সগ্রাআই থেকে পিটিয়ে বের করে দেওয়া হলো শিবিরকে
- আপডেট সময় : ১১:৫১:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
- / ১০১২ বার পড়া হয়েছে
সগ্রাআই থেকে পিটিয়ে বের করে দেওয়া হলো শিবিরকে
স্টাফ রিপোর্টারঃ
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মধ্যরাতে সরকারি গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউটের (সগ্রাআই) হল থেকে ছাত্র শিবিরকে পিটিয়ে বের করে দিয়েছে ছাত্রদল।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে তাদের হল থেকে বের করে দেয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
গ্রাফিক আর্টস ছাত্রদলের আহ্বায়ক তামিম মাতুব্বর ও ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মোতাহার হোসেনের নেতৃত্বে ছাত্রশিবিরের ১০ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এ সময় তাদের কাঁধে ব্যাগ ও কম্পিউটার নিয়ে বের হতে দেখা যায়। পরে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাদেরকে মারতে মারতে ইনস্টিটিউটের সামনে থেকে মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের দিকে নিয়ে যায়। এরপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ইনস্টিটিউটের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে মোহাম্মদপুর থানার সামনে দিয়ে এবং ধানমন্ডি ২৭ ক্রসিং পার হয়ে সামনে এসে শেষ করেন।
সরকারি গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউটের সিকিউরিটি গার্ড খশিয়ার বলেন, রাত বারোটার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এক শিক্ষার্থীকে মারপিট করে। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ইনিস্টিটিউটের সামনের সিটি হসপিটালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউটের শিবিরের এক সদস্য বলেন, হলের ভেতরে আমাকে-সহ ১৫ জনের মতো শিক্ষার্থীকে
ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মারপিট করে বের হয়ে যেতে বাধ্য করে।
সরকারি গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউটের ছাত্রদলের আহ্বায়ক তামিম মাতুব্বর বলেন, প্রথমে হল থেকে রোহান নামে এক ছাত্রলীগের কর্মীকে বের করতে গেলে শিবির কর্মীরা বাধা দেয়। পরে তাদের মধ্যে তর্ক বিতর্কের এক পর্যায়ে ছাত্রলীগের রোহান পালিয়ে যায়।
ঢাকা মহানগর ছাত্রদল পশ্চিম এর সহ-সভাপতি মোতাহার হোসেন বলেন, মঙ্গলবার সারাদিন ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ছাত্রদলের ওপর দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের বেশ কিছু নেতাকর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আমরা খবর পাই ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা গ্রাফিক আর্ট ইনস্টিটিউটের হলে নাশকতার পরিকল্পনা করছে। পরে আমরা তাদের হল থেকে বের করে দিয়েছি।
মোহাম্মদপুর থানার ওসি ও ২ পরিদর্শক ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকায় তারা চলে যান। গ্রাফিক আর্টস ইন্সটিটিউটের সামনে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তবে থানা পুলিশের কেউ এই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
দৈনিক আস্থা/এমএইচ



















