ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাদের মির্জা পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৮:০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১
  • / ১০৪৭ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় তার অনুসারী স্বপন মাহমুদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি এ অভিযোগ তুলেন ।

লাইভে এসে কাদের মির্জা অভিযোগ করেন, পুলিশ আমার সাতজন কর্মীকে গ্রেফতার করে নির্যাতন করে। সকালের দিকে খবর পেয়ে আমি তাদের দেখতে যাই। তাদের অবস্থা ভালো ছিল না। ফেরার পথে আমাদের ওপর আক্রমণ করেন এডিশনাল এসপি।

তিনি আমার গায়ের হাত দিয়েছেন। দশবার করে বলেছি, আমি ডিএস মর্যাদার। তুমি আমার গায়ের ওপর হাত দিচ্ছো কেন? তিনি এরপরেও আমার গায়ে হাত দিয়েছে। এদিকে ওসি আমার সহকারী সাজুকে মারধর করেছে। তার মোবাইল কেড়ে নিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এরপর ফেরত আসার পথে এডিশনাল এসপি ওসিসহ পুলিশ আমাকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করেছে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম আহমেদ এ অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে নাকচ করে দেন।

তিনি বলেন, কাদের মির্জা থানায় গিয়ে সরাসরি থানার হাজতের সামনে চলে যান। আমি শুধু তাকে বলেছি, আপনি ওসির রুমে আসেন। এছাড়া আর কোনো কথা হয়নি এবং কারো গায়ে হাত তোলাও হয়নি।

 

ট্যাগস :

কাদের মির্জা পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১

অনলাইন ডেস্কঃ

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় তার অনুসারী স্বপন মাহমুদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি এ অভিযোগ তুলেন ।

লাইভে এসে কাদের মির্জা অভিযোগ করেন, পুলিশ আমার সাতজন কর্মীকে গ্রেফতার করে নির্যাতন করে। সকালের দিকে খবর পেয়ে আমি তাদের দেখতে যাই। তাদের অবস্থা ভালো ছিল না। ফেরার পথে আমাদের ওপর আক্রমণ করেন এডিশনাল এসপি।

তিনি আমার গায়ের হাত দিয়েছেন। দশবার করে বলেছি, আমি ডিএস মর্যাদার। তুমি আমার গায়ের ওপর হাত দিচ্ছো কেন? তিনি এরপরেও আমার গায়ে হাত দিয়েছে। এদিকে ওসি আমার সহকারী সাজুকে মারধর করেছে। তার মোবাইল কেড়ে নিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এরপর ফেরত আসার পথে এডিশনাল এসপি ওসিসহ পুলিশ আমাকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করেছে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম আহমেদ এ অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে নাকচ করে দেন।

তিনি বলেন, কাদের মির্জা থানায় গিয়ে সরাসরি থানার হাজতের সামনে চলে যান। আমি শুধু তাকে বলেছি, আপনি ওসির রুমে আসেন। এছাড়া আর কোনো কথা হয়নি এবং কারো গায়ে হাত তোলাও হয়নি।