ঢাকা ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo জাতীয় নেতাদের ভূমিকাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন: এপ্রিলের শেষে উদ্বোধন Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আ.লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ Logo মুখস্থভিত্তিক বিসিএস থেকে দক্ষতাভিত্তিক পদ্ধতিতে যাচ্ছে সরকার: সংসদে প্রতিমন্ত্রী Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি ঘোষণা Logo সরকার-জনপ্রতিনিধি ছাড়া সংবিধান সংশোধনের অধিকার কারো নেই: স্পিকার Logo মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংশ করছে ইরানি ম্যানপ্যাড Logo তিন ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু Logo হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

বর্ধিত ভাতা, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা বাস্তবায়নের দাবিতে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

ন্যায্য দাবি আদায়ে দীঘিনালায় এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০১:৪১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১১৬৪ বার পড়া হয়েছে

দৈনিক আস্থা | খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

বছরের পর বছর রাষ্ট্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত শিক্ষক ও কর্মচারীরা অবশেষে রাস্তায়। ন্যায্য দাবি আদায়ে দীঘিনালার এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে দীঘিনালা উপজেলা পরিষদ চত্বরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় এই কর্মসূচি।

বক্তারা জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে ২০ শতাংশ বাড়ি ভাতা, মাসিক ১,৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতা প্রদানের দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় তাদের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে।

দীঘিনালা শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও রেংকার্য্যা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ঊষা আলো চাকমা উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন,

> “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সরকারের কাছে আমাদের ন্যায্য দাবি জানাচ্ছি। কিন্তু যদি দ্রুত বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে শিক্ষক সমাজ বাধ্য হবে আরও কঠোর আন্দোলনে।”

 

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড হলেও আজ সেই মেরুদণ্ড ভেঙে পড়েছে। শিক্ষকরা ন্যূনতম জীবনযাপনের নিশ্চয়তা থেকেও বঞ্চিত। সরকারের উচিত দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।

অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অনাথ আশ্রম আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম, হাচিনচনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুর নবী মজুমদারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। তারা বলেন, সরকার যদি এখনই উদ্যোগ না নেয়, তবে এই আন্দোলন আরও জোরালো ও সারাদেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

এ সময় দীঘিনালার সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা সংহতি প্রকাশ করেন।

বিশ্লেষণমূলক মন্তব্য:
দীঘিনালার এই অবস্থান কর্মসূচি কেবল একটি উপজেলাভিত্তিক প্রতিবাদ নয়—এটি বাংলাদেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার প্রতিধ্বনি। শিক্ষকদের ন্যায্য ভাতা ও সুবিধা বাস্তবায়ন মানে কেবল তাদের জীবনমান উন্নয়ন নয়, বরং জাতীয় শিক্ষার মানোন্নয়নেও একটি বড় পদক্ষেপ। সরকারের উচিত এই দাবিগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা, যাতে শিক্ষক সমাজের আস্থা ও মর্যাদা পুনরুদ্ধার হয়।

এমএইচ/আস্থা

বর্ধিত ভাতা, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা বাস্তবায়নের দাবিতে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

ন্যায্য দাবি আদায়ে দীঘিনালায় এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি

আপডেট সময় : ০১:৪১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

দৈনিক আস্থা | খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

বছরের পর বছর রাষ্ট্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত শিক্ষক ও কর্মচারীরা অবশেষে রাস্তায়। ন্যায্য দাবি আদায়ে দীঘিনালার এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে দীঘিনালা উপজেলা পরিষদ চত্বরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় এই কর্মসূচি।

বক্তারা জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে ২০ শতাংশ বাড়ি ভাতা, মাসিক ১,৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতা প্রদানের দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় তাদের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে।

দীঘিনালা শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও রেংকার্য্যা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ঊষা আলো চাকমা উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন,

> “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সরকারের কাছে আমাদের ন্যায্য দাবি জানাচ্ছি। কিন্তু যদি দ্রুত বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে শিক্ষক সমাজ বাধ্য হবে আরও কঠোর আন্দোলনে।”

 

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড হলেও আজ সেই মেরুদণ্ড ভেঙে পড়েছে। শিক্ষকরা ন্যূনতম জীবনযাপনের নিশ্চয়তা থেকেও বঞ্চিত। সরকারের উচিত দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।

অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অনাথ আশ্রম আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম, হাচিনচনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুর নবী মজুমদারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। তারা বলেন, সরকার যদি এখনই উদ্যোগ না নেয়, তবে এই আন্দোলন আরও জোরালো ও সারাদেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

এ সময় দীঘিনালার সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা সংহতি প্রকাশ করেন।

বিশ্লেষণমূলক মন্তব্য:
দীঘিনালার এই অবস্থান কর্মসূচি কেবল একটি উপজেলাভিত্তিক প্রতিবাদ নয়—এটি বাংলাদেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার প্রতিধ্বনি। শিক্ষকদের ন্যায্য ভাতা ও সুবিধা বাস্তবায়ন মানে কেবল তাদের জীবনমান উন্নয়ন নয়, বরং জাতীয় শিক্ষার মানোন্নয়নেও একটি বড় পদক্ষেপ। সরকারের উচিত এই দাবিগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা, যাতে শিক্ষক সমাজের আস্থা ও মর্যাদা পুনরুদ্ধার হয়।

এমএইচ/আস্থা