ঢাকা ০২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo কিশোরগঞ্জে হাতপাখা প্রতীকের সমর্থনে বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা Logo খাগড়াছড়িতে রোকেয়া দিবসে “অদম্য নারী সম্মাননা” পেলো ৩ নারী Logo নাইক্ষ্যংছড়িতে মানববন্ধনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ Logo কিশোরগঞ্জে-১ আসনে কাস্তে প্রতীকের প্রার্থী এনামুল হকের সমর্থনে গণমিছিল  Logo পানছড়িতে পিসিসিপি’র শীতবস্ত্র বিতরণ Logo পানছড়িতে জামায়াত প্রার্থীর গনসংযোগ ও মতবিনিময় Logo পানছড়িতে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় চোরাই পণ্য আটক Logo চাঁদা না দেওয়ায় বাড়ি নির্মাণে বাধা, ভূমি দখলচেষ্টা ও হত্যার হুমকির Logo ইকরা গার্মেন্টসের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ Logo আবার মাইনাস তৎপরতায় ডিপ স্টেট: মাসুদ কামাল

অবশেষে সমঝোতায় সকল দ্বন্দ্বের অবসান

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৮:৪০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অগাস্ট ২০২১
  • / ১০৪২ বার পড়া হয়েছে

আমির হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ অবশেষে সমঝোতায় সকল দ্বন্দ্বের অবসান হলো। বিসিসি মেয়র এবং জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিষয়টিকে ভুল বুঝাবুঝি বলে উভয় গ্রুপ মেনে নেয়ার পর সকলের মুখে হাসি ফোটে। তবে ওই সমঝোতা বৈঠকে ইউএনও মুনিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন না।

রবিবার রাত ৯টা থেকে সাড়ে ১১টা পযন্ত বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের বাসভবনে এ সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস বলেন, ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। সেই ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়েছে। আর যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে এ বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়।

মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর জানান, বরিশালের সাম্প্রতিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়। পুরো বিষয়টি ইতিবাচক ছিলো। তবে বৃহত্তর স্বার্থে বৈঠকের খুটিনাটি জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি। বৈঠকে সকল পক্ষের মামলা প্রত্যাহার করার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম বাদল, ডিআইজি আক্তারুজ্জামান, পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান, জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার, পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সরকারি কৌশলী একেএম জাহাঙ্গীরসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা।

এ ব্যাপারে ইউএনও মুনিবুর রহমান বলেন, আমাকে বৈঠকে ডাকেনি। তবে সেখানে আমার উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেটা আমারও সিদ্ধান্ত। প্রসঙ্গত, ১৮ আগস্ট রাতে ইউএনও’র বাস ভবনে হামলা ও পুলিশের সাথে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়।

ওই ঘটনায় ইউএনও ও পুলিশের পক্ষ থেকে মেয়রসহ আওয়ামী লীগের ছয় শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। তাদের মধ্যে ২২ জন কারাগারে।

পরবর্তীতে মেয়রের পক্ষ থেকে ইউএনও এবং ওসিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামী করে আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হলে বিচারক পিআইবিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

[irp]

অবশেষে সমঝোতায় সকল দ্বন্দ্বের অবসান

আপডেট সময় : ০৮:৪০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অগাস্ট ২০২১

আমির হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ অবশেষে সমঝোতায় সকল দ্বন্দ্বের অবসান হলো। বিসিসি মেয়র এবং জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিষয়টিকে ভুল বুঝাবুঝি বলে উভয় গ্রুপ মেনে নেয়ার পর সকলের মুখে হাসি ফোটে। তবে ওই সমঝোতা বৈঠকে ইউএনও মুনিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন না।

রবিবার রাত ৯টা থেকে সাড়ে ১১টা পযন্ত বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের বাসভবনে এ সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস বলেন, ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। সেই ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়েছে। আর যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে এ বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়।

মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর জানান, বরিশালের সাম্প্রতিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়। পুরো বিষয়টি ইতিবাচক ছিলো। তবে বৃহত্তর স্বার্থে বৈঠকের খুটিনাটি জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি। বৈঠকে সকল পক্ষের মামলা প্রত্যাহার করার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম বাদল, ডিআইজি আক্তারুজ্জামান, পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান, জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার, পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সরকারি কৌশলী একেএম জাহাঙ্গীরসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা।

এ ব্যাপারে ইউএনও মুনিবুর রহমান বলেন, আমাকে বৈঠকে ডাকেনি। তবে সেখানে আমার উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেটা আমারও সিদ্ধান্ত। প্রসঙ্গত, ১৮ আগস্ট রাতে ইউএনও’র বাস ভবনে হামলা ও পুলিশের সাথে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়।

ওই ঘটনায় ইউএনও ও পুলিশের পক্ষ থেকে মেয়রসহ আওয়ামী লীগের ছয় শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। তাদের মধ্যে ২২ জন কারাগারে।

পরবর্তীতে মেয়রের পক্ষ থেকে ইউএনও এবং ওসিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামী করে আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হলে বিচারক পিআইবিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

[irp]