ঢাকা ০১:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo জাতীয় নেতাদের ভূমিকাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন: এপ্রিলের শেষে উদ্বোধন Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আ.লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ Logo মুখস্থভিত্তিক বিসিএস থেকে দক্ষতাভিত্তিক পদ্ধতিতে যাচ্ছে সরকার: সংসদে প্রতিমন্ত্রী Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি ঘোষণা Logo সরকার-জনপ্রতিনিধি ছাড়া সংবিধান সংশোধনের অধিকার কারো নেই: স্পিকার Logo মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংশ করছে ইরানি ম্যানপ্যাড Logo তিন ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু Logo হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারকে নতুনঘর করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি সেনাবাহিনীর

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ১১৩৩ বার পড়া হয়েছে

গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারকে নতুনঘর করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি সেনাবাহিনীর

 

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

অভাবের তাড়নায় জমি বিক্রি করে দীর্ঘ ১২ বছর যাবত মানবেতর ও দুঃখ-কষ্টের মধ্যে জীবনযাপন করছে খাগড়াছড়ি সদরের পেরাছড়া ইউনিয়নের বেলতলী পাড়ার বরেন্দ্র লাল ত্রিপুরা ও তার স্ত্রী প্রভাতী বালা ত্রিপুরা।

এই পরিবারকে ঘর দেয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ মোঃ আমান হাসান

আজ শনিবার (২৫ জানুয়ালি) দুপুরে এই অসহায় পরিবারের কাছে উপস্থিত হয়ে ১০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করেন এবং তাদের জন্য একটি ঘর নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

জানাযায়, পরিবারটির সদস্য সংখ্যা ৮ জন। ছেলে/মেয়েরা নিজের পরিবার নিয়ে ব্যস্ত থাকায় বাবা-মায়ের সঠিক দেখভাল করতে পারছেন না।

মেয়ে সুশুক্লান্তি ত্রিপুরা বলেন, তার স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি মানুষের বাড়িতে কাজ করে কোনোভাবে দিন পার করছেন। তিনি সরকারের কাছে তার বাবা-মায়ের জন্য সহায়তার অনুরোধ জানান।

ছেলে বিনিময় ত্রিপুর বলেন, তার নিজের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়, তবুও চেষ্টা করেন বাবা-মায়ের জন্য বাজার করতে।

বরেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, অভাবের তাড়নায় তার ৪ একর জমি বিক্রি করে ফেলতে হয়েছে। এখন ২০ শতক খাস জমিতে কোনোভাবে বসবাস করছেন। সেনাবাহিনীর সাহায্য পেয়ে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ঘর পাওয়ার প্রতিশ্রুতিতে অনেক আনন্দিত।

রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ মোঃ আমান হাসান সাংবাদিকদের বলেন, সাংবাদিকদের মাধ্যমে তিনি এই পরিবারের দুর্দশার কথা জানতে পারেন। তাই সরাসরি তাদের কাছে গিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি দেখেন এবং তাদের ঘর দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সেনাবাহিনী পাহাড়ের সাধারণ মানুষের পাশে সবসময় রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

এ ধরনের উদ্যোগ এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশংসার দাবি করেছে। স্থানীয়রা  মনে করেন, সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগ পাহাড়ের দরিদ্র মানুষের কষ্ট লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পাহাড়ি এলাকার অসহায় মানুষের জন্য সেনাবাহিনীর এমন মানবিক কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে।

ট্যাগস :

গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারকে নতুনঘর করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি সেনাবাহিনীর

আপডেট সময় : ০৮:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫

গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারকে নতুনঘর করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি সেনাবাহিনীর

 

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

অভাবের তাড়নায় জমি বিক্রি করে দীর্ঘ ১২ বছর যাবত মানবেতর ও দুঃখ-কষ্টের মধ্যে জীবনযাপন করছে খাগড়াছড়ি সদরের পেরাছড়া ইউনিয়নের বেলতলী পাড়ার বরেন্দ্র লাল ত্রিপুরা ও তার স্ত্রী প্রভাতী বালা ত্রিপুরা।

এই পরিবারকে ঘর দেয়ার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ মোঃ আমান হাসান

আজ শনিবার (২৫ জানুয়ালি) দুপুরে এই অসহায় পরিবারের কাছে উপস্থিত হয়ে ১০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করেন এবং তাদের জন্য একটি ঘর নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

জানাযায়, পরিবারটির সদস্য সংখ্যা ৮ জন। ছেলে/মেয়েরা নিজের পরিবার নিয়ে ব্যস্ত থাকায় বাবা-মায়ের সঠিক দেখভাল করতে পারছেন না।

মেয়ে সুশুক্লান্তি ত্রিপুরা বলেন, তার স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি মানুষের বাড়িতে কাজ করে কোনোভাবে দিন পার করছেন। তিনি সরকারের কাছে তার বাবা-মায়ের জন্য সহায়তার অনুরোধ জানান।

ছেলে বিনিময় ত্রিপুর বলেন, তার নিজের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়, তবুও চেষ্টা করেন বাবা-মায়ের জন্য বাজার করতে।

বরেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, অভাবের তাড়নায় তার ৪ একর জমি বিক্রি করে ফেলতে হয়েছে। এখন ২০ শতক খাস জমিতে কোনোভাবে বসবাস করছেন। সেনাবাহিনীর সাহায্য পেয়ে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ঘর পাওয়ার প্রতিশ্রুতিতে অনেক আনন্দিত।

রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ মোঃ আমান হাসান সাংবাদিকদের বলেন, সাংবাদিকদের মাধ্যমে তিনি এই পরিবারের দুর্দশার কথা জানতে পারেন। তাই সরাসরি তাদের কাছে গিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি দেখেন এবং তাদের ঘর দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সেনাবাহিনী পাহাড়ের সাধারণ মানুষের পাশে সবসময় রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

এ ধরনের উদ্যোগ এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশংসার দাবি করেছে। স্থানীয়রা  মনে করেন, সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগ পাহাড়ের দরিদ্র মানুষের কষ্ট লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পাহাড়ি এলাকার অসহায় মানুষের জন্য সেনাবাহিনীর এমন মানবিক কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে।