ঢাকা ০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo কুমিল্লায় পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় আটক-১৯ Logo কর কমিয়ে রাজস্ব বৃদ্ধির ছায়া বাজেট দিল জামায়াত Logo নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo জামায়াত আমিরের সঙ্গে বৈঠক করে আনন্দিত মার্কিন রাষ্ট্রদূত Logo আবারও ইসলামী ব্যাংকে দখলকারী চক্রের দৃষ্টি পড়েছে : বিরোধীদলীয় নেতা Logo প্রধানমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ : অধ্যাপক ডোনার Logo পুশ ইনের বিরুদ্ধে কর্মসূচি দেবে জামায়াত জোট Logo পুলিশ হত্যা করেছি–ঘোষণা দেওয়া সেই মাহাদী এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo সন্ত্রাসীদের হামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ কর্মী রবিন নিহত Logo একনেকে অনুমোদন পায়নি চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্প

সিন্ধু নিয়ে ভারত-পাকিস্তান নতুন উত্তেজনা

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ০৯:১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১২২৫ বার পড়া হয়েছে

ছবি : সংগৃহীত


সিন্ধু অঞ্চলকে ঘিরে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে এই নতুন বিরোধ। মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

গত রবিবার দিল্লিতে সিন্ধি সমাজ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় রাজনাথ সিং বলেন, সিন্ধু অঞ্চল এখন ভারতের সঙ্গে নেই ঠিকই, তবে সীমান্ত বদলাতেই পারে। ভবিষ্যতে ওই অঞ্চল আবারও ভারতের কাছে ফিরে আসতে পারে। তার বক্তব্যকে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো ‘বিস্ফোরক’ মন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করেছে।

১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর সিন্ধু নদীসংলগ্ন ওই অঞ্চল পাকিস্তানের অংশে পড়ে। সেখানে বসবাসকারী বিপুলসংখ্যক সিন্ধি হিন্দু দেশভাগের সময় ভারতে চলে আসেন। এই ঐতিহাসিক ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে রাজনাথ সিং বলেন, সিন্ধি হিন্দুরা বিশেষত লালকৃষ্ণ আদভানির প্রজন্ম ভারত থেকে সিন্ধুর বিচ্ছিন্নতাকে কখনোই মেনে নিতে পারেননি। আদভানি তার লেখায় উল্লেখ করেছেন, সিন্ধি হিন্দুরা আজও সিন্ধুর বিচ্ছিন্ন হওয়াকে মানতে পারেনি।

এই মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদ বলেছে, রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্য ‘বিভ্রান্তিকর, ইতিহাস বিকৃতকারী এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।’ পাকিস্তানের মতে, ‘সিন্ধু ভারতে ফিরে আসতে পারে’ এ ধরনের মন্তব্য শুধু উসকানিমূলক নয়, বরং অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকে বিপন্ন করতে পারে।

এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতীয় নেতাদের এমন বক্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায়। পাশাপাশি নিজেদের দেশের নাগরিকদের বিশেষত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ধর্মীয় সহিংসতায় জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করা এবং ইতিহাস বিকৃতির কারণে সৃষ্টি হওয়া বৈষম্য দূর করার পরামর্শ দেয়।

ট্যাগস :

সিন্ধু নিয়ে ভারত-পাকিস্তান নতুন উত্তেজনা

আপডেট সময় : ০৯:১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

ছবি : সংগৃহীত


সিন্ধু অঞ্চলকে ঘিরে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সাম্প্রতিক মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে এই নতুন বিরোধ। মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

গত রবিবার দিল্লিতে সিন্ধি সমাজ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় রাজনাথ সিং বলেন, সিন্ধু অঞ্চল এখন ভারতের সঙ্গে নেই ঠিকই, তবে সীমান্ত বদলাতেই পারে। ভবিষ্যতে ওই অঞ্চল আবারও ভারতের কাছে ফিরে আসতে পারে। তার বক্তব্যকে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো ‘বিস্ফোরক’ মন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করেছে।

১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর সিন্ধু নদীসংলগ্ন ওই অঞ্চল পাকিস্তানের অংশে পড়ে। সেখানে বসবাসকারী বিপুলসংখ্যক সিন্ধি হিন্দু দেশভাগের সময় ভারতে চলে আসেন। এই ঐতিহাসিক ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে রাজনাথ সিং বলেন, সিন্ধি হিন্দুরা বিশেষত লালকৃষ্ণ আদভানির প্রজন্ম ভারত থেকে সিন্ধুর বিচ্ছিন্নতাকে কখনোই মেনে নিতে পারেননি। আদভানি তার লেখায় উল্লেখ করেছেন, সিন্ধি হিন্দুরা আজও সিন্ধুর বিচ্ছিন্ন হওয়াকে মানতে পারেনি।

এই মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদ বলেছে, রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্য ‘বিভ্রান্তিকর, ইতিহাস বিকৃতকারী এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।’ পাকিস্তানের মতে, ‘সিন্ধু ভারতে ফিরে আসতে পারে’ এ ধরনের মন্তব্য শুধু উসকানিমূলক নয়, বরং অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকে বিপন্ন করতে পারে।

এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতীয় নেতাদের এমন বক্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায়। পাশাপাশি নিজেদের দেশের নাগরিকদের বিশেষত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ধর্মীয় সহিংসতায় জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করা এবং ইতিহাস বিকৃতির কারণে সৃষ্টি হওয়া বৈষম্য দূর করার পরামর্শ দেয়।