ঢাকা ০৪:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo বেয়াইয়ের সাথে সঙ্গম: অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বিয়াইনের মৃত্যু Logo আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে: তথ্য উপদেষ্টা Logo ভারতে বাংলাদেশি আঞ্চলিক সশস্ত্র কমান্ডার আটক, দুই সহযোগী পলাতক Logo চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি ক্যাব চট্টগ্রামের Logo পার্বত্য চট্টগ্রাম শরণার্থী পুনর্বাসন টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হলেন ডা. স্বপন কুমার চাকমা Logo রোয়াংছড়িতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত Logo পানছড়িতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস/২৬ উদযাপিত Logo হামলার ফুটেজ না দেওয়ায় সিসিটিভির হার্ডডিক্স খুলে নিলেন সাংবাদিকরা Logo রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ছাত্রদলের তদন্ত কমিটি গঠন Logo নতুন কারা মহাপরিদর্শক হলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ারুল কবীর

সিডনি কার ভারত না অস্ট্রেলিয়ার?

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৯:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২১
  • / ১১৭৫ বার পড়া হয়েছে
ক্রীড়া ডেস্ক:ভারত ছন্দে আছে। কিন্তু তাদের ভাবাচ্ছে সিডনির রেকর্ড। এই মাঠে একটা মাত্র টেস্ট জিতেছে তারা। সেই জয়টাও ৪২ বছর আগের। এরপর সিডনিতে আরও ১১টি টেস্ট খেলেছে ভারত। হেরেছে ৫টি। ড্র হয়েছে ২০১৮-১৯ সিরিজের ম্যাচটিসহ ৬টি।অবশ্য রেকর্ড মানেই তো ইতিহাস। আজ থেকে শুরু সিডনি টেস্টে তা স্রেফ পরিসংখ্যান ছাড়া কিছু নয়। দুই অধিনায়কই জানেন মাঠের খেলায় সেই পরিসংখ্যানের প্রভাব থাকবে না। প্রভাব থাকবে রোহিত শর্মা এবং ডেভিড ওয়ার্নারের দলে ফেরার। ২০১৯-এর ২২ নভেম্বর বাংলাদেশের বিপক্ষে কলকাতা টেস্টের পর সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ফিরছেন রোহিত। গত বছরের শুরুতে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে দুই টেস্ট এবং চলমান সিরিজের প্রথম দুই টেস্টে ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি রোহিত। ‘রোহিত আসায় দলের ভারসাম্য আরও বাড়ল। এখানে যোগ দেওয়ার পরেই মেলবোর্নে অনুশীলন শুরু করে দিয়েছিল রোহিত। ইতিমধ্যেই ৭-৮ সেশন ব্যাট করেছে। গত কয়েকটা টেস্ট সিরিজে ওপেন করেছে রোহিত। তাই সিডনিতেও রোহিত টপ অর্ডারে ব্যাটিং করবে।’ অস্ট্রেলিয়াও কিন্তু ডেভিড ওয়ার্নারকে ওপেনার হিসেবে ধরেই দল সাজাচ্ছে। সেক্ষেত্রে গত টেস্টে ওপেন করা ম্যাথু ওয়েড নেমে যাবেন মিডল অর্ডারে।ঐতিহ্যগতভাবে সিডনির উইকেটে স্পিনাররা সাহায্য পান। কিন্তু স্টিভেন স্মিথ-মারনাস লাবুশেনদের যেভাবে আউট করেছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন তাতে প্রথাগত উইকেটে বদল আনার চিন্তাভাবনা শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়া। সিডনিতেও গতি এবং বাউন্সি উইকেট পেতে চাচ্ছে তারা। এসসিজির পিচ কিউরেটর অ্যাডাম লুইস জানিয়েছেন, ‘আবহাওয়া আমাদের চিন্তায় রেখেছে। অনেক পরিশ্রম করে আমরা এই উইকেট বানাতে পেরেছি। এই ম্যাচ এখন আমাদের কাছে ফাইনাল ম্যাচের মতো। এটা আমাদের কাছে বিরাট বড় মঞ্চ। নিউ সাউথ ওয়েলস প্রশাসন ও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া আমাদের এই টেস্ট উপহার হিসেবে দিয়েছে। আমরা আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে আমাদের কাজ করেছি। উইকেট রোল করা হয়েছে। এটা ভালো পেস এবং বাউন্সি উইকেট হবে।’

প্যাট কামিন্স আর জশ হ্যাজেলউডের পেস আর বাউন্সে প্রথম টেস্টে বিধ্বস্ত হয়েছিল ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসে তারা মাত্র ৩৬ রানে অল আউট হয়। এরপর মেলবোর্ন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ান পেসারদের গতির বিরুদ্ধে লড়াই করে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত। ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রাহানে সেঞ্চুরি করেন। তার চেয়েও বড় কথা জাসপ্রিত বুমরাহ আর মোহাম্মদ সিরাজের গতির আগুনে নিজেরাই ছারখার হয় অস্ট্রেলিয়া। এবার সেই দুজনের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন নবদীপ সাইনি। কাজেই পেস ডিপার্টমেন্টেই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সমানে সমান লড়াই দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ভারত।

সিরিজ এখন ১-১ অবস্থায়। এখান থেকে সিডনি টেস্ট জিতে সিরিজে এগিয়ে যেতে মরিয়া অস্ট্রেলিয়া। অধিনায়ক টিম পেইন বলেছেন, ‘কোথায় চতুর্থ টেস্ট খেলা হবে, সেটা নিয়ে আমরা একেবারেই ভাবছি না। যদি আমাদের ফোন করে বলা হয় ম্যাচটা মুম্বাইয়ে হবে তাহলেও আপত্তি নেই। আমরা সেভাবেই পরিকল্পনা করব এবং গিয়ে ম্যাচটা খেলে আসব। আপাতত আমাদের লক্ষ্য শুধুই সিডনির ম্যাচ। আমরা প্রটোকলের ব্যাপারে জানি। এটাও জানি সমর্থকরা আমাদের থেকে কী আশা করে। তারপরে সামনের সপ্তাহে কী হবে সেটা দেখা যাবে।’

ট্যাগস :

সিডনি কার ভারত না অস্ট্রেলিয়ার?

আপডেট সময় : ০৪:৩৯:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২১
ক্রীড়া ডেস্ক:ভারত ছন্দে আছে। কিন্তু তাদের ভাবাচ্ছে সিডনির রেকর্ড। এই মাঠে একটা মাত্র টেস্ট জিতেছে তারা। সেই জয়টাও ৪২ বছর আগের। এরপর সিডনিতে আরও ১১টি টেস্ট খেলেছে ভারত। হেরেছে ৫টি। ড্র হয়েছে ২০১৮-১৯ সিরিজের ম্যাচটিসহ ৬টি।অবশ্য রেকর্ড মানেই তো ইতিহাস। আজ থেকে শুরু সিডনি টেস্টে তা স্রেফ পরিসংখ্যান ছাড়া কিছু নয়। দুই অধিনায়কই জানেন মাঠের খেলায় সেই পরিসংখ্যানের প্রভাব থাকবে না। প্রভাব থাকবে রোহিত শর্মা এবং ডেভিড ওয়ার্নারের দলে ফেরার। ২০১৯-এর ২২ নভেম্বর বাংলাদেশের বিপক্ষে কলকাতা টেস্টের পর সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ফিরছেন রোহিত। গত বছরের শুরুতে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে দুই টেস্ট এবং চলমান সিরিজের প্রথম দুই টেস্টে ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি রোহিত। ‘রোহিত আসায় দলের ভারসাম্য আরও বাড়ল। এখানে যোগ দেওয়ার পরেই মেলবোর্নে অনুশীলন শুরু করে দিয়েছিল রোহিত। ইতিমধ্যেই ৭-৮ সেশন ব্যাট করেছে। গত কয়েকটা টেস্ট সিরিজে ওপেন করেছে রোহিত। তাই সিডনিতেও রোহিত টপ অর্ডারে ব্যাটিং করবে।’ অস্ট্রেলিয়াও কিন্তু ডেভিড ওয়ার্নারকে ওপেনার হিসেবে ধরেই দল সাজাচ্ছে। সেক্ষেত্রে গত টেস্টে ওপেন করা ম্যাথু ওয়েড নেমে যাবেন মিডল অর্ডারে।ঐতিহ্যগতভাবে সিডনির উইকেটে স্পিনাররা সাহায্য পান। কিন্তু স্টিভেন স্মিথ-মারনাস লাবুশেনদের যেভাবে আউট করেছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন তাতে প্রথাগত উইকেটে বদল আনার চিন্তাভাবনা শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়া। সিডনিতেও গতি এবং বাউন্সি উইকেট পেতে চাচ্ছে তারা। এসসিজির পিচ কিউরেটর অ্যাডাম লুইস জানিয়েছেন, ‘আবহাওয়া আমাদের চিন্তায় রেখেছে। অনেক পরিশ্রম করে আমরা এই উইকেট বানাতে পেরেছি। এই ম্যাচ এখন আমাদের কাছে ফাইনাল ম্যাচের মতো। এটা আমাদের কাছে বিরাট বড় মঞ্চ। নিউ সাউথ ওয়েলস প্রশাসন ও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া আমাদের এই টেস্ট উপহার হিসেবে দিয়েছে। আমরা আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে আমাদের কাজ করেছি। উইকেট রোল করা হয়েছে। এটা ভালো পেস এবং বাউন্সি উইকেট হবে।’

প্যাট কামিন্স আর জশ হ্যাজেলউডের পেস আর বাউন্সে প্রথম টেস্টে বিধ্বস্ত হয়েছিল ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসে তারা মাত্র ৩৬ রানে অল আউট হয়। এরপর মেলবোর্ন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ান পেসারদের গতির বিরুদ্ধে লড়াই করে জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত। ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক রাহানে সেঞ্চুরি করেন। তার চেয়েও বড় কথা জাসপ্রিত বুমরাহ আর মোহাম্মদ সিরাজের গতির আগুনে নিজেরাই ছারখার হয় অস্ট্রেলিয়া। এবার সেই দুজনের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন নবদীপ সাইনি। কাজেই পেস ডিপার্টমেন্টেই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সমানে সমান লড়াই দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ভারত।

সিরিজ এখন ১-১ অবস্থায়। এখান থেকে সিডনি টেস্ট জিতে সিরিজে এগিয়ে যেতে মরিয়া অস্ট্রেলিয়া। অধিনায়ক টিম পেইন বলেছেন, ‘কোথায় চতুর্থ টেস্ট খেলা হবে, সেটা নিয়ে আমরা একেবারেই ভাবছি না। যদি আমাদের ফোন করে বলা হয় ম্যাচটা মুম্বাইয়ে হবে তাহলেও আপত্তি নেই। আমরা সেভাবেই পরিকল্পনা করব এবং গিয়ে ম্যাচটা খেলে আসব। আপাতত আমাদের লক্ষ্য শুধুই সিডনির ম্যাচ। আমরা প্রটোকলের ব্যাপারে জানি। এটাও জানি সমর্থকরা আমাদের থেকে কী আশা করে। তারপরে সামনের সপ্তাহে কী হবে সেটা দেখা যাবে।’