দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ নারী নিহত; আহত ৪০
- আপডেট সময় : ১০:২৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
- / ১০০৪ বার পড়া হয়েছে
দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ নারী নিহত; আহত ৪০
স্টাফ রিপোর্টারঃ
চর দখল নিয়ে পূ্র্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার তিতাস ও মেঘনা উপজেলার দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষে কোহিনুর বেগম (৩৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষের পর মেঘনা নদী থেকে তার টেঁটাবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। নিহত কোহিনুর বেগম মেঘনা উপজেলার আলীপুর গ্রামের ট্রলারচালক কাবিল মিয়ার স্ত্রী।
আজ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত এ সংঘর্ষে ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,
মেঘনা উপজেলার চরবিনতপুর গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে তিতাস উপজেলার চরভাটেরা গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে চরবিনতপুরের পরে আলীপুর গ্রামের বাসিন্দারা যোগ দেন। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে আহতদের তিতাস ও মেঘনা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে তিতাসের চরভাটেরা গ্রামের প্রবাসী মোঃ শাহবাজ ও মজনু মিয়া ব্যক্তিগত কাজে মেঘনা উপজেলায় যান। সেখানে চরবিনতপুর গ্রামের আলী আকবর ও তার লোকজন তাদের মারধর করে আটকে রাখেন। বিষয়টি জানতে পেরে চরভাটেরা গ্রামের লোকজন সেখানে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিকেলে আলীপুর ও চরবিনতপুর গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে চরভাটেরা গ্রামের বাসিন্দাদের সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে উভয়পক্ষের প্রায় ৪০ জন আহত হন। তিতাসের ১৫ জন এবং মেঘনার ২৫ জন আহত হয়েছে।
আহতদের মধ্যে চরবিনতপুরের স্বপন মিয়া (২৭), সাগর মিয়া (৪০) এবং চরভাটেরার জসিম উদ্দিনকে (৩৫) গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে সংঘর্ষের পর আলীপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে টেঁটাবিদ্ধ এক নারীর লাশ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে লাশটি উদ্ধার করে আলীপুর গ্রামের ট্রলারচালক কাবিল মিয়ার স্ত্রী কোহিনুর বেগমের বলে শনাক্ত করা হয়।
মেঘনা থানার ওসি মোঃ শহীদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষে ১৫ থেকে ১৬ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।
তিতাস থানার ওসি মোঃ মমিরুল হক বলেন, ঘটনার পর তিতাস থানা থেকে পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। সন্ধ্যা ৭টার পর তিতাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল।
প্রসঙ্গত, ১৫ জুনও দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হন এবং বেশ কিছু বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়।
দৈনিক আস্থা/এমএইচ



















