ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউক্রেন ও ন্যাটোকে অর্থ ফেরত দিতে হবে-ট্রাম্প

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১০০৫ বার পড়া হয়েছে

ইউক্রেন ও ন্যাটোকে অর্থ ফেরত দিতে হবে-ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ইউক্রেন ও ন্যাটোকে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সামরিক সহায়তার অর্থ ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছ থেকে ফেরত চাওয়ার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

একই সঙ্গে মিত্র দেশগুলোর কাছে অ’স্ত্র বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইউক্রেন ও ন্যাটোকে বিনা মূল্যে দেওয়া বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের দায় ইউরোপের বহন করার কথা ছিল। এখন সেই অর্থ ফেরত চাওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ট্রাম্প বলেন, মিত্রদের কাছে অ’স্ত্র বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের জন্য অ’স্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত বাড়াচ্ছে। তবে শিগগিরই মিত্রদের কাছে অ’স্ত্র বিক্রি আবার শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে ইউক্রেন ও ইরানের সংঘা’তের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তাঁর মতে, দুই সংঘা’ত’ই জ্বালানির দাম বাড়ার পেছনে ভূমিকা রাখছে।

আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

ইউক্রেন ও ন্যাটোকে অর্থ ফেরত দিতে হবে-ট্রাম্প

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইউক্রেন ও ন্যাটোকে অর্থ ফেরত দিতে হবে-ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ইউক্রেন ও ন্যাটোকে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সামরিক সহায়তার অর্থ ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছ থেকে ফেরত চাওয়ার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

একই সঙ্গে মিত্র দেশগুলোর কাছে অ’স্ত্র বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইউক্রেন ও ন্যাটোকে বিনা মূল্যে দেওয়া বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের দায় ইউরোপের বহন করার কথা ছিল। এখন সেই অর্থ ফেরত চাওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ট্রাম্প বলেন, মিত্রদের কাছে অ’স্ত্র বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের জন্য অ’স্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত বাড়াচ্ছে। তবে শিগগিরই মিত্রদের কাছে অ’স্ত্র বিক্রি আবার শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে ইউক্রেন ও ইরানের সংঘা’তের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তাঁর মতে, দুই সংঘা’ত’ই জ্বালানির দাম বাড়ার পেছনে ভূমিকা রাখছে।

আস্থা/এমএইচ