ঢাকা ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাকসুর জিএস আম্মারের দায় নেবে না শিবির

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১১:০৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১০০৫ বার পড়া হয়েছে

রাকসুর জিএস আম্মারের দায় নেবে না শিবির

রাকসুর জিএস আম্মারের দায় নেবে না শিবির×
ছাত্রশিবিরের সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টারঃ

রাকসুর জিএস আম্মারের দায় নেবে না শিবির ছাত্রশিবিরের সংবাদ সম্মেলন। ছবি: আস্থা

 

 

 

 

 

 

 

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের দায় নেবে না ইসলামী ছাত্রশিবির।

আজ মঙ্গলবার (২৫ আগষ্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট চত্বরে সংবাদ সম্মেলনে রাবি শিবির সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল এ কথা জানায়।

দাপ্তরিক খরচের বাজেট নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে রাবি শিবির সভাপতি বলেন, জিএস দাপ্তরিক কাজের কথা বলে তিন লাখ ৭০ হাজার টাকা তুলে বিভিন্ন দপ্তরের নামে খরচ দেখিয়েছেন, যা আমাদের কাছে অবাস্তব মনে হয়েছে।

আমাদের প্রতিনিধিদের হিসাব অনুযায়ী, অন্য সব দপ্তর মিলে সর্বসাকুল্যে ৫০-৬০ হাজার টাকার বেশি খরচ হওয়ার কথা নয়। এভাবে অন্যান্য দপ্তরের ওপর দায় চাপিয়ে তিনি ব্যক্তিগত অনিয়ম এড়াতে পারেন না। কোন দপ্তরে কত টাকা খরচ হয়েছে, এর তথ্য-প্রমাণসহ সুনির্দিষ্ট হিসাব প্রকাশের দাবি জানাচ্ছি।

সালাহউদ্দিন আম্মার আমাদের প্যানেলের না হওয়ায় তাঁর কর্মকাণ্ড ও আর্থিক হিসাবের কোনো দায় ছাত্রশিবির নেবে না।

সংবাদ সম্মেলনে রাকসু নির্বাচনের তফশীল ঘোষণাসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

তাদের অন্য দাবিগুলো হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে শতভাগ আবাসিকতা নিশ্চিত করতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়ন, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ভাতা চালু, পূর্ণাঙ্গ ও আধুনিক মেডিকেল সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট কার্যকর করতে হবে।

রাকসু নির্বাচনকে একাডেমিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে লিখিত বক্তব্যে শিবির সভাপতি বলেন, ইতোমধ্যেই রাকসু নির্বাচনের ১০ মাস অতিবাহিত হচ্ছে। এখনই যদি পরবর্তী রাকসু নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা না যায়, তবে যথাসময়ে রাকসু বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের চাওয়া পূরণ করা সম্ভব হবে না।

তাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিক। শিক্ষার্থীরা যাতে প্রতিবছর রাকসু নির্বাচন পায়, এটি নিশ্চিত করতে একাডেমিক ক্যালেন্ডারে রাকসু নির্বাচনকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানাই।

১০ মাসে রাকসুর অর্জনের বিষয়ে তিনি বলেন, আপনারা দেখবেন, ক্যাম্পাসে ট্যাগিং-ফ্রেমিং বা নারী শিক্ষার্থীদের বুলিং কিন্তু আগের মতো হচ্ছে না। আগের মতো ক্যাম্পাসে মাদকের ছড়াছড়ি নেই।

তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিত হয়েছে এবং আসন বাণিজ্যের কবর রচিত হয়েছে। গেস্টরুম কালচার, গণরুম কালচার নেই। ক্যাম্পাসগুলোতে মেধা এবং সিনিয়রিটির ভিত্তিতে আসন বণ্টন হচ্ছে, যেটি সবচেয়ে বড় একটি পরিবর্তন।

আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

রাকসুর জিএস আম্মারের দায় নেবে না শিবির

আপডেট সময় : ১১:০৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

রাকসুর জিএস আম্মারের দায় নেবে না শিবির

রাকসুর জিএস আম্মারের দায় নেবে না শিবির×
ছাত্রশিবিরের সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টারঃ

রাকসুর জিএস আম্মারের দায় নেবে না শিবির ছাত্রশিবিরের সংবাদ সম্মেলন। ছবি: আস্থা

 

 

 

 

 

 

 

 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের দায় নেবে না ইসলামী ছাত্রশিবির।

আজ মঙ্গলবার (২৫ আগষ্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট চত্বরে সংবাদ সম্মেলনে রাবি শিবির সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল এ কথা জানায়।

দাপ্তরিক খরচের বাজেট নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে রাবি শিবির সভাপতি বলেন, জিএস দাপ্তরিক কাজের কথা বলে তিন লাখ ৭০ হাজার টাকা তুলে বিভিন্ন দপ্তরের নামে খরচ দেখিয়েছেন, যা আমাদের কাছে অবাস্তব মনে হয়েছে।

আমাদের প্রতিনিধিদের হিসাব অনুযায়ী, অন্য সব দপ্তর মিলে সর্বসাকুল্যে ৫০-৬০ হাজার টাকার বেশি খরচ হওয়ার কথা নয়। এভাবে অন্যান্য দপ্তরের ওপর দায় চাপিয়ে তিনি ব্যক্তিগত অনিয়ম এড়াতে পারেন না। কোন দপ্তরে কত টাকা খরচ হয়েছে, এর তথ্য-প্রমাণসহ সুনির্দিষ্ট হিসাব প্রকাশের দাবি জানাচ্ছি।

সালাহউদ্দিন আম্মার আমাদের প্যানেলের না হওয়ায় তাঁর কর্মকাণ্ড ও আর্থিক হিসাবের কোনো দায় ছাত্রশিবির নেবে না।

সংবাদ সম্মেলনে রাকসু নির্বাচনের তফশীল ঘোষণাসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

তাদের অন্য দাবিগুলো হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে শতভাগ আবাসিকতা নিশ্চিত করতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়ন, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ভাতা চালু, পূর্ণাঙ্গ ও আধুনিক মেডিকেল সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট কার্যকর করতে হবে।

রাকসু নির্বাচনকে একাডেমিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে লিখিত বক্তব্যে শিবির সভাপতি বলেন, ইতোমধ্যেই রাকসু নির্বাচনের ১০ মাস অতিবাহিত হচ্ছে। এখনই যদি পরবর্তী রাকসু নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা না যায়, তবে যথাসময়ে রাকসু বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের চাওয়া পূরণ করা সম্ভব হবে না।

তাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিক। শিক্ষার্থীরা যাতে প্রতিবছর রাকসু নির্বাচন পায়, এটি নিশ্চিত করতে একাডেমিক ক্যালেন্ডারে রাকসু নির্বাচনকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানাই।

১০ মাসে রাকসুর অর্জনের বিষয়ে তিনি বলেন, আপনারা দেখবেন, ক্যাম্পাসে ট্যাগিং-ফ্রেমিং বা নারী শিক্ষার্থীদের বুলিং কিন্তু আগের মতো হচ্ছে না। আগের মতো ক্যাম্পাসে মাদকের ছড়াছড়ি নেই।

তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিত হয়েছে এবং আসন বাণিজ্যের কবর রচিত হয়েছে। গেস্টরুম কালচার, গণরুম কালচার নেই। ক্যাম্পাসগুলোতে মেধা এবং সিনিয়রিটির ভিত্তিতে আসন বণ্টন হচ্ছে, যেটি সবচেয়ে বড় একটি পরিবর্তন।

আস্থা/এমএইচ