ঢাকা ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পড়া লেখায় অমনোযোগী হওয়ায় আবিরকে মারধর করতেন শিক্ষক আমিন-মুক্তা ধর

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৪:০৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩
  • / ১০৭৮ বার পড়া হয়েছে

পড়া লেখায় অমনোযোগী হওয়ায় আবিরকে মারধর করতেন শিক্ষক আমিন-মুক্তা ধর

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

খাগড়াছড়ি জেলা সদরের ভূয়াছড়িতে বায়তুল আমান হেফজখানায় শিক্ষার্থী আবির শিক্ষকের মারধরে মৃত্যুর ঘটনায় আটক আমিন হোসাইন হত্যার দায় প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে।

আজ মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মুক্তা ধর এ তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, পড়ালেখায় মনোযোগী না হওয়ায় প্রায় সময় নিহত আবিরকে নির্মমভাবে মারধর করতেন আমিন। ঘটনার আগের দিন এবং রোববারও তাকে মারধর করা হয়। আবিরের মৃত্যুর পর কুমিল্লা, ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়ান তিনি। সবশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে তাকে সোমবার রাতে চট্টগ্রামের চাদগাঁও থেকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, গত রোববার খাগড়াছড়ি সদরের ভুয়াছড়ির বায়তুল আমান হেফজখানায় মারধর করা হয় শিক্ষার্থী আবিরকে। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর মৃত জেনে মরদেহ রেখে পালিয়ে যায় আমিন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা সারোয়ার বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন-অর্থ) মাহমুদা বেগম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ তফিকুল আলম, খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি মোঃ আরিফুর রহমান, খাগড়াছড়ি ওসি ডিবি মোঃ শামসুজ্জামান পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ডিআই ওয়ান মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম প্রমূখ।

ট্যাগস :

পড়া লেখায় অমনোযোগী হওয়ায় আবিরকে মারধর করতেন শিক্ষক আমিন-মুক্তা ধর

আপডেট সময় : ০৪:০৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৩

পড়া লেখায় অমনোযোগী হওয়ায় আবিরকে মারধর করতেন শিক্ষক আমিন-মুক্তা ধর

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

খাগড়াছড়ি জেলা সদরের ভূয়াছড়িতে বায়তুল আমান হেফজখানায় শিক্ষার্থী আবির শিক্ষকের মারধরে মৃত্যুর ঘটনায় আটক আমিন হোসাইন হত্যার দায় প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে।

আজ মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মুক্তা ধর এ তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, পড়ালেখায় মনোযোগী না হওয়ায় প্রায় সময় নিহত আবিরকে নির্মমভাবে মারধর করতেন আমিন। ঘটনার আগের দিন এবং রোববারও তাকে মারধর করা হয়। আবিরের মৃত্যুর পর কুমিল্লা, ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়ান তিনি। সবশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে তাকে সোমবার রাতে চট্টগ্রামের চাদগাঁও থেকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, গত রোববার খাগড়াছড়ি সদরের ভুয়াছড়ির বায়তুল আমান হেফজখানায় মারধর করা হয় শিক্ষার্থী আবিরকে। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর মৃত জেনে মরদেহ রেখে পালিয়ে যায় আমিন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা সারোয়ার বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন-অর্থ) মাহমুদা বেগম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ তফিকুল আলম, খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি মোঃ আরিফুর রহমান, খাগড়াছড়ি ওসি ডিবি মোঃ শামসুজ্জামান পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ডিআই ওয়ান মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম প্রমূখ।