ঢাকা ০২:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo রাঙামাটিতে ব্রাশ ফায়ারে ইউপিডিএফ নেতা নিহত: ২ বোন গুলিবিদ্ধ Logo জাতীয় নেতাদের ভূমিকাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন: এপ্রিলের শেষে উদ্বোধন Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আ.লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং ধানের শীষ Logo মুখস্থভিত্তিক বিসিএস থেকে দক্ষতাভিত্তিক পদ্ধতিতে যাচ্ছে সরকার: সংসদে প্রতিমন্ত্রী Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি ঘোষণা Logo সরকার-জনপ্রতিনিধি ছাড়া সংবিধান সংশোধনের অধিকার কারো নেই: স্পিকার Logo মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংশ করছে ইরানি ম্যানপ্যাড Logo তিন ঘণ্টার ব্যবধানে মা-ছেলের মৃত্যু

অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে ইরান-রাশিয়ার সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে

News Editor
  • আপডেট সময় : ১২:৪৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২০
  • / ১১৩৪ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ নম্বর প্রস্তাব অনুসারে ইরানের ওপর আরোপিত পাঁচ বছরের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে ১৮ অক্টোবর।রাশিয়া এরই মধ্যে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর ইরানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সামরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। রাশিয়া একদিকে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য এবং পরমাণু সমঝোতার ৫+১ এক গ্রুপের অন্যতম সদস্য।

রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, ইরানের ওপর আরোপিত অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার পর মস্কো তেহরানের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা চালিয়ে যাবে, খবর পার্স টুডের।

সেনাদের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে বললেন শি জিনপিং

জাখারোভা বলেন, ইরানের উপর চাপানো অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের বিষয়টি সম্পর্কিত নয়। তবুও তেহরান স্বেচ্ছায় বাড়তি কিছু প্রটোকল মেনে নিয়েছিল। তাঁর মতে, পরমাণু বিষয়ক আলোচনা দ্রুত নিষ্পন্ন করা এবং একটা সমাধানে পৌঁছার জন্যই ওই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এটা পরমাণু সমঝোতার ব্যাপারে তেহরানের সদিচ্ছার বিষয়টি ফুটিয়ে তোলে।

ইরানের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবার পর রাশিয়া তাদের যে দ্বিপক্ষীয় সামরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করলো তা থেকে মস্কোর মৌলিক অবস্থান স্পষ্ট হয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে ইরানের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক এবং বে-আইনি কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে গত দেড় বছরে। তারা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েছে ইরানের ওপর যেন অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা নবায়ন করা হয়। কিন্তু রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সেসব পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তাদের সুস্পষ্ট অবস্থানের কথা জানিয়ে দিল। যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা এমনকি ট্রাম্প এবং পম্পেও পর্যন্ত বারবার ভিত্তিহীন কিছু দাবি তুলে মূলত ইরানের বিরুদ্ধে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ চালিয়েছে গত ২০১৯ সাল থেকে।

অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে ইরান-রাশিয়ার সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে

আপডেট সময় : ১২:৪৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২০

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ নম্বর প্রস্তাব অনুসারে ইরানের ওপর আরোপিত পাঁচ বছরের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে ১৮ অক্টোবর।রাশিয়া এরই মধ্যে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর ইরানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সামরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। রাশিয়া একদিকে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য এবং পরমাণু সমঝোতার ৫+১ এক গ্রুপের অন্যতম সদস্য।

রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, ইরানের ওপর আরোপিত অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার পর মস্কো তেহরানের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা চালিয়ে যাবে, খবর পার্স টুডের।

সেনাদের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে বললেন শি জিনপিং

জাখারোভা বলেন, ইরানের উপর চাপানো অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের বিষয়টি সম্পর্কিত নয়। তবুও তেহরান স্বেচ্ছায় বাড়তি কিছু প্রটোকল মেনে নিয়েছিল। তাঁর মতে, পরমাণু বিষয়ক আলোচনা দ্রুত নিষ্পন্ন করা এবং একটা সমাধানে পৌঁছার জন্যই ওই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এটা পরমাণু সমঝোতার ব্যাপারে তেহরানের সদিচ্ছার বিষয়টি ফুটিয়ে তোলে।

ইরানের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবার পর রাশিয়া তাদের যে দ্বিপক্ষীয় সামরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করলো তা থেকে মস্কোর মৌলিক অবস্থান স্পষ্ট হয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে ইরানের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক এবং বে-আইনি কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে গত দেড় বছরে। তারা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েছে ইরানের ওপর যেন অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা নবায়ন করা হয়। কিন্তু রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সেসব পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তাদের সুস্পষ্ট অবস্থানের কথা জানিয়ে দিল। যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা এমনকি ট্রাম্প এবং পম্পেও পর্যন্ত বারবার ভিত্তিহীন কিছু দাবি তুলে মূলত ইরানের বিরুদ্ধে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ চালিয়েছে গত ২০১৯ সাল থেকে।