ঢাকা ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:

মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র সংগ্রহে টাকা নেবার অভিযোগ

News Editor
  • আপডেট সময় : ০২:৫৭:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ১১১২ বার পড়া হয়েছে

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সদ্য কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীরা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র তুলতে প্রত্যেকের কাছ থেকে ২০০-৩০০ টাকা নেবার মাধ্যমে শিক্ষকদের হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। টাকা না দিলে মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দেয়া হচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনায় উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভুক্তভোগী ছয় শিক্ষার্থী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তারা ইউএনওর কাছে প্রশংসাপত্র ও মার্কশিট প্রদানে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশরাফুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে শিক্ষার্থীদের সনদ পাইয়ে দেওয়ায় ব্যবস্থা করতে বলেছি। এরপর ও প্রধান শিক্ষক সনদ না দিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তারা অভিযোগে জানিয়েছে, টাকা ছাড়া মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র আনতে গেলে প্রধান শিক্ষক দেন না। তাদের দিনের পর দিন ঘোরাচ্ছেন প্রধান শিক্ষক।

করোনাকালে আর্থিক সঙ্কট থাকলেও বাধ্য হয়ে প্রধান শিক্ষকের কথা মতো টাকা দিয়ে সন্তানদের মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র নেবার ঘটনা জানায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক।

এ বিষয়ে জানতে দিলপাশার ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফসার আলী রানার মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ট্যাগস :

মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র সংগ্রহে টাকা নেবার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:৫৭:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সদ্য কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীরা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র তুলতে প্রত্যেকের কাছ থেকে ২০০-৩০০ টাকা নেবার মাধ্যমে শিক্ষকদের হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। টাকা না দিলে মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দেয়া হচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনায় উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভুক্তভোগী ছয় শিক্ষার্থী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তারা ইউএনওর কাছে প্রশংসাপত্র ও মার্কশিট প্রদানে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশরাফুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে শিক্ষার্থীদের সনদ পাইয়ে দেওয়ায় ব্যবস্থা করতে বলেছি। এরপর ও প্রধান শিক্ষক সনদ না দিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তারা অভিযোগে জানিয়েছে, টাকা ছাড়া মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র আনতে গেলে প্রধান শিক্ষক দেন না। তাদের দিনের পর দিন ঘোরাচ্ছেন প্রধান শিক্ষক।

করোনাকালে আর্থিক সঙ্কট থাকলেও বাধ্য হয়ে প্রধান শিক্ষকের কথা মতো টাকা দিয়ে সন্তানদের মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র নেবার ঘটনা জানায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক।

এ বিষয়ে জানতে দিলপাশার ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফসার আলী রানার মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।