ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo চোরাচালান মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি আইনশৃঙ্খলা কমিটি সদস্য Logo খাগড়াছড়িতে ৩ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি Logo পার্বত্য অঞ্চলের আবাসন ও বিদ্যুতে খাতে ২৭৮ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিলো এডিবি Logo শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করলো বাদী Logo স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতাকে ধরতে অভিযান: ওসির বদলি Logo ভারতের আর্শিবাদে ক্ষমতা দখল করে বসেছিল আওয়ামীলীগ Logo ইউনুচের শাসনে শিক্ষাঙ্গনে মব-সহিংসতা: তদন্তে আসছে জাতিসংঘ Logo বেয়াইয়ের সাথে সঙ্গম: অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বিয়াইনের মৃত্যু Logo আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে: তথ্য উপদেষ্টা Logo ভারতে বাংলাদেশি আঞ্চলিক সশস্ত্র কমান্ডার আটক, দুই সহযোগী পলাতক

দোহারে কারেন্ট জাল ও চায়না জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৮:১১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৩
  • / ১১২০ বার পড়া হয়েছে

দোহারে কারেন্ট জাল ও চায়না জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

 

ঢাকা জেলা দক্ষিণ প্রতিনিধিঃ

 

ঢাকার দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের মেঘুলা বাজারে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ‘চায়না জাল’ জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) সকাল সকাল আটটা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়। উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস. এম মুস্তাফিজুর রহমান এতথ্য নিশ্চিত করেন।

 

জানাযায়, চায়না ধোয়াইর তৈরির ১১টি দোকান ও ৫টি গোডাউনে একযোগে সাঁড়াশি অভিযান চালায় দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস.এম মুস্তাফিজুর রহমান ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের পাগলা স্টেশন কমান্ডার লেফট্যানেন্ট শামস সাদেকীনসহ বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের একটি বিশেষ দল। এসময় দোহারের মেঘুলা বাজারের দোকান ও গোডাউন থেকে আনুমানিক পাঁচ কোটি মিটার কারেন্ট জাল ও ১৭শ পিছ চায়না জাল জব্দ করা হয়।

 

সকাল আটটা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের মেঘুলা বাজারের ১১টি দোকানে ও ৫টি গোডাউনে এ অভিযান চালানো হয়। জব্দ কৃত চায়না জাল ও কারেন্ট জাল দুপুর তিনটায় দিকে নারিশা নদীর পাড়ে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই চায়না জাল ও কারেন্ট জাল নিষিদ্ধ তারপরও ব্যবসায়ীরা বিক্রি করে যাচ্ছে। এই মেঘুলা বাজার হচ্ছে চায়না জালের দ্বিতীয় স্থান প্রথম স্থান হচ্ছে জয়পাড়া। এ চায়না জাল ও কারেন্ট জাল এর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করলেও কেন বন্ধ হচ্ছে না সেটা আমরাও বুঝতে পারছিনা।

 

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুর রহমান জানান, আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ১১টি গোডাউনে তল্লাশি চালিয়ে  আনুমানিক ৫ কোটি মিটার নতুন কারেন্ট জাল ও ১৭শ পিস চাইনা দুয়ারি জাল জব্দ করা হয় এবং কারেন্ট জাল বিক্রির সাথে জড়িত ১ জন আটক করা হয়। পরবর্তীতে দোহার মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে আটককৃত ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। জব্দকৃত জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

 

দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস.এম মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন যাবত এ ধরণের জাল দিয়ে মাছ ধরার ফলে আমাদের মৎস্য সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে। কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযানের ফলে কারেন্ট জাল এখন কমে গেছে। কিন্তু ‘চায়না ধোয়াইর’একটি নতুন প্রযুক্তি। এটা ব্যবহারের ফলে মাছের পোনা থেকে শুরু করে ডিমও ধ্বংস হচ্ছে। এ ধরণের জাল ব্যবহার নিষিদ্ধ। দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এ ধরণের অভিযান চলমান থাকবে।

ট্যাগস :

দোহারে কারেন্ট জাল ও চায়না জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

আপডেট সময় : ০৮:১১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৩

দোহারে কারেন্ট জাল ও চায়না জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

 

ঢাকা জেলা দক্ষিণ প্রতিনিধিঃ

 

ঢাকার দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের মেঘুলা বাজারে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ‘চায়না জাল’ জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করেছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) সকাল সকাল আটটা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়। উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস. এম মুস্তাফিজুর রহমান এতথ্য নিশ্চিত করেন।

 

জানাযায়, চায়না ধোয়াইর তৈরির ১১টি দোকান ও ৫টি গোডাউনে একযোগে সাঁড়াশি অভিযান চালায় দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস.এম মুস্তাফিজুর রহমান ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের পাগলা স্টেশন কমান্ডার লেফট্যানেন্ট শামস সাদেকীনসহ বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের একটি বিশেষ দল। এসময় দোহারের মেঘুলা বাজারের দোকান ও গোডাউন থেকে আনুমানিক পাঁচ কোটি মিটার কারেন্ট জাল ও ১৭শ পিছ চায়না জাল জব্দ করা হয়।

 

সকাল আটটা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের মেঘুলা বাজারের ১১টি দোকানে ও ৫টি গোডাউনে এ অভিযান চালানো হয়। জব্দ কৃত চায়না জাল ও কারেন্ট জাল দুপুর তিনটায় দিকে নারিশা নদীর পাড়ে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই চায়না জাল ও কারেন্ট জাল নিষিদ্ধ তারপরও ব্যবসায়ীরা বিক্রি করে যাচ্ছে। এই মেঘুলা বাজার হচ্ছে চায়না জালের দ্বিতীয় স্থান প্রথম স্থান হচ্ছে জয়পাড়া। এ চায়না জাল ও কারেন্ট জাল এর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করলেও কেন বন্ধ হচ্ছে না সেটা আমরাও বুঝতে পারছিনা।

 

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুর রহমান জানান, আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ১১টি গোডাউনে তল্লাশি চালিয়ে  আনুমানিক ৫ কোটি মিটার নতুন কারেন্ট জাল ও ১৭শ পিস চাইনা দুয়ারি জাল জব্দ করা হয় এবং কারেন্ট জাল বিক্রির সাথে জড়িত ১ জন আটক করা হয়। পরবর্তীতে দোহার মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে আটককৃত ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। জব্দকৃত জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

 

দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস.এম মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন যাবত এ ধরণের জাল দিয়ে মাছ ধরার ফলে আমাদের মৎস্য সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে। কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযানের ফলে কারেন্ট জাল এখন কমে গেছে। কিন্তু ‘চায়না ধোয়াইর’একটি নতুন প্রযুক্তি। এটা ব্যবহারের ফলে মাছের পোনা থেকে শুরু করে ডিমও ধ্বংস হচ্ছে। এ ধরণের জাল ব্যবহার নিষিদ্ধ। দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এ ধরণের অভিযান চলমান থাকবে।