পদত্যাগ করেছে চার মন্ত্রী
- আপডেট সময় : ১২:৩২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
- / ১০১৯ বার পড়া হয়েছে
পদত্যাগ করেছে চার মন্ত্রী
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির ভরাডুবির পর আরও বেড়েছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগের চাপ। এর মধ্যেই মঙ্গলবার (১২ মে) পদত্যাগ করেছেন তার সরকারের চারজন কনিষ্ঠ মন্ত্রী।
পদত্যাগ কৃত চার মন্ত্রী হলো,
স্বাস্থ্য উদ্ভাবন ও নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী জুবির আহমেদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নারী ও শিশু সুরক্ষাবিষয়ক মন্ত্রী জেস ফিলিপস, আবাসন ও স্থানীয় সরকারবিষয়ক মন্ত্রী মিয়াটা ফানবুলে ও বিচার মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় আন্ডার-সেক্রেটারি অব স্টেট অ্যালেক্স ডেভিস-জোনস।
এক্সে দেওয়া পদত্যাগপত্রে জুবির আহমেদ স্টারমারকে নেতৃত্ব ছাড়ার আহ্বান জানান এবং ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণার অনুরোধ করেন।
এর আগে একই দিনে বাকি তিনজন মন্ত্রীও পদত্যাগ করেন। তাদের পদত্যাগ ঘিরে লেবার পার্টির ভেতরে অস্থিরতা আরও বেড়েছে। প্রায় ৯২ জন লেবার এমপি এখন স্টারমারকে হয় পদত্যাগ করতে, না হলে ক্ষমতা ছাড়ার সময়সূচি ঘোষণা করতে বলছেন।
গত সপ্তাহের স্থানীয় নির্বাচনের পর মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে বসেন স্টারমার। সেখানে তিনি পরাজয়ের দায় স্বীকার করেন, তবে জানান—দলের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তিনি দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তিনি জনগণের রায় থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। তবে রাজনৈতিক চাপ বাড়লেও স্টারমার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি পদ ছাড়ছেন না।
স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির ফলাফল ছিল হতাশাজনক। ওয়েলসের সেনেড নির্বাচনে বড় পরাজয় এবং স্কটল্যান্ডে স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির আধিপত্য দলটির জন্য বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে।
ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের ১৩৬টি স্থানীয় কর্তৃপক্ষে এই নির্বাচন ছিল গত সাধারণ নির্বাচনের পর লেবারের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের লেবার পার্টি ১ হাজার ৬৮টি কাউন্সিল আসন (পদ) পেয়েছে। পূর্বে পেয়ে ছিলো ২হাজার ৫শ ৬৪টি। অর্থাৎ পূর্বের তুলনায় ১ হাজার ৪শ ৯৬টি আসন হারিয়েছে।
অন্যদিকে নাইজেল ফারাজের নেতৃত্বাধীন
ডানপন্থী দল রিফর্ম ইউকে এই নির্বাচনে বড় অগ্রগতি দেখিয়ে ১ হাজার ৪শ ৫০টির বেশি কাউন্সিল আসন দখল করে ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।
(সূত্র-বিবিসি বাংলা)।
দৈনিক আস্থা/এমএইচ





















