ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীর কুনিপাড়া বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১১:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০২৩
  • / ১০৯৩ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর কুনিপাড়া বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

 

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

 

 

রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় কুনিপাড়া বস্তিতে আজ সোমবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ করেছে।

 

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ফায়ার সার্ভিসের ব্যবস্থাপক মোঃ শাহজাহান শিকদার বলেন, আজ সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৫৩ মিনিটে আগুনের সূত্রপাত হয়। ৬ মিনিট পরই ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট পৌঁছায়। পরে আরও ১০টি ইউনিট যুক্ত হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা ১০ মিনিট পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

 

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট রাত ১০টা ১০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে। আগুন নেভাতে দেরি হওয়ার কারণ সম্পর্কে বলেন, রাস্তার যানজট ছিল। এ ছাড়া বস্তিটি খুবই ঘিঞ্জি। তাই ভেতরে ঢুকতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। এ ছাড়া পানির উৎসও পাওয়া যাচ্ছিল না।

ট্যাগস :

রাজধানীর কুনিপাড়া বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

আপডেট সময় : ১১:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০২৩

রাজধানীর কুনিপাড়া বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

 

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

 

 

রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় কুনিপাড়া বস্তিতে আজ সোমবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ করেছে।

 

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ফায়ার সার্ভিসের ব্যবস্থাপক মোঃ শাহজাহান শিকদার বলেন, আজ সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৫৩ মিনিটে আগুনের সূত্রপাত হয়। ৬ মিনিট পরই ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট পৌঁছায়। পরে আরও ১০টি ইউনিট যুক্ত হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা ১০ মিনিট পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

 

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট রাত ১০টা ১০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে। আগুন নেভাতে দেরি হওয়ার কারণ সম্পর্কে বলেন, রাস্তার যানজট ছিল। এ ছাড়া বস্তিটি খুবই ঘিঞ্জি। তাই ভেতরে ঢুকতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। এ ছাড়া পানির উৎসও পাওয়া যাচ্ছিল না।