ঢাকা ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্ধারিত বাজেটের বাইরে কোন খরচ করা চলবে না: প্রধানমন্ত্রী

News Editor
  • আপডেট সময় : ০১:৫৯:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২০
  • / ১১৭০ বার পড়া হয়েছে

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এলে আবারও বিপুল অর্থের প্রয়োজন হবে রাষ্ট্রের। তাই নির্ধারিত বাজেটের মধ্যে থেকে প্রতিটি খাতে মিতব্যয়ী হতে সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে ভিডিও কনফারেন্সে গণভবন থেকে সাভার সেনানিবাসে ১০টি ইউনিট ও সংস্থাকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সরকার প্রধান জানান, একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গড়ে তোলা হচ্ছে সশস্ত্র বাহিনীকে।

স্থাপন হয়েছে ৩২তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো প্রায় ৫ কিলোমিটার পদ্মা সেতু

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কৃষিতে আমার নির্দেশনাই ছিল প্রচুর পরিমান খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। কোনভাবেই যেন খাদ্য সংকট না হয়। কারণ করোনা ভাইরাসের কারণে অনেক ক্ষুধা-মন্দা দেখা দিচ্ছে। অনেক উন্নত দেশ হিমশিম খাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, কিন্তু বাংলাদেশে আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ায় সেই সমস্যা দেখা দিচ্ছে না। কিন্তু এখনও করোনার প্রভাব আছে। আশংকা করা হচ্ছে করোনার প্রভাব আরো দেখা দেবে। কারণে ইউরোপে নতুন করে দেখা দিচ্ছে। সেজন্য আমাদের আগেই সতর্ক থাকতে হবে। কারণ আমাদের অনেক টাকার প্রয়োজন হবে, মানুষকে অনেক ওষুধ দিতে হবে। অনেক ডাক্তার-নার্স লাগতে পারে। তাই আমাদের মিতব্যয়ী হতে হবে। আমাদের নেহাত যতটুকু প্রয়োজন তার বেশি কোন পয়সা এখন খরচ করা চলবে না।

নির্ধারিত বাজেটের বাইরে কোন খরচ করা চলবে না: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:৫৯:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২০

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এলে আবারও বিপুল অর্থের প্রয়োজন হবে রাষ্ট্রের। তাই নির্ধারিত বাজেটের মধ্যে থেকে প্রতিটি খাতে মিতব্যয়ী হতে সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে ভিডিও কনফারেন্সে গণভবন থেকে সাভার সেনানিবাসে ১০টি ইউনিট ও সংস্থাকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সরকার প্রধান জানান, একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গড়ে তোলা হচ্ছে সশস্ত্র বাহিনীকে।

স্থাপন হয়েছে ৩২তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো প্রায় ৫ কিলোমিটার পদ্মা সেতু

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কৃষিতে আমার নির্দেশনাই ছিল প্রচুর পরিমান খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। কোনভাবেই যেন খাদ্য সংকট না হয়। কারণ করোনা ভাইরাসের কারণে অনেক ক্ষুধা-মন্দা দেখা দিচ্ছে। অনেক উন্নত দেশ হিমশিম খাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, কিন্তু বাংলাদেশে আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ায় সেই সমস্যা দেখা দিচ্ছে না। কিন্তু এখনও করোনার প্রভাব আছে। আশংকা করা হচ্ছে করোনার প্রভাব আরো দেখা দেবে। কারণে ইউরোপে নতুন করে দেখা দিচ্ছে। সেজন্য আমাদের আগেই সতর্ক থাকতে হবে। কারণ আমাদের অনেক টাকার প্রয়োজন হবে, মানুষকে অনেক ওষুধ দিতে হবে। অনেক ডাক্তার-নার্স লাগতে পারে। তাই আমাদের মিতব্যয়ী হতে হবে। আমাদের নেহাত যতটুকু প্রয়োজন তার বেশি কোন পয়সা এখন খরচ করা চলবে না।