ঢাকা ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভূমিধসে পাপুয়া নিউ গিনিতে নিহত বেড়ে ৬৭০

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪
  • / ১০৬৩ বার পড়া হয়েছে

ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনায় ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ পাপুয়া নিউ গিনির একটি গ্রামে ৬৭০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। ভূমিধসে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া গ্রামের আরও অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

জাতিসংঘের একজন কর্মকর্তা রোববার (২৬ মে) ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটিতে হতাহতের এই পরিসংখ্যান জানিয়েছেন।

পাপুয়া নিউ গনির রাজধানী পোর্ট মোর্সবে-ভিত্তিক জাতিসংঘের অভিবাসনবিষয়ক সংস্থার মুখপাত্র সেরহান আকতোপার্ক বলেছেন, ভূমিধসে পাপুয়া নিউ গিনির একটি গ্রামের ১৫০টিরও বেশি বাড়িঘর মাটির নিচে চাপা পড়েছে। এতে ৬৭০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সেখানকার পরিস্থিতি ভয়াবহ এবং এখনও ভূমিধস ঘটছে। পানি প্রবাহিত হওয়ায় সেখানকার প্রত্যেকের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।

এক সময়ের ব্যস্ত ওই গ্রামের আরও এক হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন আকতোপার্ক। তিনি বলেছেন, ভূমিধসের শিকার গ্রামটির ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া গ্রামটির পানির সরবরাহ ব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।

‘‘মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা মৃতদেহ সরাতে খোঁড়াখুঁড়ির জন্য লোকজন লাঠি, কোদাল, বড় কৃষি যন্ত্র ব্যবহার করছে।’’

ট্যাগস :

ভূমিধসে পাপুয়া নিউ গিনিতে নিহত বেড়ে ৬৭০

আপডেট সময় : ১০:৩০:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪

ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনায় ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ পাপুয়া নিউ গিনির একটি গ্রামে ৬৭০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। ভূমিধসে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া গ্রামের আরও অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

জাতিসংঘের একজন কর্মকর্তা রোববার (২৬ মে) ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটিতে হতাহতের এই পরিসংখ্যান জানিয়েছেন।

পাপুয়া নিউ গনির রাজধানী পোর্ট মোর্সবে-ভিত্তিক জাতিসংঘের অভিবাসনবিষয়ক সংস্থার মুখপাত্র সেরহান আকতোপার্ক বলেছেন, ভূমিধসে পাপুয়া নিউ গিনির একটি গ্রামের ১৫০টিরও বেশি বাড়িঘর মাটির নিচে চাপা পড়েছে। এতে ৬৭০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সেখানকার পরিস্থিতি ভয়াবহ এবং এখনও ভূমিধস ঘটছে। পানি প্রবাহিত হওয়ায় সেখানকার প্রত্যেকের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।

এক সময়ের ব্যস্ত ওই গ্রামের আরও এক হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন আকতোপার্ক। তিনি বলেছেন, ভূমিধসের শিকার গ্রামটির ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া গ্রামটির পানির সরবরাহ ব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।

‘‘মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা মৃতদেহ সরাতে খোঁড়াখুঁড়ির জন্য লোকজন লাঠি, কোদাল, বড় কৃষি যন্ত্র ব্যবহার করছে।’’