ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের পক্ষে ইরাকি বিমানবন্দর দখল নিয়েছে ইরাকি প্রতিরোধ গোষ্ঠী

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১০০১ বার পড়া হয়েছে

ইরানের পক্ষে ইরাকি বিমানবন্দর দখল নিয়েছে ইরাকি প্রতিরোধ গোষ্ঠী

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিমান খাতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার পর বাগদাদ সরকার ইরানি এয়ারলাইনগুলোর কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়।

এর প্রতিবাদে ইরাকি প্রতিরোধ গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, ইরান ও ইরাকের মধ্যে স্বাভাবিক বিমান চলাচল পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত দেশটির বিভিন্ন বিমানবন্দরে অবস্থান কর্মসূচি চালানো হবে।

ইরাক ও ইরান প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত বিমান যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই দেশের যাত্রী ও বিমান পরিবহন খাতে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। গোষ্ঠীটি বাগদাদ সরকারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে।

এদিকে ইরানের বিমান সংস্থাগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি পেতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা করছে ইরাক সরকার। এই নিষেধাজ্ঞার কারণে রোগী, শিক্ষার্থী ও ধর্মীয় তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে।

চলতি সপ্তাহে ইরাকের সব বিমানবন্দরে নিষেধাজ্ঞাটি কার্যকর করা হয়েছে। এতে পবিত্র শহর নাজাফের বিমানবন্দরে বড় ধরনের ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। ইরান থেকে ইরাকে আসা বেশিরভাগ ফ্লাইটের প্রধান গন্তব্য এই বিমানবন্দর।

আজ শনিবার ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘কিছু ইরাকি বিমানবন্দরকে এসব নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত করার জন্য ইরাক সরকার মার্কিন পক্ষের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করছে।’

বিবৃতিতে বলা হয়, অব্যাহতি দেওয়া হলে ‘মানবিক কারণে-চিকিৎসা, শিক্ষা, ধর্মীয় সফর ও বেসামরিক মানুষের স্বার্থে’ ফ্লাইট চলাচল আবার শুরু করা সম্ভব হবে।

আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

ইরানের পক্ষে ইরাকি বিমানবন্দর দখল নিয়েছে ইরাকি প্রতিরোধ গোষ্ঠী

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানের পক্ষে ইরাকি বিমানবন্দর দখল নিয়েছে ইরাকি প্রতিরোধ গোষ্ঠী

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিমান খাতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার পর বাগদাদ সরকার ইরানি এয়ারলাইনগুলোর কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়।

এর প্রতিবাদে ইরাকি প্রতিরোধ গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, ইরান ও ইরাকের মধ্যে স্বাভাবিক বিমান চলাচল পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত দেশটির বিভিন্ন বিমানবন্দরে অবস্থান কর্মসূচি চালানো হবে।

ইরাক ও ইরান প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত বিমান যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই দেশের যাত্রী ও বিমান পরিবহন খাতে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। গোষ্ঠীটি বাগদাদ সরকারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে।

এদিকে ইরানের বিমান সংস্থাগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি পেতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা করছে ইরাক সরকার। এই নিষেধাজ্ঞার কারণে রোগী, শিক্ষার্থী ও ধর্মীয় তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে।

চলতি সপ্তাহে ইরাকের সব বিমানবন্দরে নিষেধাজ্ঞাটি কার্যকর করা হয়েছে। এতে পবিত্র শহর নাজাফের বিমানবন্দরে বড় ধরনের ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। ইরান থেকে ইরাকে আসা বেশিরভাগ ফ্লাইটের প্রধান গন্তব্য এই বিমানবন্দর।

আজ শনিবার ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘কিছু ইরাকি বিমানবন্দরকে এসব নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত করার জন্য ইরাক সরকার মার্কিন পক্ষের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করছে।’

বিবৃতিতে বলা হয়, অব্যাহতি দেওয়া হলে ‘মানবিক কারণে-চিকিৎসা, শিক্ষা, ধর্মীয় সফর ও বেসামরিক মানুষের স্বার্থে’ ফ্লাইট চলাচল আবার শুরু করা সম্ভব হবে।

আস্থা/এমএইচ