ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে একমঞ্চে জনগণের মুখোমুখি ১০ প্রার্থী Logo পানছড়িতে ধানের শীষের সমর্থনে শ্রমিক দলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo শেরপুরে জামায়াত–বিএনপি সংঘর্ষে নিহত-১, আহত অন্তত-৪ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীর বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ-এয়াকুব আলী Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার

মাদরাসা ছাত্রের ওপর শিক্ষকের এ কেমন বর্বরতা?

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৯:২৫:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪
  • / ১১০২ বার পড়া হয়েছে

মাদরাসা ছাত্রের ওপর শিক্ষকের এ কেমন বর্বরতা?

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

একদিন মাদরাসায় না যাওয়ায় অভিযোগে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে দারুল আযহার বাদাঘাট ক্যাডেট মাদরাসার এক শিক্ষক বেত দিয়ে বেধরকভাকে মারপিট করেছে ১৩ বছরের এক ছাত্রকে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের চিহ্ন নিয়ে নৌরভ হাসান নামে নামের ওই শিশুটিকে শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়েছে। নৌরভ উপজেলার কামড়াবন্দ গ্রামের বাসিন্দা নিজাম উদ্দিনের ছেলে।

মাদরাসা ছাত্রের বাবা নিজাম উদ্দিন জানান, ছেলেকে হাফেজ তৈরির আশায় ওই মাদরাসায় দেয়া হয়। সেখানে পড়াকালীন সময়ে সে মাদরাসায় অনুপস্থিত থাকত না, শুধু শুক্রবার রাতেই মাদরাসায় যায়নি। শুক্রবার রাতে সে মাদরাসায় না যাওয়ায় পরদিন শনিবার বেলা ১১টায় সে মাদরাসায় গেলে মাদরাসা শিক্ষক হাফেজ সায়েম তাকে বেত (জালিবেত) দিয়ে বেধরকভাবে পিঠিয়ে শরীরের দুই হাত-পা-পিঠে জখম করে মাদরাসায় তিন ঘন্টা আটকে রাখেন।

শনিবার বিকালে খবর পেয়ে তিনি মাদরাসায় গিয়ে দেখতে পান ছেলে কান্নাকাটি করছে। এ সময় তার কাছে শিক্ষকদের নির্যাতনের বর্ণনা শুনেন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ওই শিক্ষকের নির্যাতনের চিহ্ন দেখে দ্রত স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এ ব্যাপারে তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন বলে জানান।

এ ব্যাপারে শিশু নৌরভ জানান, মাদরাসার হাফেজ সায়েম হুজুরের মারপিঠের ভয়েই আমি শুক্রবার রাতে মাদরাসায় যাইনি। তিনি শুধু আমাকেই না প্রায়ই অনেক ছাত্রকেই বেধরকভাবে বেত দিয়ে মারপিঠ করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ সায়েম জানান, মাদরাসায় শুক্রবার রাতে না আসা ও পরদিন বিলম্ভে মাদরাসায় আসায় আমি রাগের মাথায় তাকে কিছুটা বেশী শাসন করেছি।

এ বিষয়ে তাহিরপুর থানার ওসি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন জানান , মাদরাসা ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে আমরা অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেব।

ট্যাগস :

মাদরাসা ছাত্রের ওপর শিক্ষকের এ কেমন বর্বরতা?

আপডেট সময় : ০৯:২৫:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪

মাদরাসা ছাত্রের ওপর শিক্ষকের এ কেমন বর্বরতা?

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

একদিন মাদরাসায় না যাওয়ায় অভিযোগে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে দারুল আযহার বাদাঘাট ক্যাডেট মাদরাসার এক শিক্ষক বেত দিয়ে বেধরকভাকে মারপিট করেছে ১৩ বছরের এক ছাত্রকে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের চিহ্ন নিয়ে নৌরভ হাসান নামে নামের ওই শিশুটিকে শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়েছে। নৌরভ উপজেলার কামড়াবন্দ গ্রামের বাসিন্দা নিজাম উদ্দিনের ছেলে।

মাদরাসা ছাত্রের বাবা নিজাম উদ্দিন জানান, ছেলেকে হাফেজ তৈরির আশায় ওই মাদরাসায় দেয়া হয়। সেখানে পড়াকালীন সময়ে সে মাদরাসায় অনুপস্থিত থাকত না, শুধু শুক্রবার রাতেই মাদরাসায় যায়নি। শুক্রবার রাতে সে মাদরাসায় না যাওয়ায় পরদিন শনিবার বেলা ১১টায় সে মাদরাসায় গেলে মাদরাসা শিক্ষক হাফেজ সায়েম তাকে বেত (জালিবেত) দিয়ে বেধরকভাবে পিঠিয়ে শরীরের দুই হাত-পা-পিঠে জখম করে মাদরাসায় তিন ঘন্টা আটকে রাখেন।

শনিবার বিকালে খবর পেয়ে তিনি মাদরাসায় গিয়ে দেখতে পান ছেলে কান্নাকাটি করছে। এ সময় তার কাছে শিক্ষকদের নির্যাতনের বর্ণনা শুনেন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ওই শিক্ষকের নির্যাতনের চিহ্ন দেখে দ্রত স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এ ব্যাপারে তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন বলে জানান।

এ ব্যাপারে শিশু নৌরভ জানান, মাদরাসার হাফেজ সায়েম হুজুরের মারপিঠের ভয়েই আমি শুক্রবার রাতে মাদরাসায় যাইনি। তিনি শুধু আমাকেই না প্রায়ই অনেক ছাত্রকেই বেধরকভাবে বেত দিয়ে মারপিঠ করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ সায়েম জানান, মাদরাসায় শুক্রবার রাতে না আসা ও পরদিন বিলম্ভে মাদরাসায় আসায় আমি রাগের মাথায় তাকে কিছুটা বেশী শাসন করেছি।

এ বিষয়ে তাহিরপুর থানার ওসি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন জানান , মাদরাসা ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে আমরা অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেব।