বাড়ি ভাঙচুর লুটপাট, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে বিএনপি
- আপডেট সময় : ১০:১৭:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
- / ১০৩০ বার পড়া হয়েছে
বাড়ি ভাঙচুর লুটপাট, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে বিএনপি
আস্থা ডেস্কঃ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার শিবু মার্কেট এলাকায় জমি সংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধের জের ধরে ফারুক হোসেন নামে এক ব্যক্তির বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে জেলা বিএনপি।
সোমবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ নেতৃত্বে ফতুল্লা থানা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল বারী ভুঁইয়া, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনিসহ স্থানীয় বিএনপির নেতারা।
এ সময় মামুন মাহমুদ বলেন, বাড়ি ভাঙচুরের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অবগত হয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ককে নির্দেশ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে গিয়ে দাঁড়ানোর জন্য। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ে এসেছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার যাতে ভাঙচুর হওয়া ভবনটি দ্রুত মেরামত করে বসবাস করতে পারে সে ব্যাপারে জেলা পরিষদের ফান্ড থেকে একটি অনুদান ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, যারা অপরাধ করেছে তাদের সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো নিউজ করার আগে ভালো করে তদন্ত করে দেখতে মিডিয়ার প্রতি অনুরোধ করেন মামুন মাহমুদ।
তিনি আরও বলেন, বাড়ি ভাঙচুর করা একটি ফৌজদারি অপরাধ। এ বিষয়ে মামলা হয়েছে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় যদি পুলিশের কোনো গাফিলতি থাকে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ সুপারকে অনুরোধ করা হবে।
উল্লেখ্য, ফতুল্লার শিবু মার্কেট এলাকায় প্রায় সাত শতাংশ জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন ফারুক হোসেন নামে এক ব্যক্তি। কিন্তু ২০১৬ সালে ওই জমিতে ভাগ আছে বলে দাবি করেন তার জেঠাতো ভাই। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। জমির বিরোধ নিয়ে আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে।
এ বিরোধের জের ধরে গত ২০ মার্চ ভোরে ফারুক হোসেনের জেঠাত ভাই রুবেল, আনিসসহ অর্ধশতাধিক লোকজন দেশীয় অস্ত্র, রামদা, চাপাটি, লাঠিসোটা, রড, হাতুড়ি দিয়ে তাদের থাকার ঘর ভাঙচুর করে। এ সময় পানির মোটর, নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়।
এবিষয়ে ভুক্তভোগীর পরিবার ৯৯৯ নম্বরে কল করলে পরে ফতুল্লা থানা থেকে পুলিশ পাঠানো হয়। প্রায় ৩ ঘণ্টা পর পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। এ ঘটনায় ফতুল্লা থানায় মামলা হয়েছে।
দৈনিক আস্থা/এমএইচ



















