভাবে লেগে থাকেন, সেভাবে যদি দেশটা নিয়ে লাগত- তখন দেশটাই পালটে যেত। এই শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আমার অনেক রাগ।

ট্যাগস :

দর্শকের ব্যবহারে বিরক্ত, গান থামিয়ে দিলেন নচিকেতা

আপডেট সময় : ০৩:৩০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩

দর্শকের ব্যবহারে বিরক্ত, গান থামিয়ে দিলেন নচিকেতা

বিনোদন ডেস্কঃ

শুক্রবার রাতে ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনের মঞ্চ মাতান বাংলা গানের জীবনমুখী ধারার এ শিল্পী। সন্ধ্যায় একের পর এক গান-কথার জাদুতে মাতিয়ে তুলছেন। গান শেষ হলেই দর্শক সারি থেকে আসছে মুহুর্মুহু করতালি। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় ভাগে মঞ্চ ভরিয়ে তোলেন নচিকেতা।

‘তোমাকে আসতেই হবে’ দিয়ে শুরু করা জয় একে একে গেয়ে শোনান ‘আমিতো এমনই’, ‘আমি নেই’সহ বেশ কিছু গান। রাত সাড়ে ৮টায় গান শুরু করেন নচিকেতা, গানের ফাঁকে চলে কথোপকথন। রাত ১০টায় ‘নীলাঞ্জনা’ গানের মধ্য দিয়ে পরিবেশনা শেষ করেন এই শিল্পী। তবে এর মাঝেই বিরক্ত হয়ে একবার গান থামিয়ে দেন নচিকেতা।

নচিকেতা বলেন, “১৯৯৩ সালে শুরু করেছিলাম, ৩০ বছর তো হয়ে গেল। একটু আগেই একজন জিজ্ঞাসা করছিল আমার চাওয়া-পাওয়া পূর্ণ হয়েছে কি না? আমার মনে হয়, আমার সব পাওয়া হয়ে গেছে।

সিনেমার গান করার জন্য চিৎকার করে অনুরোধ করেন দর্শক। নচিকেতা বলেন, “সিনেমার গান তো ফরমায়েশি গান হয়। আমার স্টেজে গাইতে খুব একটা ভালো লাগে না।” নচিকেতা গেয়ে চলেন তার মতই। একটা নতুন গান গাইব বলেই গেয়ে ওঠেন, ‘হয়তো তোমারই জন্য/নেমেছি জনারণ্যে’।

গানের মাঝে দর্শক সারিতে মোবাইল ফোনে ভিডিও করা নিয়ে গানের ফাঁকে বিরক্তিও শোনা গেল নচিকেতার কণ্ঠে। গান থামিয়ে তাই চিরায়ত নিয়মে ধমকও দেন। সংগীতশিল্পী বলেন, “এই যন্ত্রটা খুবই বিরক্তিকর। একটা লোক গান গাইছে, তা না শুনে ভিডিও করে যাচ্ছে। এখন যা বলছি, সেটাও ভিডিও করছে। আসলে বুঝতেই পারছে না, কী বলছি।

শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বিরক্তির কথা জানিয়ে নচিকেতা বলেন, “মায়েরা সন্তানদের স্কুলের টিফিন দিয়ে বলে দেন, ‘একা একা খাবি, কাউকে দিবি না’; ‘এটা করবি না, ওটা করবি না’। বাচ্চার পেছনে মায়েরা যেভাবে লেগে থাকেন, সেভাবে যদি দেশটা নিয়ে লাগত- তখন দেশটাই পালটে যেত। এই শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আমার অনেক রাগ।