ঢাকা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের কাছে থাকতে পারে ইএমপি বোমা

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১১:৪১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
  • / ১০৯৯ বার পড়া হয়েছে

ইরানের কাছে থাকতে পারে ইএমপি বোমা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ইরানের কাছে পারমাণবিক বোমা না থাকলেও থাকতে পারে এক নীরব যুদ্ধের অস্ত্র। যা ইরানের বক্তব্যের সাথে প্রায় মিলে যাচ্ছে।

ইরান বলেছে, তাদের বিদ্যুত সেক্টরে হামলা হলে ৩০ মিনিটের মধ্যে পুরো মধ্যপ্রচ্যের বিদ্যুত ব্যবস্থা অচল করে দিবে।

আর এই কাজ সহজেই করতে পারে EMP বোমা। তাদের হাতে EMP বোমা থাকতে পারে, তবে তারা তা স্বীকার করেনি। যা তারা চীনের সহযোগিতায় আয়ত্ত করেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

EMP (ইলেকট্রোম্যাগনেটিক পালস) হলো এমন এক ধরনের শক্তিশালী তড়িৎ‑চৌম্বকীয় তরঙ্গ, যার প্রভাবে বিস্ফোরণের পরপরই পুরো এলাকার আধুনিক ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা অচল হয়ে যায়। মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যায়। বিমান চলাচল ও রাডার সিস্টেম ঝুঁকির মুখে পড়ে। ফ্রিজ, টিভি, রাউটার, ইনভার্টার নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

বিদ্যুৎ গ্রিড বিকল হয়ে শহর অন্ধকারে ডুবে যেতে পারে। তবে মানুষের কোন ক্ষতি করেনা। যা খামেনির পরিকল্পনার সাথে মিলে যাচ্ছে কারণ খামেনি চাননি গণবিদ্ধংসী অস্ত্র তৈরি হোক।

পারমাণবিক বিস্ফোরণ ছাড়াই একটি দেশকে ডিজিটালি ও অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে EMP বোমা—এ কারণেই একে বলা হয় “নীরব যুদ্ধের অস্ত্র”।

তবে ইরানের হাতে যদি সত্যি এই বোমা থাকে এবং ইরান যদি এটা দিয়ে হামলা করে তবে পৃথিবী পরমানু যুদ্ধের আরো কাছে চলে যেতে পারে।

এছাড়াও ইরানের নতুন আবিস্কারে রয়েছে হিট সেন্সর প্রযুক্তি। যা এইমাত্র চীন, রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়া ইরানের হিট-সেন্সর (তাপ শনাক্তকারী) অস্ত্র প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে বা সেটি অনুকরণ করার চেষ্টা করছে, যা ব্যবহার করে মার্কিন F-35, F-16, F-22 র‍্যাপ্টর এবং B-52 বোমারু বিমান ভূপাতিত করা সম্ভব বলে দাবি করা হচ্ছে।

ইরান দাবি করছে, তারা বিশ্বের প্রথম দেশ যারা আমেরিকার সব ধরনের আকাশযান যেমন যুদ্ধবিমান, রাডার বা লেজার-নির্দেশিত অস্ত্র—সফলভাবে আঘাত করতে পেরেছে।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

ইরানের কাছে থাকতে পারে ইএমপি বোমা

আপডেট সময় : ১১:৪১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

ইরানের কাছে থাকতে পারে ইএমপি বোমা

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ইরানের কাছে পারমাণবিক বোমা না থাকলেও থাকতে পারে এক নীরব যুদ্ধের অস্ত্র। যা ইরানের বক্তব্যের সাথে প্রায় মিলে যাচ্ছে।

ইরান বলেছে, তাদের বিদ্যুত সেক্টরে হামলা হলে ৩০ মিনিটের মধ্যে পুরো মধ্যপ্রচ্যের বিদ্যুত ব্যবস্থা অচল করে দিবে।

আর এই কাজ সহজেই করতে পারে EMP বোমা। তাদের হাতে EMP বোমা থাকতে পারে, তবে তারা তা স্বীকার করেনি। যা তারা চীনের সহযোগিতায় আয়ত্ত করেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

EMP (ইলেকট্রোম্যাগনেটিক পালস) হলো এমন এক ধরনের শক্তিশালী তড়িৎ‑চৌম্বকীয় তরঙ্গ, যার প্রভাবে বিস্ফোরণের পরপরই পুরো এলাকার আধুনিক ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা অচল হয়ে যায়। মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যায়। বিমান চলাচল ও রাডার সিস্টেম ঝুঁকির মুখে পড়ে। ফ্রিজ, টিভি, রাউটার, ইনভার্টার নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

বিদ্যুৎ গ্রিড বিকল হয়ে শহর অন্ধকারে ডুবে যেতে পারে। তবে মানুষের কোন ক্ষতি করেনা। যা খামেনির পরিকল্পনার সাথে মিলে যাচ্ছে কারণ খামেনি চাননি গণবিদ্ধংসী অস্ত্র তৈরি হোক।

পারমাণবিক বিস্ফোরণ ছাড়াই একটি দেশকে ডিজিটালি ও অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে EMP বোমা—এ কারণেই একে বলা হয় “নীরব যুদ্ধের অস্ত্র”।

তবে ইরানের হাতে যদি সত্যি এই বোমা থাকে এবং ইরান যদি এটা দিয়ে হামলা করে তবে পৃথিবী পরমানু যুদ্ধের আরো কাছে চলে যেতে পারে।

এছাড়াও ইরানের নতুন আবিস্কারে রয়েছে হিট সেন্সর প্রযুক্তি। যা এইমাত্র চীন, রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়া ইরানের হিট-সেন্সর (তাপ শনাক্তকারী) অস্ত্র প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে বা সেটি অনুকরণ করার চেষ্টা করছে, যা ব্যবহার করে মার্কিন F-35, F-16, F-22 র‍্যাপ্টর এবং B-52 বোমারু বিমান ভূপাতিত করা সম্ভব বলে দাবি করা হচ্ছে।

ইরান দাবি করছে, তারা বিশ্বের প্রথম দেশ যারা আমেরিকার সব ধরনের আকাশযান যেমন যুদ্ধবিমান, রাডার বা লেজার-নির্দেশিত অস্ত্র—সফলভাবে আঘাত করতে পেরেছে।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ