ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাক্তারের অবহেলায় প্রাণ গেল ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র হাসিবের

News Editor
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • / ১১১৪ বার পড়া হয়েছে

ডাক্তারের অবহেলায় প্রাণ গেল ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র হাসিবের

গাইবান্ধায় ভুল চিকিৎসা এবং ডাক্তারের অবহেলায় প্রাণ গেল ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র হাসিবের। শুধু তাই নয়, এ ঘটনায় পরিবারের অনেক সদস্যকেই মারপিটের শিকার হতে হয়েছে বলে সাংবাদিকদের অভিযোগ করেছেন নিহতের স্বজনরা। গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে ৯ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হাসিবুর গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারী ইউনিয়নের দক্ষিণ গিদারী গ্রামের বেপারী পাড়ার বকুল মিয়ার ছেলে। রোগীর স্বজনরা জানান, হাসিবুর বিকালে বাসায় ফিরে শরীর খারাপ লাগার কথা বলে মা হাজেরা বেগমকে।

এরপর হাসিবুরকে তার স্বজনরা গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সুজন পাল সে সময় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসিবকে সাধারণ বেডে ভর্তি করতে বলেন। এরপর হাসিবের অবস্থার উন্নতি না হলে রাত ৮টার দিকে হাসিবের শরীরে ইনজেকশন পুশ করেন ডাক্তার। আর এই ইনজেকশন পুশ করার পরপরই হাসিবের নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়ে একপর্যায়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। এ ব্যাপারে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালর আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. হারুন-অর রশিদ বলেন, ডাক্তারের ভুল চিকিৎসা এবং রোগীর স্বজনদেরকে মারপিঠের অভিযোগ সত্য নয়।

ট্যাগস :

ডাক্তারের অবহেলায় প্রাণ গেল ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র হাসিবের

আপডেট সময় : ০৪:৩৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২১

ডাক্তারের অবহেলায় প্রাণ গেল ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র হাসিবের

গাইবান্ধায় ভুল চিকিৎসা এবং ডাক্তারের অবহেলায় প্রাণ গেল ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্র হাসিবের। শুধু তাই নয়, এ ঘটনায় পরিবারের অনেক সদস্যকেই মারপিটের শিকার হতে হয়েছে বলে সাংবাদিকদের অভিযোগ করেছেন নিহতের স্বজনরা। গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে ৯ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হাসিবুর গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারী ইউনিয়নের দক্ষিণ গিদারী গ্রামের বেপারী পাড়ার বকুল মিয়ার ছেলে। রোগীর স্বজনরা জানান, হাসিবুর বিকালে বাসায় ফিরে শরীর খারাপ লাগার কথা বলে মা হাজেরা বেগমকে।

এরপর হাসিবুরকে তার স্বজনরা গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সুজন পাল সে সময় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসিবকে সাধারণ বেডে ভর্তি করতে বলেন। এরপর হাসিবের অবস্থার উন্নতি না হলে রাত ৮টার দিকে হাসিবের শরীরে ইনজেকশন পুশ করেন ডাক্তার। আর এই ইনজেকশন পুশ করার পরপরই হাসিবের নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়ে একপর্যায়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। এ ব্যাপারে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালর আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. হারুন-অর রশিদ বলেন, ডাক্তারের ভুল চিকিৎসা এবং রোগীর স্বজনদেরকে মারপিঠের অভিযোগ সত্য নয়।