ঢাকা ১১:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি: চূড়ান্ত ফলের অপেক্ষায় চাকরি প্রার্থীরা

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১১:১০:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • / ৯৯৭ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি: চূড়ান্ত ফলের অপেক্ষায় চাকরি প্রার্থীরা

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে খোলা চিঠি দিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অধীনে প্রদর্শক, গবেষণা সহকারী (কলেজ), সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম- ক্যাটালগার ও ল্যাবরেটরি সহকারীর ৬শ ১০ পদের চূড়ান্ত ফলাফল প্রত্যাশীরা।

শনিবার (৪ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ডাক যোগে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের ১০ অক্টোবর ২৮টি ক্যাটাগরিতে ৪ হাজার ৩২টি পদে নিযোগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। ৪টি ক্যাটাগরির (৬১০টি পদ) ছাড়া সকল পদের নিযোগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে ২০২৩ সালের ২২ আগস্ট।

অপর দিকে +মাউশি) ২০২১ সালের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে বিভিন্ন ধাপে এমসিকিউ টাইপ লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৪ সালের ২৪ এপ্রিল ফল প্রকাশ করে মাউশি। একই বছরের ৪ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির প্রায় ৬ বছর অতিক্রম করেছে, ভাইভার ২২ মাস পার হয়েছে তবে অজানা কারণে ফল প্রকাশিত হয়নি।

চিঠিতে ভুক্তভোগী চাকরিপ্রার্থীরা লিখেন, একই স্মারক নাম্বারে বাকি পদের প্রার্থীরা প্রায় আড়াই বছর ধরে বছর কর্মরত। তবে ৬শ ১০টি পদের চূড়ান্ত ফলাফল কর্তৃপক্ষ আটকে রেখেছে। ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর কোটা সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

পরের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের ২১ এপ্রিল ডিপিসি মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। প্রদর্শকসহ ৪ ক্যাটাগরির ফলাফল বর্তমানে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সংরক্ষিত রয়েছে। ফল প্রকাশের দাবিতে ২০২৫ সালে আমরণ অনশন করলেও কর্তৃপক্ষ ফলাফল প্রকাশে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

ফলাফলের অপেক্ষায় থাকা চাকরিপ্রার্থীরা আরও লিখেন, ২০২৫ সালের ১২ আগস্ট হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং ১১৯৩১/২০২৫ এর ভিত্তিতে ৩০ দিনের মধ্যে ফলাফল নিষ্পত্তি করার স্পষ্ট নির্দেশনা জারি করেন। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সাবেক সচিব রেহেনা পারভিন ফলাফল প্রকাশের অনুমতি দেন। তবে ২৮ সেপ্টেম্বর শিক্ষা সচিবের অনুমতি উপেক্ষিত করে ফলাফল আটকে রাখেন মাউশির কতিপয় কর্মকর্তারা।

রিট পিটিশন ১১৯৩১/২০২৫-এ দুর্নীতির কোন আলামত আছে নাকি সেটা জানতে ২০২৫ সালের ৭ অক্টোবর দুদকে আবেদন করা হয়। একই বছরের ২৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট দুদক এবং মাউশির বিরুদ্ধে ৯০ দিনের রুল জারি করে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করেন, আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে দুদক ২০২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি রিট পিটিশন নাম্বার-১১৯৩১-এ সাম্প্রতিক অভিযোগ সেলে দুর্নীতির আলামত জমা পড়েনি বলে লিখিতভাবে জানায়। ফলে মাউশি দুর্নীতির যে অভিযোগ এনেছে এটা ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হয়।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি: চূড়ান্ত ফলের অপেক্ষায় চাকরি প্রার্থীরা

আপডেট সময় : ১১:১০:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি: চূড়ান্ত ফলের অপেক্ষায় চাকরি প্রার্থীরা

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে খোলা চিঠি দিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অধীনে প্রদর্শক, গবেষণা সহকারী (কলেজ), সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম- ক্যাটালগার ও ল্যাবরেটরি সহকারীর ৬শ ১০ পদের চূড়ান্ত ফলাফল প্রত্যাশীরা।

শনিবার (৪ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ডাক যোগে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের ১০ অক্টোবর ২৮টি ক্যাটাগরিতে ৪ হাজার ৩২টি পদে নিযোগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। ৪টি ক্যাটাগরির (৬১০টি পদ) ছাড়া সকল পদের নিযোগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে ২০২৩ সালের ২২ আগস্ট।

অপর দিকে +মাউশি) ২০২১ সালের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে বিভিন্ন ধাপে এমসিকিউ টাইপ লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৪ সালের ২৪ এপ্রিল ফল প্রকাশ করে মাউশি। একই বছরের ৪ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির প্রায় ৬ বছর অতিক্রম করেছে, ভাইভার ২২ মাস পার হয়েছে তবে অজানা কারণে ফল প্রকাশিত হয়নি।

চিঠিতে ভুক্তভোগী চাকরিপ্রার্থীরা লিখেন, একই স্মারক নাম্বারে বাকি পদের প্রার্থীরা প্রায় আড়াই বছর ধরে বছর কর্মরত। তবে ৬শ ১০টি পদের চূড়ান্ত ফলাফল কর্তৃপক্ষ আটকে রেখেছে। ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর কোটা সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

পরের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের ২১ এপ্রিল ডিপিসি মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। প্রদর্শকসহ ৪ ক্যাটাগরির ফলাফল বর্তমানে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সংরক্ষিত রয়েছে। ফল প্রকাশের দাবিতে ২০২৫ সালে আমরণ অনশন করলেও কর্তৃপক্ষ ফলাফল প্রকাশে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

ফলাফলের অপেক্ষায় থাকা চাকরিপ্রার্থীরা আরও লিখেন, ২০২৫ সালের ১২ আগস্ট হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং ১১৯৩১/২০২৫ এর ভিত্তিতে ৩০ দিনের মধ্যে ফলাফল নিষ্পত্তি করার স্পষ্ট নির্দেশনা জারি করেন। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সাবেক সচিব রেহেনা পারভিন ফলাফল প্রকাশের অনুমতি দেন। তবে ২৮ সেপ্টেম্বর শিক্ষা সচিবের অনুমতি উপেক্ষিত করে ফলাফল আটকে রাখেন মাউশির কতিপয় কর্মকর্তারা।

রিট পিটিশন ১১৯৩১/২০২৫-এ দুর্নীতির কোন আলামত আছে নাকি সেটা জানতে ২০২৫ সালের ৭ অক্টোবর দুদকে আবেদন করা হয়। একই বছরের ২৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট দুদক এবং মাউশির বিরুদ্ধে ৯০ দিনের রুল জারি করে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করেন, আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে দুদক ২০২৬ সালের ২৭ জানুয়ারি রিট পিটিশন নাম্বার-১১৯৩১-এ সাম্প্রতিক অভিযোগ সেলে দুর্নীতির আলামত জমা পড়েনি বলে লিখিতভাবে জানায়। ফলে মাউশি দুর্নীতির যে অভিযোগ এনেছে এটা ভিত্তিহীন বলে প্রতীয়মান হয়।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ