ঢাকা ১২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo ফুলবাড়িয়ায় বজ্রপাতে শিক্ষার্থীসহ নিহত-২ Logo সাংবাদিকদের বাথরুম, টয়লেট পরিষ্কারের দায়িত্ব দেওয়া উচিত, উপ-পরিচালক, ভয়ে করলো ডিলেট Logo ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে রেস্টুরেন্টে আগুন Logo রামগড়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ইউপিডিএফ (প্রসিত)-এর গোলাগুলি, নিহত-২, আহত-১ Logo চট্টগ্রামে আটকের একদিন পর যুবলীগ নেতার মৃত্যু Logo মুদি দোকান-বিউটি পার্লারসহ ১৬ ব্যবসায় বসছে কর Logo শার্শায় পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি Logo অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক আটক Logo তারাগঞ্জে শিশু সানজিদা হত্যার রহস্য উন্মোচন, ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার Logo জেল বন্দি বিএনপি নেতা, ঢাকায় চালিয়েছেন গুলি: হয়ে গেলো মামলায় আসামী

২৫ রানের জয়ে ফাইনালে তামিমের লাহোর

News Editor
  • আপডেট সময় : ০১:৪২:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ নভেম্বর ২০২০
  • / ১১৪১ বার পড়া হয়েছে

এলিমিনেটরের ২য় ম্যাচে মুলতান সুলতান’স এর সাথে ২৫ রানের জয়ে ফাইনালে তামিমের লাহোর কালান্দার্স। আগামী মঙ্গলবার রাত ৯ টায় ফাইনালে মুখোমুখি হবে বাবর আজমের করাচি কিংস এর সাথে।

প্রথমে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় মুলতান সুলতানসের অধিনায়ক শান মাসুদ। তবে শুরু টা ভালো হয়নি তাদের। দ্রুত রান তোলা শুরু করে তামিম।

ম্যাচের ৫ম ওভারের ৫ম বলে জুনায়েদ খানের বলে খুশদিলের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। সাজঘরে আসার আগে ২০ বলে ৩০ রানের ইনিংস খেলেন, যেখানে ৫ টি বাউন্ডারি ছিল। তার বিদায়ের পর ক্রিজে আসে অধিনায়ক সোহাইল আখতার। দ্রুত আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। ৪৫ রানে উইকেট শুন্য থাকার পর ৫৪ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পরে লাহোর। এরপর ফাখার জামান ও মোহাম্মদ হাফিজ এসে চাপ সামাল দেন। ২ জন মিলে গড়েন ৪০ রানের জুটি। আগের ম্যাচের সেরা প্লেয়ার হাফিজ এই ম্যাচে ওয়ানডে মেজাজে ২১ বলে ১৯ রান করে আফ্রিদির বলে লিথের হাতে ক্যাচ আউট হয়।

১৮২ রান সংগ্রহ করেছে লাহোর কালান্দার্স

তবে শেষ দিকে এসে অসাধারণ এক পার্টনারশিপ গড়েন ডেভিড উইজা ও সামিথ প্যাটেল। উইজা শেষ পর্যন্ত ২১ বলে ৪৮ রানে অপরাজিত থাকে এবং শেষ পর্যন্ত লাহোরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১৮২ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলো মুলতান সুলতানসের ব্যাটসম্যানরা। যদিও রান করেছে অ্যাডাম লিথ একাই। ৪.২ ওভারে প্রথম উইকেট হিসেবে জিসান আশরাফ বিদায় নিলেও তিনি করেন মাত্র ৯ বলে ১২ রান।

তবে অপর প্রান্তে তাণ্ডব চালান অ্যাডাম লিথ।
২৮ বলে তুলে নেন ফিফটি। তবে ফিফটি করার পরের বলেই আউট হয়ে যান তিনি।
লিথ যখন বিদায় নেন তখন দলের সংগ্রহ ছিল ৮.৩ ওভারে ৮০ রান ২ উইকেট হারিয়ে।
দিলবার হুসাইনের বলে বেন ডাংকের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন শান।
একটা সময় ভালো অবস্থানে ছিল মুলতান সুলতান’স কিন্তু লিথের উইকেটই যেন সব পালটে দেয়। ৭৯-১ থেকে ১১৬-৬ উইকেট, অর্থাৎ পরবর্তী ৩৭ রানে হারায় ৫ উইকেট এবং এই রান তুলতে খরচ করেন ৩২ বল। রুশো করে ১৮ বলে ১৮ রান, বোপারা ২ বলে ১ রান ও আফ্রিদি অবসর থেকে ফিরে এসে প্রথম বলেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন।

শেষ ৫ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৬৩ রান। ১৬তম ওভারে উইজা মাত্র ৪ রান দিয়ে ১টি উইকেট তুলে নেন সোহেল তানভীরের। তিনি ৪ ওভার বোলিং করে মাত্র ২৭ রান খরচ করে ৩ উইকেট নেন।

১৯তম ওভারে শাহিন আফ্রিদি ৩য় ও ৪র্থ বলে খুশদিল ও ইলিয়াসের উইকেট তুলে নিলে খেলা আক্ষরিক অর্থে শেষ হয়ে যায়।

শেষ ওভারের প্রথম বলে দিলবারের বলে ইমরান তাহির আউট হলে শেষ পর্যন্ত ২৫ রানের জয়ে ফাইনালে তামিমের লাহোর ।

২৫ রানের জয়ে ফাইনালে তামিমের লাহোর

আপডেট সময় : ০১:৪২:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ নভেম্বর ২০২০

এলিমিনেটরের ২য় ম্যাচে মুলতান সুলতান’স এর সাথে ২৫ রানের জয়ে ফাইনালে তামিমের লাহোর কালান্দার্স। আগামী মঙ্গলবার রাত ৯ টায় ফাইনালে মুখোমুখি হবে বাবর আজমের করাচি কিংস এর সাথে।

প্রথমে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় মুলতান সুলতানসের অধিনায়ক শান মাসুদ। তবে শুরু টা ভালো হয়নি তাদের। দ্রুত রান তোলা শুরু করে তামিম।

ম্যাচের ৫ম ওভারের ৫ম বলে জুনায়েদ খানের বলে খুশদিলের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। সাজঘরে আসার আগে ২০ বলে ৩০ রানের ইনিংস খেলেন, যেখানে ৫ টি বাউন্ডারি ছিল। তার বিদায়ের পর ক্রিজে আসে অধিনায়ক সোহাইল আখতার। দ্রুত আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। ৪৫ রানে উইকেট শুন্য থাকার পর ৫৪ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পরে লাহোর। এরপর ফাখার জামান ও মোহাম্মদ হাফিজ এসে চাপ সামাল দেন। ২ জন মিলে গড়েন ৪০ রানের জুটি। আগের ম্যাচের সেরা প্লেয়ার হাফিজ এই ম্যাচে ওয়ানডে মেজাজে ২১ বলে ১৯ রান করে আফ্রিদির বলে লিথের হাতে ক্যাচ আউট হয়।

১৮২ রান সংগ্রহ করেছে লাহোর কালান্দার্স

তবে শেষ দিকে এসে অসাধারণ এক পার্টনারশিপ গড়েন ডেভিড উইজা ও সামিথ প্যাটেল। উইজা শেষ পর্যন্ত ২১ বলে ৪৮ রানে অপরাজিত থাকে এবং শেষ পর্যন্ত লাহোরের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১৮২ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলো মুলতান সুলতানসের ব্যাটসম্যানরা। যদিও রান করেছে অ্যাডাম লিথ একাই। ৪.২ ওভারে প্রথম উইকেট হিসেবে জিসান আশরাফ বিদায় নিলেও তিনি করেন মাত্র ৯ বলে ১২ রান।

তবে অপর প্রান্তে তাণ্ডব চালান অ্যাডাম লিথ।
২৮ বলে তুলে নেন ফিফটি। তবে ফিফটি করার পরের বলেই আউট হয়ে যান তিনি।
লিথ যখন বিদায় নেন তখন দলের সংগ্রহ ছিল ৮.৩ ওভারে ৮০ রান ২ উইকেট হারিয়ে।
দিলবার হুসাইনের বলে বেন ডাংকের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন শান।
একটা সময় ভালো অবস্থানে ছিল মুলতান সুলতান’স কিন্তু লিথের উইকেটই যেন সব পালটে দেয়। ৭৯-১ থেকে ১১৬-৬ উইকেট, অর্থাৎ পরবর্তী ৩৭ রানে হারায় ৫ উইকেট এবং এই রান তুলতে খরচ করেন ৩২ বল। রুশো করে ১৮ বলে ১৮ রান, বোপারা ২ বলে ১ রান ও আফ্রিদি অবসর থেকে ফিরে এসে প্রথম বলেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন।

শেষ ৫ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৬৩ রান। ১৬তম ওভারে উইজা মাত্র ৪ রান দিয়ে ১টি উইকেট তুলে নেন সোহেল তানভীরের। তিনি ৪ ওভার বোলিং করে মাত্র ২৭ রান খরচ করে ৩ উইকেট নেন।

১৯তম ওভারে শাহিন আফ্রিদি ৩য় ও ৪র্থ বলে খুশদিল ও ইলিয়াসের উইকেট তুলে নিলে খেলা আক্ষরিক অর্থে শেষ হয়ে যায়।

শেষ ওভারের প্রথম বলে দিলবারের বলে ইমরান তাহির আউট হলে শেষ পর্যন্ত ২৫ রানের জয়ে ফাইনালে তামিমের লাহোর ।