ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চার বারের ইউপি চেয়ারম্যান ও এক বারের উপজেলা চেয়ারম্যানকে পুলিশে হস্তান্তর

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১১:০৯:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১০২১ বার পড়া হয়েছে

চার বারের ইউপি চেয়ারম্যান ও এক বারের উপজেলা চেয়ারম্যানকে পুলিশে হস্তান্তর

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ভূঁইয়া-কে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকের পর মাটিরাঙা থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনি পদক্ষেপের জন্য আজ বুধবার তাকে হস্তান্তর করা হয়।

উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার সময় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। তিনি মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক।

২০২৪ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কৈ মাছ প্রতীক নিয়ে ১৯ হাজার ২০৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

এর আগে আবুল কাশেম ভূঁইয়া মাটিরাঙ্গার তবলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদে ৪ মেয়াদে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

প্রথম ও দ্বিতীয় মেয়াদ (১৯৯২–২০০১): তিনি টানা দুই মেয়াদে ১৯৯২ থেকে ১৯৯৭ সাল এবং ১৯৯৭ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তবলছড়ি ইউপির চেয়ারম্যান ছিলেন।

তৃতীয় মেয়াদ (২০১১–২০১৬): প্রায় ১০ বছর বিরতির পর তিনি আবারও নির্বাচিত হয়ে ২২ আগস্ট ২০১১ থেকে ২ জুলাই ২০১৬ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

চতুর্থ মেয়াদ (২০২২–২০২৪): ২০২১ সালের ১১ নভেম্বরের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি ৫৬ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন। প্রায় দুই বছর দায়িত্ব পালনের পর ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে আদালতের রায়ে তিনি পদ হারান এবং তার স্থলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নূর মোহাম্মদকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য, তবলছড়ি ইউপিতে দায়িত্ব পালন শেষে তিনি ২০২৪ সালের মে মাসে মাটিরাঙা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান হন।

মামলা: মাটিরাঙা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শাহেদ উদ্দিন জানিয়েছেন, আটক আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি, হামলা ও ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।

২০২৪ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কৈ মাছ প্রতীক নিয়ে ১৯ হাজার ২০৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম (আনারস) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১০ হাজার ৮২১ ভোট পান।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

চার বারের ইউপি চেয়ারম্যান ও এক বারের উপজেলা চেয়ারম্যানকে পুলিশে হস্তান্তর

আপডেট সময় : ১১:০৯:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

চার বারের ইউপি চেয়ারম্যান ও এক বারের উপজেলা চেয়ারম্যানকে পুলিশে হস্তান্তর

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ভূঁইয়া-কে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকের পর মাটিরাঙা থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনি পদক্ষেপের জন্য আজ বুধবার তাকে হস্তান্তর করা হয়।

উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার সময় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। তিনি মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক।

২০২৪ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কৈ মাছ প্রতীক নিয়ে ১৯ হাজার ২০৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

এর আগে আবুল কাশেম ভূঁইয়া মাটিরাঙ্গার তবলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদে ৪ মেয়াদে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

প্রথম ও দ্বিতীয় মেয়াদ (১৯৯২–২০০১): তিনি টানা দুই মেয়াদে ১৯৯২ থেকে ১৯৯৭ সাল এবং ১৯৯৭ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তবলছড়ি ইউপির চেয়ারম্যান ছিলেন।

তৃতীয় মেয়াদ (২০১১–২০১৬): প্রায় ১০ বছর বিরতির পর তিনি আবারও নির্বাচিত হয়ে ২২ আগস্ট ২০১১ থেকে ২ জুলাই ২০১৬ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

চতুর্থ মেয়াদ (২০২২–২০২৪): ২০২১ সালের ১১ নভেম্বরের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি ৫৬ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন। প্রায় দুই বছর দায়িত্ব পালনের পর ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে আদালতের রায়ে তিনি পদ হারান এবং তার স্থলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নূর মোহাম্মদকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য, তবলছড়ি ইউপিতে দায়িত্ব পালন শেষে তিনি ২০২৪ সালের মে মাসে মাটিরাঙা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান হন।

মামলা: মাটিরাঙা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শাহেদ উদ্দিন জানিয়েছেন, আটক আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি, হামলা ও ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।

২০২৪ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কৈ মাছ প্রতীক নিয়ে ১৯ হাজার ২০৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম (আনারস) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১০ হাজার ৮২১ ভোট পান।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ