ঢাকা ১২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোটায় চাকরি পেলেন জুলাইয়ে নিহত ও আহত ১০ পরিবার

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১১:১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১০১০ বার পড়া হয়েছে

কোটায় চাকরি পেলেন জুলাইয়ে নিহত ও আহত ১০ পরিবার

স্টাফ রিপোর্টারঃ

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে নিহত ও আহত পরিবারের ১০ সদস্য কোটায় চাকরি পেয়েছেন। তাদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে তাঁদের হাতে প্রধানমন্ত্রী চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন বলে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান।

নিয়োগপত্র পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন নিহত মোঃ সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, নিহত মোঃ শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, নিহত মোঃ আবদুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, নিহত মোঃ মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, নিহত মোঃ জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, নিহত মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, নিহত আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি এবং নিহত ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রাণী এবং আহত মোঃ আবদুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং আহত মোঃ জুলফিকার আলমের স্ত্রী মোছাৌ আরজু আক্তার।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মানুষের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরে বলেন, ‘এসব আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে দেশের মানুষ আরও ভালোভাবে বসবাস করতে পারবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যাঁদের আমরা হারিয়েছি, যাঁরা শারীরিকভাবে আহত হয়েছেন কিংবা অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের সবার আত্মত্যাগের পেছনে একটি আকাঙ্ক্ষা ছিল, সেটি হলো বাংলাদেশকে আরও ভালো করা।’

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

 

ট্যাগস :

কোটায় চাকরি পেলেন জুলাইয়ে নিহত ও আহত ১০ পরিবার

আপডেট সময় : ১১:১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

কোটায় চাকরি পেলেন জুলাইয়ে নিহত ও আহত ১০ পরিবার

স্টাফ রিপোর্টারঃ

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে নিহত ও আহত পরিবারের ১০ সদস্য কোটায় চাকরি পেয়েছেন। তাদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে তাঁদের হাতে প্রধানমন্ত্রী চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন বলে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান।

নিয়োগপত্র পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন নিহত মোঃ সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, নিহত মোঃ শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, নিহত মোঃ আবদুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, নিহত মোঃ মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, নিহত মোঃ জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, নিহত মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, নিহত আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি এবং নিহত ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রাণী এবং আহত মোঃ আবদুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং আহত মোঃ জুলফিকার আলমের স্ত্রী মোছাৌ আরজু আক্তার।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মানুষের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরে বলেন, ‘এসব আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে দেশের মানুষ আরও ভালোভাবে বসবাস করতে পারবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যাঁদের আমরা হারিয়েছি, যাঁরা শারীরিকভাবে আহত হয়েছেন কিংবা অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের সবার আত্মত্যাগের পেছনে একটি আকাঙ্ক্ষা ছিল, সেটি হলো বাংলাদেশকে আরও ভালো করা।’

দৈনিক আস্থা/এমএইচ