ঢাকা ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo জাতীয় নেতাদের ভূমিকাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন: এপ্রিলের শেষে উদ্বোধন Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আ.লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ Logo মুখস্থভিত্তিক বিসিএস থেকে দক্ষতাভিত্তিক পদ্ধতিতে যাচ্ছে সরকার: সংসদে প্রতিমন্ত্রী Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি ঘোষণা Logo সরকার-জনপ্রতিনিধি ছাড়া সংবিধান সংশোধনের অধিকার কারো নেই: স্পিকার Logo মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংশ করছে ইরানি ম্যানপ্যাড Logo তিন ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু Logo হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

প্রধান শিক্ষক যৌন হয়রানি করলো ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৭:০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২০
  • / ১১১৬ বার পড়া হয়েছে

সোহরাব হোসেন সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরার জেলার আশাশুনিতে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রি-ক্যাডেট স্কুলের এক প্রধান শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।

আটক মঈনুর ইসলাম উপজেলার কোদন্ডা গ্রামের বাবর আলী গাজীর ছেলে এবং আশাশুনি কেবিএ প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক।

জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে প্রধান শিক্ষক মঈনুর ইসলাম স্কুলছাত্রীর বাড়িতে মা-বাবর অনুপস্থিতির সুযোগে বাড়িতে ঢুকে তাকে যৌন হয়রানি করে।

দেশজুড়ে ধর্ষণের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মৌন পদযাত্রা ও মানববন্ধন

এ সময় স্কুলছাত্রীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসলে প্রধান শিক্ষক দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পুলিশ প্রধান শিক্ষককে আটক করেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মেয়ের বাবা।

আশাশুনি থানার ওসি মো. গোলাম কবির বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগী নিজে। সুষ্ঠু তদন্তসহ অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন :

মধ্যরাতে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ, আটজন গ্রেফতার:

চট্টগ্রামে ২২ বছরের এক গৃহবধূকে তুলে নিয়ে দলবেঁধে গণধর্ষণ করার অভিযোগে আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ঘটনায় সম্পৃক্তার অভিযোগে এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নগরের চান্দগাঁও থানার মৌলভী পুকুর পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর গ্রেফতাররা হলেন- রিন্টু দত্ত ওরফে বিপ্লব, মো. রিপন, মো. সুজন, মো. শাহেদ, জাহাঙ্গীর আলম, সুমন ও মনোয়ারা বেগম ওরফে লেবুর মা।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উপ কমিশনার (উত্তর) বিজয় কুমার বসাক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের জানান, ভুক্তভোগী গৃহবধূর গ্রামের বাড়ি রাঙ্গুনিয়ায়।

তিনি গ্রামের বাড়ি থেকে চট্টগ্রাম নগরীর বাসার উদ্দেশ্যে ফিরছিলেন। রাত ১১টায় চান্দগাঁও থানার কাপ্তাই সড়কের মাথায় পৌঁছে রিকশায় চকবাজারে পথে রওনা হন।

ওই সময় আসামিরা ওই গৃহবধূকে অনুসরণ করে। রিকশাটি মৌলভীপুকুর পাড় এলাকায় পৌঁছালে গতিরোধ করে তাকে তুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। রাত দেড়টা পর্যন্ত তার ওপর শারীরিকভাবে নির্যাতন চালানো হয়। পরে দেড়টা থেকে ভোর চারটা পর্যন্ত আরো ৮ থেকে ১০ জন মিলে তাকে ধর্ষণ করে।

তিনি আরো জানান, ধর্ষণের পর ওই গৃহবধূর সব টাকা পয়সা ও মোবাইল কেড়ে নেয়া হয়। শুক্রবার ভোরে ওই ভুক্তভোগী চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে গেলে খবর পায় পুলিশ।

পরে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দিনভর অভিযান চালিয়ে নারীসহ আটজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় যতজনকে জড়িত পাওয়া যাবে ততজনকে আইনের আওতায় আনা হবে।

গ্রেফতার আসামি দেবু বড়ুয়া অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, করোনার সময় ওই গৃহবধূ তার বন্ধু সুমনের কাছ থেকে দুই হাজার টাকা ধার নেন। সেই টাকা না দিয়েই যোগাযোগ বন্ধ করেন ওই গৃহবধূ। বৃহস্পতিবার রাতে ওই গৃহবধূকে সুমন ফোন করে নিয়ে যান।

এরপর তাদের বন্ধুদের খবর দেন। সুমন ওই গৃহবধূ ও তার সঙ্গে থাকা এক কিশোরকে মারধর করে ছেড়ে দেন। রাতে ফিরেও যায় তারা।

ভোর রাতে সুমন তার বাসায় আসবেন বলেও জানান। কিছুক্ষণ পর পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে। কিন্তু ওই গৃহবধূকে যে মারধর করেছে তাকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ।

প্রধান শিক্ষক যৌন হয়রানি করলো ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে

আপডেট সময় : ০৭:০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২০

সোহরাব হোসেন সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরার জেলার আশাশুনিতে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রি-ক্যাডেট স্কুলের এক প্রধান শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।

আটক মঈনুর ইসলাম উপজেলার কোদন্ডা গ্রামের বাবর আলী গাজীর ছেলে এবং আশাশুনি কেবিএ প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক।

জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে প্রধান শিক্ষক মঈনুর ইসলাম স্কুলছাত্রীর বাড়িতে মা-বাবর অনুপস্থিতির সুযোগে বাড়িতে ঢুকে তাকে যৌন হয়রানি করে।

দেশজুড়ে ধর্ষণের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মৌন পদযাত্রা ও মানববন্ধন

এ সময় স্কুলছাত্রীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসলে প্রধান শিক্ষক দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পুলিশ প্রধান শিক্ষককে আটক করেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মেয়ের বাবা।

আশাশুনি থানার ওসি মো. গোলাম কবির বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগী নিজে। সুষ্ঠু তদন্তসহ অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন :

মধ্যরাতে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ, আটজন গ্রেফতার:

চট্টগ্রামে ২২ বছরের এক গৃহবধূকে তুলে নিয়ে দলবেঁধে গণধর্ষণ করার অভিযোগে আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ঘটনায় সম্পৃক্তার অভিযোগে এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নগরের চান্দগাঁও থানার মৌলভী পুকুর পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর গ্রেফতাররা হলেন- রিন্টু দত্ত ওরফে বিপ্লব, মো. রিপন, মো. সুজন, মো. শাহেদ, জাহাঙ্গীর আলম, সুমন ও মনোয়ারা বেগম ওরফে লেবুর মা।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উপ কমিশনার (উত্তর) বিজয় কুমার বসাক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের জানান, ভুক্তভোগী গৃহবধূর গ্রামের বাড়ি রাঙ্গুনিয়ায়।

তিনি গ্রামের বাড়ি থেকে চট্টগ্রাম নগরীর বাসার উদ্দেশ্যে ফিরছিলেন। রাত ১১টায় চান্দগাঁও থানার কাপ্তাই সড়কের মাথায় পৌঁছে রিকশায় চকবাজারে পথে রওনা হন।

ওই সময় আসামিরা ওই গৃহবধূকে অনুসরণ করে। রিকশাটি মৌলভীপুকুর পাড় এলাকায় পৌঁছালে গতিরোধ করে তাকে তুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। রাত দেড়টা পর্যন্ত তার ওপর শারীরিকভাবে নির্যাতন চালানো হয়। পরে দেড়টা থেকে ভোর চারটা পর্যন্ত আরো ৮ থেকে ১০ জন মিলে তাকে ধর্ষণ করে।

তিনি আরো জানান, ধর্ষণের পর ওই গৃহবধূর সব টাকা পয়সা ও মোবাইল কেড়ে নেয়া হয়। শুক্রবার ভোরে ওই ভুক্তভোগী চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে গেলে খবর পায় পুলিশ।

পরে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দিনভর অভিযান চালিয়ে নারীসহ আটজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় যতজনকে জড়িত পাওয়া যাবে ততজনকে আইনের আওতায় আনা হবে।

গ্রেফতার আসামি দেবু বড়ুয়া অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, করোনার সময় ওই গৃহবধূ তার বন্ধু সুমনের কাছ থেকে দুই হাজার টাকা ধার নেন। সেই টাকা না দিয়েই যোগাযোগ বন্ধ করেন ওই গৃহবধূ। বৃহস্পতিবার রাতে ওই গৃহবধূকে সুমন ফোন করে নিয়ে যান।

এরপর তাদের বন্ধুদের খবর দেন। সুমন ওই গৃহবধূ ও তার সঙ্গে থাকা এক কিশোরকে মারধর করে ছেড়ে দেন। রাতে ফিরেও যায় তারা।

ভোর রাতে সুমন তার বাসায় আসবেন বলেও জানান। কিছুক্ষণ পর পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে। কিন্তু ওই গৃহবধূকে যে মারধর করেছে তাকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ।