৫ অগাস্টের পর মুক্তি পাওয়া কে এই বোমারু মামুন? দুই
- আপডেট সময় : ১২:০০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
- / ৯৯৭ বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টারঃ
পুলিশের ভাষ্য, এরপর গত জুলাইতে সনাতন ধর্মীদের ‘উল্টো রথযাত্রার’ পথে মতিঝিল মেট্রো স্টেশনের নিচে ছাতার ভেতর ‘পাইপ বোমা’ ফেলে রাখা এবং আশুলিয়ার চারাবাগে চায়ের দোকানে প্রেশার কুকার বোমা ফেলে রাখার ঘটনাতেও মামুন-আরিফরা জড়িত বলে।
সবশেষ বুধবার সকালে সাভারের গোপেরবাড়ি লালটেক ঘোড়া মসজিদের সামনে একটি মাঠে পড়ে থাকা ড্রামের ভেতর থেকে আরেকটি ‘প্রেশার কুকার’ বোমা পাওয়ার কথা জানায় পুলিশ। মঙ্গলবার রাত থেকে নীল রঙের ড্রামটি সেখানে পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়েছিল।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আরিফকে আটকের পর সাভারের শ্যামপুরের তার আস্তানায় অভিযান চালায় পুলিশ। সন্ধ্যা থেকে বাড়িটি ঘিরে রেখে রাত পৌনে ২টা পর্যন্ত অভিযান চলে।
সে সময় ওই বাড়ি থেকে বেশ কিছু পাইপ বোমা ও বোমা তৈরির রাসায়নিক উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।
বুধবার সকালে সাভারের গোপেরবাড়ি লালটেক ঘোড়া মসজিদের সামনের মাঠে এই ‘প্রেশার কুকার’ বোমা পাওয়ার কথা জানায় পুলিশ।
ওই অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছিল সিটিটিসি। তবে দুপুর সোয়া ১২টায় খুদে বার্তা পাঠিয়ে সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করার কথা জানানো হয়।
মঙ্গলবার রাতের ওই অভিযানস্থলে গিয়ে দেখা যায়, শ্যামপুরের একটি পানিতে ডুবে থাকা রাস্তা পেরিয়ে কিলোমিটার খানেক গেলে আব্দুল জলিলের বাড়ি। সেই বাড়ির একটি কক্ষ গত ৫ অগাস্ট থেকে ভাড়া নিয়েছিলেন আরিফ।
ভাড়া নেওয়ার সময় নিজের পরিচয় দিয়েছিরেন আব্বাস আলী হিসেবে, পেশা বলেছিলেন গাড়ি চালক।
ওই বাসার পাশে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। বাড়ির মালিকপক্ষকে আরিফ বলেছিলেন, ওই স্কুলে বাচ্চাদের পড়ানোর জন্য তিনি বাসাটি পছন্দ করেছেন।
দৈনিক আস্থা/এমএইচ















