ঢাকা ০১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্কুল থেকে ফেরার পথে ১০ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৪:১৭:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মার্চ ২০২২
  • / ১১১৩ বার পড়া হয়েছে

স্কুল থেকে ফেরার পথে ১০ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

রামপালের বাইনতলা ইউনিয়ন অধীনস্থ শরাফপুর গ্রামের মুক্তা খাতুন নামের এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের সৈয়দ হাসান আলীর বিরুদ্ধে

গত ৭ মার্চ সোমবার গিলাতলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পঞ্চম শ্রেণীর পাঠদান শেষে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্ত হাসান আলি বিভিন্ন প্রলোভন ও জোরপূর্বক তাকে নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় ধর্ষণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়।

তৎক্ষণাৎ পার্শ্ববর্তী বাড়ির লাবনী নামের এক মহিলার আপত্তিকর অবস্থায় দৃষ্টিগোচর হলে হাসান আলীর কাছ থেকে উদ্ধার করে মেয়েটিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পরিবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শরণাপন্ন হলে র‍্যাব-৬ খুলনা এর একটি চৌকস দল সন্ধ্যা নাগাদ অভিযুক্ত হাসান কে গ্রেপ্তার করে।

বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত হাসান আলীর কন্যা শিমু নগদ অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে মীমাংসা করার চেষ্টা করে।

তবে ভুক্তভোগীর পরিবার এই প্রলোভনে রাজি না হয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বিশেষ সূত্রে জানা যায় এর আগেও এই ধরনের অপকর্মের সাথে বিভিন্ন ভাবে যুক্ত হয়েছিলেন অভিযুক্ত হাসান আলী।

হাসান আলীর এমন কর্মকাণ্ডকে ধিক্কার জানিয়ে এলাকাবাসী, ভুক্তভোগীর শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ জনপ্রতিনিধিগণ এর দৃষ্টান্ত বিচার দাবি করেন।

Astha/S.S

[irp]

স্কুল থেকে ফেরার পথে ১০ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ

আপডেট সময় : ০৪:১৭:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মার্চ ২০২২

স্কুল থেকে ফেরার পথে ১০ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

রামপালের বাইনতলা ইউনিয়ন অধীনস্থ শরাফপুর গ্রামের মুক্তা খাতুন নামের এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের সৈয়দ হাসান আলীর বিরুদ্ধে

গত ৭ মার্চ সোমবার গিলাতলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পঞ্চম শ্রেণীর পাঠদান শেষে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্ত হাসান আলি বিভিন্ন প্রলোভন ও জোরপূর্বক তাকে নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় ধর্ষণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়।

তৎক্ষণাৎ পার্শ্ববর্তী বাড়ির লাবনী নামের এক মহিলার আপত্তিকর অবস্থায় দৃষ্টিগোচর হলে হাসান আলীর কাছ থেকে উদ্ধার করে মেয়েটিকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পরিবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শরণাপন্ন হলে র‍্যাব-৬ খুলনা এর একটি চৌকস দল সন্ধ্যা নাগাদ অভিযুক্ত হাসান কে গ্রেপ্তার করে।

বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত হাসান আলীর কন্যা শিমু নগদ অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে মীমাংসা করার চেষ্টা করে।

তবে ভুক্তভোগীর পরিবার এই প্রলোভনে রাজি না হয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বিশেষ সূত্রে জানা যায় এর আগেও এই ধরনের অপকর্মের সাথে বিভিন্ন ভাবে যুক্ত হয়েছিলেন অভিযুক্ত হাসান আলী।

হাসান আলীর এমন কর্মকাণ্ডকে ধিক্কার জানিয়ে এলাকাবাসী, ভুক্তভোগীর শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ জনপ্রতিনিধিগণ এর দৃষ্টান্ত বিচার দাবি করেন।

Astha/S.S

[irp]