ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট বিক্রির অভিযোগে প্রভাবত আটক

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০১:৫০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১০২৬ বার পড়া হয়েছে

পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট বিক্রির অভিযোগে প্রভাবত আটক

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার বা প্রভাবককে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ।

এ ঘটনায় তাঁর প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত থেকেও তাঁর আয়ের অর্থ গ্রহণ ও কর্মকাণ্ডে সম্মতির অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মোঃ আবু সাঈদকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।

ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোঃ তরিকুল ইসলাম বুধবার বলেন, একটি চক্র ইনস্টাগ্রাম, টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফিক ভিডিও ও ছবি তৈরি করে সেগুলোর প্রচার করত।

তিনি আরও বলেন,পরে নির্দিষ্ট টেলিগ্রাম গ্রুপ ও চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে এসব কনটেন্ট বিক্রি করা হতো। লেনদেনের জন্য বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল আর্থিক সেবা ব্যবহার করা হতো।

প্রযুক্তিগত অনুসন্ধান ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের অবস্থান শনাক্ত করে ডিবি। পরে গত ১১ আগস্ট রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুমাইয়াকে আটক করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন রাতে বাড্ডা লিংক রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে খাজা সাকলাইন ফারুককে আটক করা হয়।

ডিবির দাবি, আটক উভয়ের কাছ থেকে জব্দ করা মোবাইল ডিভাইসের প্রাথমিক বিশ্লেষণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্টের বিজ্ঞাপন, বিক্রি এবং এ-সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তদন্তে এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে বলেও জানিয়েছে ডিবি। তাঁদের শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা চলছে।

ডিসি তরিকুল ইসলাম বলেন, আবু সাঈদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট বিক্রির অভিযোগে প্রভাবত আটক

আপডেট সময় : ০১:৫০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট বিক্রির অভিযোগে প্রভাবত আটক

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার বা প্রভাবককে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ।

এ ঘটনায় তাঁর প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি মেয়ের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত থেকেও তাঁর আয়ের অর্থ গ্রহণ ও কর্মকাণ্ডে সম্মতির অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মোঃ আবু সাঈদকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।

ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোঃ তরিকুল ইসলাম বুধবার বলেন, একটি চক্র ইনস্টাগ্রাম, টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফিক ভিডিও ও ছবি তৈরি করে সেগুলোর প্রচার করত।

তিনি আরও বলেন,পরে নির্দিষ্ট টেলিগ্রাম গ্রুপ ও চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে এসব কনটেন্ট বিক্রি করা হতো। লেনদেনের জন্য বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল আর্থিক সেবা ব্যবহার করা হতো।

প্রযুক্তিগত অনুসন্ধান ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের অবস্থান শনাক্ত করে ডিবি। পরে গত ১১ আগস্ট রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুমাইয়াকে আটক করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন রাতে বাড্ডা লিংক রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে খাজা সাকলাইন ফারুককে আটক করা হয়।

ডিবির দাবি, আটক উভয়ের কাছ থেকে জব্দ করা মোবাইল ডিভাইসের প্রাথমিক বিশ্লেষণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্টের বিজ্ঞাপন, বিক্রি এবং এ-সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তদন্তে এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে বলেও জানিয়েছে ডিবি। তাঁদের শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা চলছে।

ডিসি তরিকুল ইসলাম বলেন, আবু সাঈদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ