ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আসামে ভয়াবহ বন্যা, নিহত ৩

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৪:২১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জুন ২০২৩
  • / ১০৬৯ বার পড়া হয়েছে

আসামে ভয়াবহ বন্যা, নিহত ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ভারতের আসাম রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি দিন দিন গুরুত্বর অবস্থার দিকে যাচ্ছে। আসামের রাজ্য বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের হিসেবে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে বন্যার কারণে প্রাণ হারিয়েছেন তিনজন। নয়টি জেলা জুড়ে চার লাখেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এএসডিএমএ’র তথ্যমতে, বাকসা, বরপেটা, দারং, ধুবড়ি, গোলপাড়া, কামরুপ, লখিমপুর, নলবাড়ি এবং উদালগুড়ি জেলার ৪ লাখ ৭ হাজার ৭০০ জনের বেশি মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে, ১ হাজার ১১৮টি গ্রাম তলিয়ে গেছে এবং প্রায় ৮ হাজার ৪৬৯ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করতে প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত জেলা জুড়ে ১০১টি ত্রাণ শিবির স্থাপন করেছে যেখানে ৮১ হাজার ৩৫২জন লোকের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়াও, পাঁচটি জেলায় ১১৯টি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র চালু রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন এলাকায় বাঁধ, রাস্তা, সেতু এবং অন্যান্য অবকাঠামো বন্যার স্রোতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দারাং জেলায় অনেক শহরাঞ্চলও প্লাবিত হয়েছে। আসাম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তেজপুর এবং নেয়ামতিঘাটে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এ ছাড়া ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে বাকসা, বরপেটা, সোনিতপুর, ধুবড়ি, কামরূপ, কোকরাঝাড়, নলবাড়ি, সাউথ সালমারা ও উদালগুড়ি জেলায়। করিমগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেছে। সূত্র-পিটিআই।

ট্যাগস :

আসামে ভয়াবহ বন্যা, নিহত ৩

আপডেট সময় : ০৪:২১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জুন ২০২৩

আসামে ভয়াবহ বন্যা, নিহত ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ভারতের আসাম রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি দিন দিন গুরুত্বর অবস্থার দিকে যাচ্ছে। আসামের রাজ্য বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের হিসেবে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে বন্যার কারণে প্রাণ হারিয়েছেন তিনজন। নয়টি জেলা জুড়ে চার লাখেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এএসডিএমএ’র তথ্যমতে, বাকসা, বরপেটা, দারং, ধুবড়ি, গোলপাড়া, কামরুপ, লখিমপুর, নলবাড়ি এবং উদালগুড়ি জেলার ৪ লাখ ৭ হাজার ৭০০ জনের বেশি মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে, ১ হাজার ১১৮টি গ্রাম তলিয়ে গেছে এবং প্রায় ৮ হাজার ৪৬৯ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করতে প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত জেলা জুড়ে ১০১টি ত্রাণ শিবির স্থাপন করেছে যেখানে ৮১ হাজার ৩৫২জন লোকের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়াও, পাঁচটি জেলায় ১১৯টি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র চালু রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন এলাকায় বাঁধ, রাস্তা, সেতু এবং অন্যান্য অবকাঠামো বন্যার স্রোতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দারাং জেলায় অনেক শহরাঞ্চলও প্লাবিত হয়েছে। আসাম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তেজপুর এবং নেয়ামতিঘাটে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এ ছাড়া ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে বাকসা, বরপেটা, সোনিতপুর, ধুবড়ি, কামরূপ, কোকরাঝাড়, নলবাড়ি, সাউথ সালমারা ও উদালগুড়ি জেলায়। করিমগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেছে। সূত্র-পিটিআই।