ঢাকা ০৯:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে একমঞ্চে জনগণের মুখোমুখি ১০ প্রার্থী Logo পানছড়িতে ধানের শীষের সমর্থনে শ্রমিক দলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo শেরপুরে জামায়াত–বিএনপি সংঘর্ষে নিহত-১, আহত অন্তত-৪ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীর বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ-এয়াকুব আলী Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০২:১৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ মে ২০২১
  • / ১০৪৯ বার পড়া হয়েছে

যেকোনো মানুষের জন্য বাড়তি ওজন ক্ষতিকর। স্থূলতা কমাতে ডায়েট, খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন, নিয়মিত ব্যায়ামের বিকল্প নেই। কিছু ফল রয়েছে যা ওজন কমানোর এই পথকে আরো সহজ করে দেয়।

ফল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে খুবই উপকারী। প্রতিটি মানুষের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যেকোনো ধরনের একটি ফল অবশ্যই থাকা উচিৎ। ফল খাওয়ার উপকারিতাগুলো যেকোনো বয়সের যে কারোর জন্যে দারুণ। প্রতিদিন চার বার ফল খেলে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের মাত্রা কমে যায়। আর এভাবেই ওজন কমাতে সাহায্য করে ফল। আর নির্দিষ্ট কিছু ফল এক্ষেত্রে বেশি উপকারী। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক তেমন কিছু ফল সম্পর্কে-

ক্যাপসিকাম
প্রতিদিন ক্যাপসিকাম খাওয়া হলে তা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। ক্যাপসাইসিন দেহের বাদামি ও জমাট চর্বিকে শক্তি হিসেবে পোড়াতে শ্বেত রক্তকণিকাকে অনুপ্রাণিত করে।

[irp]

তরমুজ
মিনারেল সমৃদ্ধ ফল হিসেবে পরিচিত। এর ক্যালোরির পরিমাণও কম। এক কাপ অর্থাৎ ১৫০ থেকে ১৬০ গ্রাম তরমুজ থেকে মিলবে মাত্র ৪৬ থেকে ৬১ ক্যালোরি। ক্যালোরি কম হলেও এতে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় আঁশ, পটাশিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন- ভিটামিন সি, বেটাক্যারোটিন এবং লাইকোপেন। আর এর শর্করা ধীরে রক্তে মিশে। ফলে অন্যান্য খাবার খাওয়ার চাহিদা কমায়।

আপেল
আপেল উচ্চ আঁশ এবং ফ্লাভানয়েড পলিমারস সমৃদ্ধ, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পেতে খোসাসহ আপেল খাওয়া উচিত। এটা রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে। রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকলে তা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস হওয়া থেকে রক্ষা করে।

কমলা
অন্যান্য টক ফলের মতো কমলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এবং ক্যালোরি কম। আর এটা অনেক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। তবে মনে রাখতে হবে রস করে খাওয়ার চাইতে আস্ত কমলা খাওয়া বেশি উপকারী।

কলা
উচ্চ মাত্রায় ক্যালোরি ও শর্করা থাকার কারণে ওজন কমাতে গিয়ে অনেকেই কলা খাওয়া এড়িয়ে যান। তবে ক্যালোরি বেশি হলেও এই ফলে আরো রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আঁশ, বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন এ, বি-সিক্স এবং সি। এই ফলের শর্করাও শরীরে ধীরে শোষিত হয়। তাই বিভিন্ন পুষ্টি উপাদনে ভরপুর কলা দেহের ওজন কম রাখতে সাহায্য করে।

নাশপাতি
বৃটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, নাশপাতি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে কারণ এতে আছে ফ্লাভানয়েড পলিমারস। প্রতি ১৩৮ মি.গ্রা. বাড়তি ফ্লাভানয়েড পলিমারস ওজন কম হারে বাড়ায়। তাই, যারা ওজন কমাতে চায় তাদের ফ্লাভানয়েড সমৃদ্ধ ফল খাওয়া উচিত। খোসাসহ খাওয়া হলে এর আঁশ দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। ফলে এলোমেলো খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা যায়।

স্ট্রবেরি
ব্লুবেরি বা স্ট্রবেরি এই ধরনের ফলে ক্যালোরির মাত্রা কম কিন্তু অন্যান্য পুষ্টিগুণ অনেক। আমাদের দেশে ব্লুবেরি সহজলভ্য না হলেও স্ট্রবেরি পাওয়া যায়। এক কাপ বা ১৫২ গ্রাম স্ট্রবেরিতে ৫০-এর কম ক্যালোরি থাকে।

পেয়ারা
উচ্চ ফাইবার যুক্ত এই ফল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে যেমন কাজে আসে, তেমনই এর গ্লাইসেমিক রেট নিম্ন মানের হওয়ায় ওজন কমাতে খুবই কার্যকর। একটি মাঝারি মাপের পেয়ারায় থাকে ৩৭ ক্যালোরি। এই ফল থেকে একটুও কোলেস্টেরল পাওয়া যায় না। তাই ওজন কমাতে এই ফলের ওপর আস্থা রাখেন পুষ্টিবিদরা

ট্যাগস :

আপডেট সময় : ০২:১৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ মে ২০২১

যেকোনো মানুষের জন্য বাড়তি ওজন ক্ষতিকর। স্থূলতা কমাতে ডায়েট, খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন, নিয়মিত ব্যায়ামের বিকল্প নেই। কিছু ফল রয়েছে যা ওজন কমানোর এই পথকে আরো সহজ করে দেয়।

ফল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে খুবই উপকারী। প্রতিটি মানুষের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যেকোনো ধরনের একটি ফল অবশ্যই থাকা উচিৎ। ফল খাওয়ার উপকারিতাগুলো যেকোনো বয়সের যে কারোর জন্যে দারুণ। প্রতিদিন চার বার ফল খেলে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের মাত্রা কমে যায়। আর এভাবেই ওজন কমাতে সাহায্য করে ফল। আর নির্দিষ্ট কিছু ফল এক্ষেত্রে বেশি উপকারী। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক তেমন কিছু ফল সম্পর্কে-

ক্যাপসিকাম
প্রতিদিন ক্যাপসিকাম খাওয়া হলে তা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। ক্যাপসাইসিন দেহের বাদামি ও জমাট চর্বিকে শক্তি হিসেবে পোড়াতে শ্বেত রক্তকণিকাকে অনুপ্রাণিত করে।

[irp]

তরমুজ
মিনারেল সমৃদ্ধ ফল হিসেবে পরিচিত। এর ক্যালোরির পরিমাণও কম। এক কাপ অর্থাৎ ১৫০ থেকে ১৬০ গ্রাম তরমুজ থেকে মিলবে মাত্র ৪৬ থেকে ৬১ ক্যালোরি। ক্যালোরি কম হলেও এতে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় আঁশ, পটাশিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন- ভিটামিন সি, বেটাক্যারোটিন এবং লাইকোপেন। আর এর শর্করা ধীরে রক্তে মিশে। ফলে অন্যান্য খাবার খাওয়ার চাহিদা কমায়।

আপেল
আপেল উচ্চ আঁশ এবং ফ্লাভানয়েড পলিমারস সমৃদ্ধ, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পেতে খোসাসহ আপেল খাওয়া উচিত। এটা রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে। রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকলে তা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস হওয়া থেকে রক্ষা করে।

কমলা
অন্যান্য টক ফলের মতো কমলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এবং ক্যালোরি কম। আর এটা অনেক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। তবে মনে রাখতে হবে রস করে খাওয়ার চাইতে আস্ত কমলা খাওয়া বেশি উপকারী।

কলা
উচ্চ মাত্রায় ক্যালোরি ও শর্করা থাকার কারণে ওজন কমাতে গিয়ে অনেকেই কলা খাওয়া এড়িয়ে যান। তবে ক্যালোরি বেশি হলেও এই ফলে আরো রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আঁশ, বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন এ, বি-সিক্স এবং সি। এই ফলের শর্করাও শরীরে ধীরে শোষিত হয়। তাই বিভিন্ন পুষ্টি উপাদনে ভরপুর কলা দেহের ওজন কম রাখতে সাহায্য করে।

নাশপাতি
বৃটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, নাশপাতি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে কারণ এতে আছে ফ্লাভানয়েড পলিমারস। প্রতি ১৩৮ মি.গ্রা. বাড়তি ফ্লাভানয়েড পলিমারস ওজন কম হারে বাড়ায়। তাই, যারা ওজন কমাতে চায় তাদের ফ্লাভানয়েড সমৃদ্ধ ফল খাওয়া উচিত। খোসাসহ খাওয়া হলে এর আঁশ দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। ফলে এলোমেলো খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা যায়।

স্ট্রবেরি
ব্লুবেরি বা স্ট্রবেরি এই ধরনের ফলে ক্যালোরির মাত্রা কম কিন্তু অন্যান্য পুষ্টিগুণ অনেক। আমাদের দেশে ব্লুবেরি সহজলভ্য না হলেও স্ট্রবেরি পাওয়া যায়। এক কাপ বা ১৫২ গ্রাম স্ট্রবেরিতে ৫০-এর কম ক্যালোরি থাকে।

পেয়ারা
উচ্চ ফাইবার যুক্ত এই ফল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে যেমন কাজে আসে, তেমনই এর গ্লাইসেমিক রেট নিম্ন মানের হওয়ায় ওজন কমাতে খুবই কার্যকর। একটি মাঝারি মাপের পেয়ারায় থাকে ৩৭ ক্যালোরি। এই ফল থেকে একটুও কোলেস্টেরল পাওয়া যায় না। তাই ওজন কমাতে এই ফলের ওপর আস্থা রাখেন পুষ্টিবিদরা